অসমিয়া : বাংলা ভাষার দুর্জ্ঞেয় সতীন

অথর- টপিক- অপিনিয়ন

অক্ষর একটাই, ভাষাও একই তবু একেক দেশে তার উচ্চারণ একেক রকম— বিপ্রদাশ বড়ুয়ার ‘অপরূপ মিয়ানমার’ না পড়লে এ-কথা জানাই হতো না । যেমন— মিয়ানমারের মুদ্রা kyat-কে তারা উচ্চারণ করে ‘চ্যা’ বা ‘চ্যাট’। আজব লাগে না ! তদ্রূপ, অসমিয়া ভাষাকে অসমিয়া উচ্চারণে বলা হয় অখমিয়া । আবার অহমিয়াও বলা হয় । ইংরেজিতে লেখা হয়— Ôxômiya । কোথাও কোথাও Assamese-ও যে লেখা হয় না, তা নয় ।

অসমিয়া ভাষায় ভারতে প্রায় ১.৩ কোটি মানুষের মাতৃভাষা;[1] এদের অধিকাংশই ভারতের অসম রাজ্যে বাস করেন। এছাড়াও ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড,  অরুণাচল প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অন্যান্য অংশ, পুনে-মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কর্ণাটক, ও কলকাতায়[2] এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র ভুটানেও অসমিয়া প্রচলিত । সুতরাং বিশ্বজুড়ে এই ভাষাভাষীলর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি।[3]

বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিপুল পরিমাণে মানুষ অসমিয়া ভাষায় কথা বলে এবং পার্বত্য রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী আসামের বংশোদ্ভূত (অসমিয়) পরিবারের নারী-পুরুষের নিত্যদিনের মুখের বুলি অসমিয়া, কিন্তু বাংলাদেশে এই ভাষাভাষী মানুষের জনসংখ্যা কতো তা নিরূপণ করা হয় নি কখনো ।

বলা হয়— অসমিয়া ভাষাকে অতীতে বাংলা ভাষার একটি উপভাষা হিসেবে ভুল করা হয়েছিলো; যেই ভুলের কারণেই ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশ সরকার অসমের স্কুল ও আদালতে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠা করেন এবং অসমিয়া ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। অসমবাসীর আন্দোলনের পর ১৮৭২ সালে অসমিয়াকে পুনরায় অঞ্চলটির সরকারি ভাষা করা হয় । নেথান ব্রাউন-এর রচনা থেকে ধারণা করা হয়, প্রথম যে ভাষাবিদ অসমিয়াকে বাংলা অপেক্ষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে গণ্য করেছিলেন তিনিই ।[4]

শ্রেণিবিচার

ধারণা করা হয়— পূর্ব ভারতীয় মাগধী প্রাকৃত থেকে অসমিয়া ভাষার উৎপত্তি হয়েছে । সুতরাং পূর্বের ভাষাগুলির মতোই ভাষার শ্রেণিবিচারে এখানে পার্থক্য নেই খুব একটা । ইন্দো-ইউরোপীয় হয়ে ইন্দো-ইরানীয় এবং তারপর ইন্দো-আর্য, আর্যের পূর্ব দল থেকে অসমিয়া ভাষাটি বাংলা-অসমিয়া ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে । এই শ্রেণিবিভাজনকে ঠিক উল্টো করেও হিসাব করা যায়। অসমিয়া ভাষার আন্তর্জাতিক ভাষাকোড—  আইএসও ৬৩৯-১-তে as, আইএসও ৬৩৯-২-তে asm, আইএসও ৬৩৯-৩-তে asm এবং লিঙ্গুয়াস্ফেরা’র কোড— 59-AAF-w ।

অসমিয়ার চারটি প্রধান উপভাষা রয়েছে— কেন্দ্রীয় অসমিয়া, পূর্ব অসমিয়া, কামরূপী অসমিয়া, গোয়ালপাড়িয়া অসমিয়া।[5]

লিখন পদ্ধতি

অসমিয়া ভাষা বাংলালিপিকে সামান্য পরিবর্তন করে লেখা হয় । ভাষার লিপিটির নাম— অসমিয়া লিপি। বাংলালিপির মতোই এতে স্বরবর্ণ  ১১টি, তবে ব্যঞ্জনবর্ণ ও অন্যান্য চিহ্ন আছে ৫৪টি । এই লিপির উৎপত্তি হয়েছে গুপ্ত লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে । তাহলে বাংলালিপির উৎপত্তি হলো কোত্থেকে? সেটা সময় এলে বলা যাবে ।

