Author

তারিক আজিজ

তারিক আজিজ has 28 articles published.

২০১৭ সাল জুড়ে যে সাতটি বিষয় গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়েছে

অথোর- টপিক- ইন্টারনেট

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশিবার সার্চ করা ব্যক্তিদের তালিকায় এক নম্বরেই আছে মডেল সাবিলা নুর।


বিশ্বব্যাপী মানুষ ২০১৭ সাল জুড়ে সবচেয়ে বেশি কী কী বিষয় সার্চ করেছে গুগুলে। স্বয়ং সার্চ ইঞ্জিন গুগল তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সাধারণভাবে বিভিন্ন বিষয় সার্চ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এবং বিভিন্ন দেশ থেকে সার্চ করা সেরা দশটি বিষয়ের তালিকাও রয়েছে এতে। ২০১৭ সাল জুড়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা বিষয়গুলো নিয়ে আজকের আয়োজন।

এক. আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়েছে হারিকেন ঝড় ইরমার নাম (Hurricane Irma)। এ বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে প্রলয়ঙ্করী ঝড়টি আঘাত হেনেছিল যুক্তরাষ্ট্রে। এরপরেই আছে যথাক্রমে আইফোন ৮ (iPhone 8) এবং আইফোন এক্স (iPhone X)। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ব্যক্তির তালিকায় প্রথমেই আছে ম্যাট লয়ারের (Matt Lauer) নাম। এই মার্কিন সাংবাদিক এবং টিভি উপস্থাপক তার সহকর্মীদেরকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে বছর জুড়ে আলোচিত ছিলেন। তার নাম একইসাথে বিশ্বজুড়ে সার্চ করা সাধারণ তালিকায়ও চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ব্যক্তিদের তালিকায় অন্য যারা স্থান পেয়েছে, তাদের অধিকাংশই যৌন কেলেংকারির দায়ে অভিযুক্ত। তালিকার অন্য কয়েকজন হলেন Meghan Markle, Nadia Toffa, Harvey Weinstein, Kevin Spacey প্রমুখ।

দুই. সেলিব্রেটিদের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশিবার সার্চ করা হয়েছে মেগান মার্কেলের (Meghan Markle) নাম। গত নভেম্বরে ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারির সাথে মার্কেলের বাগদান সম্পন্ন হওয়ার কালে তিনি আলোচনার শীর্ষে উঠে আসেন। আলোচিত অন্যান্য তারকারা হলেন Kevin Spacey, Gal Gadot, Louis C.K., Meryl Streep প্রমুখ। কিপ রিডিং…

উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি

অথোর- টপিক- ফটোগ্রাফি

উইকি লাভস মন্যুমেন্টস (Wiki Loves Monuments)— উইকিপিডিয়ার সহযোগী একটি সংগঠন। নানামুখি আয়োজন ও ইভেন্ট দিয়ে এই সংগঠনটির পথচলা শুরু হয়। ২০১৭ সালে সংগঠনটি একটি ছবি তোলার প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। বিশ্বব্যাপী ৫৪টি দেশের ১০,০০০ জন আলোকচিত্রশিল্পীর জমা দেওয়া ২ লাখ ৪৫ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাইকৃত চূড়ান্ত ১৫টি ছবির এই তালিকা প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতার প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বব্যাপি পরিচিত করে তোলা।

২০১৭ সালে আয়োজিত ছবি প্রতিযোগিতার জমা হওয়া প্রায় আড়াই লাখ ছবি থেকে বিচারকদের দ্বারা প্রাথমিকভাবে ৪৮৯টি ছবি নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে ১৫টি ছবিকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাঠকের জন্য সেই ১৫টি ছবির প্রথম ১০টি ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়ে আজকের আয়োজন— উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি। চলুন তাহলে আর দেরি না করে উইকি লাভস মন্যুমেন্টসের ২০১৭ সালের সেরা ছবিগুলো দেখে নেই।