অসমে প্রাচীনকাল থেকেই লেখালেখির চর্চা আছে। মধ্যযুগে এখানকার রাজাদের আদেশনামা, ভূমি প্রদানপত্র, এবং তাম্রফলকে অসমিয়া লেখা দেখতে পাওয়া যায়। পূর্বকালে সাঁচি গাছের বাকলে অসমের একটি নিজস্ব লিপিতে ধর্মীয় গ্রন্থ ও কাহিনী লেখা হতো । হেমকোষ নামের অভিধানে অসমিয়া শব্দের যে সংস্কৃতভিত্তিক বানান ব্যবহৃত হয়েছিল, সেগুলিই এখন প্রমিত বানানে পরিণত হয়েছে।

ব্যাকরণ

অসমিয়া ব্যাকরণের সাথে অন্যান্য ইন্দো-আর্য ভাষাগুলির ব্যাকরণের প্রচুর মিল আছে। থাকাটাই স্বাভাবিক । সুতরাং অসমিয়া ভাষাও একটি সংশ্লেষণাত্মক ভাষা—অর্থাৎ ধাতুর সাথে অন্ত্যপ্রত্যয় জোড়া লাগিয়ে শব্দ তৈরি করা হয় এবং বিভক্তির মাধ্যমে ব্যাকরণিক সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়।

বিশেষ্য ও বিশেষণ : অসমিয়া বিশেষ্যগুলি নিচের ব্যাকরণিক ক্যাটাগরিগুলির জন্য চিহ্নধারণ করে—

বচন : একবচন ও বহুবচন

লিঙ্গ : পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীলিঙ্গ

কারক : কর্তৃকারক, কর্মকারক, সম্বন্ধ কারক, সম্প্রদান কারক, করণকারক এবং অধিকরণ কারক। সব কারকের জন্য অনুসর্গ রয়েছে। সকর্মক ক্রিয়ার কর্তার জন্য অসমিয়া কারকচিহ্ন ব্যবহার করে। অন্যান্য ইন্দো-আর্য ভাষার সাথে অসমিয়া ভাষার সাধারণ একটি পার্থক্য হলো— এ-ভাষায় সকল কালের জন্য সকর্মক ও কিছু অকর্মক কর্তায় কারক চিহ্ন ব্যবহার করে । অন্যভাষাগুলিতে যা সচরাচর দেখা যায় না ।

বাংলাভাষার মতোই এ ভাষায় সম্বোধনসূচক ও তুচ্ছতা/ঘনিষ্ঠতাবাচক সর্বনামের ব্যবহার করা হয় ।

ক্রিয়া : ক্রিয়াগুলির ব্যবহারও প্রায়ই বাংলা ভাষার মতোই । এ-ভাষায়ও কর্তৃবাচ্যে কর্তার সাথে এবং কর্মবাচ্যে কর্মের সাথে বচন, পুরুষ ও লিঙ্গে সাযুজ্য রক্ষা করে । ‘তিন পুরুষ’ বিবেচনা আছে । তবে একবচন ও বহুবচনে ক্রিয়ার পার্থক্য ঘটে, যেমনটি আরবি ভাষায় দেখা যায় । একইভাবে ‘তিন কাল’, পুরাঘটিত ও অ-পুরাঘটিত প্রকার এবং ভাব প্রকাশে নির্দেশক, আদেশাত্মক, সাপেক্ষ, অভিপ্রায়ার্থক ক্রিয়ার ব্যবহার আছে । আছে কর্তৃবাচ্য ও কর্মবাচ্যের ব্যবধান । তবে বাংলার সাথে সবচে’ বড় পার্থক্য হলো, এ ভাষায় ‘নিষেধন’ সম্পাদন করা ক্রিয়ামূলের পূর্বে উপসর্গ যোগ করে, বাংলাতে যার বিপরীত ঘটে এবং চাটগাঁইয়া ভাষায় যার মিল পাওয়া যায় ।

পদক্রম : অসমিয়া ভাষার স্বাভাবিক পদক্রম হলো— কর্তা-কর্ম-ক্রিয়া । বিশেষক পদগুলি বিশেষ্যের আগে বসে। গৌণ কর্ম প্রত্যক্ষ কর্মের আগে বসে।

গবেষণা

অসমিয়া ভাষার ভাষাতত্ত্বের উপর প্রকাশনার সংখ্যা বেশি নয়। তবে আধুনিক ভারতীয় ভাষাগুলির উপর বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রাথমিক প্রচেষ্টাগুলির অনেকগুলিই অসমিয়া ভাষার উপর সম্পাদিত হয়েছিলো । ১৯২০ সালে প্রকাশিত ফরাসি ভাষাবিজ্ঞানী জুল ব্লখের ‘লা ফর্মাসিওঁ দ্য লা লং মারাথ’ই ছিলো আধুনিক ইন্দো-আর্য ভাষার ওপর সম্পাদিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভাষাবৈজ্ঞানিক গ্রন্থ। এর কিছু পরেই ১৯২৬ সালে ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ করেন বাংলা ভাষার ওপর লিখিত তাঁর মহাগ্রন্থ ‘দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অভ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ’। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় রচনা হিসেবে ১৯৩৫ সালে সুনীতিকুমারেরই নির্দেশনায় বাণীকান্ত কাকতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘Assamese, Its Formation and Development’ নামের পিএইচডি অভিসন্দর্ভটি প্রকাশ করেন ।

সাহিত্য

বাংলাদেশে অসমিয়া জাতির জন্যে ‘অসমিয়া (আসাম) উন্নয়ন সংসদ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা’ নামক একটি উন্নয়ন সংস্থা আছে । তবে ভারতে সরকারিভাবে এই ভাষার সমাদর অনেক । আছে পৃথক ‘সাহিত্য অকাদেমি’ । সাহিত্য-সাধনার জন্যে প্রতিবছর কবি-সাহিত্যিকদের পুরুস্কৃতও করা হয় । সুতরাং গান কবিতাও আছে প্রচুর । কিন্তু বাংলাদেশি অসমিয়াদের সাহিত্যে কোনো অবদান নেই । তারা নিজের ভাষাটাই বাংলাভাষার সাথে গুলিয়ে বলে । অসমিয়া ভাষায় লেখাপড়ার কোনো সুযোগও নেই বাংলাদেশে।

উইকিপিডিয়ায় অসমিয়া ভাষাতেই এ ভাষার যে আলোচনা করা হয়েছে, তা থেকে ভাষার অবস্থার একটা উপমা দেয়া যেতে পারে— যি ধ্বনি উচ্চাৰণ কৰোঁতে নিশ্বাস বায়ুৱে মুখ বিবৰৰ কোনো ঠাইত বাধা নাপায় তাক স্বৰধ্বনি বোলে৷ লিখিতভাৱে স্বৰধ্বনি ১১ টা যদিও; বিশিষ্ট স্বৰধ্বনি আঠটাহে পোৱা যায়৷ উচ্চাৰণৰ স্থান আৰু ৰীতি অনুসৰি অসমীয়া বিশিষ্ট স্বৰধ্বনিবোৰক তলত দিয়াৰ দৰে দেখুৱাব পাৰি ৷[6]

ইতিহাস

এইখানে একটু ইতিহাস বলে রাখি । ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে সংলগ্ন বাংলাভাষী প্রদেশ হলো আসাম । ১৮২৬ সালে অসম ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে এবং ১৮৩৬ সালে বাংলা ভাষাকে অসমের রাষ্ট্রভাষা করা হয় । এর প্রায় ৩৬ বছর পরে ১৮৭২ সালে অসমিয়া ভাষা রাজ্যটির সরকারি ভাষা হিসেবে ফিরে আসে । ১৯৬০ সালের ২৪ অক্টোবর আসাম সরকার ‘আসাম ভাষা বিল’-এর মাধ্যমে সমগ্র আসাম প্রদেশের জন্য একমাত্র অসমিয়া ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় । এই বিলের প্রতিবাদে আসামের বাঙালিরা যে আন্দোলন গড়ে তোলেন, তা চূড়ান্ত রূপ নেয় আসামের বরাক উপত্যকায় । ১৯৬১ সালের ১৯ মে অসমিয়াকে অসম রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা করার প্রতিবাদে ১১জন বাংলাভাষীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, ৫২-এর বাংলাভাষা আন্দোলনের মতোই— সে-কারণে বাংলার সাথে অসমিয়ার একটা বিরাগ ঐতিহাসিকভাবেই ঘটে গেছে । ৫২-এর সালাম-রফিক-জব্বার-বরকতের মতোই অসমে কমলা-কানাই-কুমুদ-সুনীলরা জীবন দিয়ে আসাম ভাষা বিল-এ পরিবর্তন ঘটাতে বাধ্য করেন । আসাম সরকার বরাক অঞ্চলের জন্য বাংলা ভাষাকে অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।[7]