১. ভারতের খান্দোবা মন্দির ও ভান্দারা উৎসবের ছবি : প্রতিযোগিতার প্রথম স্থানটি অধিকার করেছে ভারত। ভারতের পুনেতে অবস্থিত খান্দোবা মন্দিরে ছবিটি ১৫টি ছবির তালিকার প্রথমস্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়েছে। এই মন্দিরটি এমনিতেই যথেষ্ট আকর্ষণীয়। বিশেষ করে ভান্দারা উৎসব তথা হলুদ উৎসবের সময় হলুদ রঙের পোশাক আবৃত ভক্তদের অংশ গ্রহণ আর হলুদের গুঁড়ো ছিটানো বিশেষ আয়োজনে পুরো মন্দিরের দৃশ্যটি অসাধারণ হয়ে ওঠে। এমন এক একটি মুহূর্তের বর্ণিল এই ছবিটি ধারণ করেছেন ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী প্রশান্ত সোমনাথ খারোট।

২. থাইল্যান্ডের রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি : প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে থাইল্যান্ডের খাও সাম রয়ি ইয়োট ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত প্রায়া নাখোন গুহার একটি রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি। গুহাটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার উঁচুতে তিয়ান পর্বতমালায় অবস্থিত। অসাধারণ এই ছবিটি ধারণ করেছেন আলোকচিত্রী জেনপপক।

৩. ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ছবি : রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের একটি ছবি প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকাতৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। ১৯৬৮ সালে নির্মিত এই মসজিদটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০,০০০। এছাড়া এই মসজিদটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধারণ ক্ষমতা বিশিষ্ট মসজিদগুলোর তালিকাতেওে রয়েছে। বাংলাদেশী আলোকচিত্র শিল্পী আজিম খান রনির তোলা অসাধারণ ছবিটিতে জুমার নামাজের সময় সেজদারত মুসল্লিদের নয়নাভিরাম একটি দৃশ্য উঠে এসেছে।

কিপ রিডিং…

বিশ্বের প্রথম হিজাবী নারী স্কেটার জাহরা লারির অজানা গল্প

অথোর- টপিক- স্পোর্টস

১০ বছরের সাধনার ফলাফল স্বরুপ আলোর মুখ দেখলেন তিনি এবং অংশ নিলেন আন্তর্জাতিক স্কেটিং প্রতিযোগিতায়। অংশ নিয়ে শুধু ধন্যই হলেন না জাহরা লারি, গড়লেন একাধিক রেকর্ড।

বিশ্বের প্রথম হিজাবী নারীস্কেটার হিসেবে নাম লেখালেন ইতিহাসের পাতায়। অনন্য উচ্চতায় আসিন করতে সক্ষম হলেন নিজ দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে । জাহরা লারির হাত ধরে প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্কেটিং ইউনিয়নে (আইএসইউ) সদস্যভুক্ত হলো দেশটি।

যার হাত ধরে এল এত সাফল্য, সেই জাহরার উঠে আসার পথটা কিন্তু মোটেও মসৃণ ছিল না। আজকের এই স্থানে উঠে আসতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক সমস্যা-সঙ্কুল পথ। জাহরা লারি সে সব গল্প শুনলে মনে হয় রূপকথার গল্পকেও হার মানাবে তার এই ইতিহাস। মাত্র ১২ বছর বয়সে স্কেটিং করা শুরু করেন জাহরা। তার স্কেটিংয়ে আসার গল্পটিও মনোমুগ্ধকর। ডিজনি মুভি ‘আইস প্রিন্সেস’ দেখে এই খেলার প্রতি মনোযোগী হন তিনি। ২২ বছরের এই স্কেটার বলেন, ‘সেই সিনেমা দেখে স্কেটার হওয়ার সাধ জাগে আমার। আমাকে এগিয়ে যেতে রোবটের মতো সহায়তা করেছেন আমার বাবা। সমাজ-ঐতিহ্যের কথা ভেবে মাঝে মধ্যেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তবে কখনো জোর করেননি। এখন বাবাই আমার সবচেয়ে বড় ভক্ত-সমর্থক।’ আইসপ্রিন্সেস জাহরা লারির স্কেটিং দেখতে ক্লিক করুন এখানে…

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন জাহরা। মা-বাবার খুব আদুরে সন্তান ছিলেন  তিনি। যখন যা বায়না ধরতেন, আবদার পূরণ করতেন বাবা-মা। একদিন হুট করেই বরফে স্কেটিং করার বায়না ধরেন লারি। তাও মেনে নেন বাবা। এক পর্যায়ে জাহরার এই স্কেটিং বায়না নেশায় পরিণত হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে নেশা বাড়তে থাকে এবং তৈরি হতে থাকে বিখ্যাত স্কেটার হওয়ার ইচ্ছা-স্বপ্ন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণশীল সমাজ। মুসলিম দেশে। কিছুই দমাতে পারেনি জাহরাকে। অদম্য ইচ্ছায় প্রতি মুহূর্তে পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন বিপৎসংকুল পথ।