যদিও শব্দভাণ্ডার, ধ্বনিবৈশিষ্ট্য, লিপি প্রভৃতি দিক দিয়ে অসমিয়া ভাষার সাথে বাংলার রয়েছে নিকট সম্বন্ধ এবং বর্তমানে অসমিয়া ভারতের অসম রাজ্যের সরকারি ভাষা এবং রাজ্যের সমস্ত কর্মকাণ্ডে এটি ব্যবহৃত হয়— সেই সূত্রে আসামের সীমান্ত অঞ্চল রংপুরে এই ভাষার বিরাট সংখ্যক মানুষ বসবাস করলেও বাংলাদেশে অসম ভাষা কোনোদিনও আদর পায় নি । এর দ্বারা আমাদের সামনে উমহাদেশের রাষ্ট্রীয় চরিত্র পরিষ্কার হয়ে যায়— অর্থাৎ, ভাষার বিচারে পাকিস্তান যেমন, ভারতও তেমন এবং বাংলাদেশও খুব ব্যতিক্রম নয় ।

সবিশেষ— রাঙামাটিতে আসামবস্তিসহ পার্বত্য তিন জেলায় প্রায় দুই শ’ আসাম বংশোদ্ভূত পরিবার আছে। তাদের অধিকাংশ বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও সনাতন ধর্মাবলম্বী। ভাষার বিচারে সেটা কোনো বিষয় নয় । মূলবিষয় হলো, বছরের পর বছর ধরে পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করছেন। পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বিশেষ করে বাঙালিদের সঙ্গে মিশতে মিশতে তাদের স্বতন্ত্র ভাষা ও সংস্কৃতিও মিশে গেছে । বাঙালি ও পাহাড়ের বিভিন্ন উপজাতিদের ভাষা-সংস্কৃতির চাপে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে অসমিয়া ভাষা-সংস্কৃতির প্রতি সামান্য আনুকুল্যও না থাকায় তাদের ভাষা-সংস্কৃতি বিলীন হবার উপক্রম হয়েছে ।[8] ঠিক যেমনটি ঘটছে আসামে বাংলাভাষীদের বেলায় ।[9]

অথচ কোনো ভাষার ওপর চেপে বসে না অন্য ভাষা, চেপে বসে মানুষ । মানুষই মানুষের অধিকার হরণ করে কর্তৃত্বের লোভে । কিন্তু অবাক লাগে, যে মানুষ তার নিজ ভাষার অধিকার ফিরে পেতে সংগ্রামী হয়ে ওঠে, রক্তদানে উন্মুখ হয়, জীবন বিলায়, তারাই আবার কেমন করে অন্যভাষাকে অবহেলা করে, নিজের ভাষা দিয়ে অন্যভাষার ওপর অবরোধ আরোপ করে, কিভাবে মাতৃভাষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তারই সহোদরাকে? ভাষার মতোই বিচিত্র মানুষের মন, আকাশের মতো নয় ।


তথ্যসূত্র : 

[1] Mikael Parkvall, “Världens 100 största språk 2007” (The World’s 100 Largest Languages in 2007), in Nationalencyklopedin

[2] www1.lisindia.net/?kw=web+portal

[3] Resource centre for indian language technology solutions, www.iitg.ernet.in/rcilts/assamese.html

[4] Grammatical Notes on the Assamese Language,  ভূমিকা অংশ, নেথান ব্রাউন, প্রকাশ ১৮৪৬

[5] Moral, Dipankar. A phonology of Asamiya Dialects : Contemporary Standard and Mayong, PhD Thesis, Deccan College, Pune 1992.

[6] অসমীয়া ভাষা, ড. ভীমকান্ত বড়ুয়া, বনলতা, ১৯৯৭

[7] বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল, দিব্যদ্যুতি সরকার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, দৈনিক ইত্তেফাক, www.ittefaq.com.bd/print-edition/special-issue/2015/02/21/33102.html

[8] বাংলাদেশে বিলুপ্তির পথে অসমিয়াদের ভাষা, কাওসার আযম, দ্য রিপোর্ট, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬, bangla.thereport24.com/article/146792/

[9] মাতৃভাষা ত্যাগ করে অসমে সেই ‘অপর’ হয়েই রইলেন বাঙালি মুসলমানরা, দৈনিক আনন্দবাজার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬, www.anandabazar.com/bhasa/assam-yet-to-accept-bengali-muslims-who-gave-up-their-mother-tongue-write-up-by-milan-dutta-dgtl-1.314007

আমি মনযূরুল হক। সার্টিফিকেটে নাম মো. মনযূরুল হক মোর্শেদ। পেশা ও নেশা লেখালেখি। পড়াশুনার পাশাপাশি কাজ করছি দ্য সুলতান.কমের হেড অব কনটেন্ট হিসেবে। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা নিতান্তই কম না- ৭টি। ২০১৫ সালে সামওয়্যারইনব্লগে সেরা লেখা নির্বাচিত হয়ে পুরুস্কৃত হয়েছি। এই তো, এখন সর্বাঙ্গে জড়িত আছি দ্য সুলতান.কমের সাথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*

লেটেস্ট ফরম

গো টু টপ