এরপর তার উঠে আসার পথে বাধা ছিল আমিরাতের ভৌগোলিক অবস্থান। যেখানে বছরের অধিকাংশ সময় প্রখর তাপমাত্রা বিরাজ করে, সেখানে স্কেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা আকাশ কুসুম কল্পনা বটে। সঙ্গত কারণে দেশটিতে বরফাঞ্চল খুঁজে পাওয়ায় দুষ্কর। তবে কোনো কিছুই তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ নিতে গেছেন দূর-দূরান্তে।

কিপ রিডিং…

ক্ষুদে দম্পতি!

অথোর- টপিক- ভিডিওগ্রাফি/লিড স্টোরি

গিনেসওয়ার্ল্ড রেকর্ড-০৭


In celebration of GWR Day 2016, the title holders for Shortest married couple have travelled to London this week to visit the London HQ of Guinness World Records.
নিজেদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদে দম্পতি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করেছেন ব্রাজিলের এই ক্ষুদে দম্পতি। প্রায় আট বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় দু’জনের। সেই থেকে শুরু হয় চুটিয়ে প্রেম। এরপর বিয়ে। আর এই বিয়ের মাধ্যমেই বিশ্বের ক্ষুদে দম্পতি হিসেবে গিনেস বুকে নাম লেখালেন তারা।

ফুটবলের দেশ ব্রাজিলের পাওলো গেব্রিয়েল ডা সিলভা ও কেটয়ুসিয়া লাই হোসিনো বেরোস। ১৭ নভেম্বর  ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়৷ এর পরই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দম্পতি হিসেবে গিনিস বুকে নাম উঠে যায় তাদের। তাদের উচ্চতার কারণেই এই অর্জন। দু’জনের উচ্চতার যোগফল ৭১.৪২ ইঞ্চি৷ এর আগে যারা এই জায়গা অধিকার করেছিলেন, সবাইকে হারিয়ে এবার তাদের থেকে আরও ছোট এই দম্পতি সেই জায়গা দখল করে নিলেন৷  ইংরেজিতে লেখা মূল ফিচারটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে…

পাওলো বহুদিন ধরেই, এই উচ্চতার জন্য, নিজের নাম গিনেস বুকে তুলতে চাইছিলেন৷ তার সেই ইচ্ছা এবার বাস্তবায়িত হলো৷ শুধু তাই নয়, যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবি ভাইরালও হয়। বর্তমানে এই দম্পতি খুবই সুখ-শান্তিতে বাস করছেন তাদের আপন দেশে।  কিপ রিডিং…

হাতের ক্রাচে ভর দিয়ে ১০০ মিটার দৌঁড়ানোর বিশ্বরেকর্ড!

অথোর- টপিক- ভিডিওগ্রাফি

গিনেসওয়ার্ল্ড রেকর্ড-০৬


শারিরীক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তার অক্ষমতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সবার জন্য অুনপ্রেরণার এক অনন্য দৃষ্টান্তের প্রতীকী মানুষ ইথিওপিয়ার তামিরু জিগিয়ে। হাতের ক্রেচের ওপর ভর করে ভারসাম্য রক্ষা করে মাত্র ৫৭ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন। এটি হাতের ক্রাচে ভর দিয়ে সবচেয়ে কম সময়ে ১০০ মিটার দৌঁড়ানোর রেকর্ড। মূল ইংরেজি লেখাটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে…

তামিরু বিকলাঙ্গ পা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি জানতে পারেন তার পা কখনোই ব্যবহার করেতে পারবেন না। কিন্তু তার স্বপ্নকে  দমিয়ে রাখতে পারেনি তার শারিরীক প্রতিবন্ধকতা।তাই শৈশব থেকেই তিনি হাতের ওপর ভর করে চলার কৌশল রপ্ত করে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি জার্মানিতে বাস করেন এবং একটি সার্কাস পার্টির হয়ে কাজ করছেন।
কিপ রিডিং…

মাত্র ২৮ বছর বয়সে ১৯৬টি দেশ ভ্রমণ করার বিশ্বরেকর্ড !

অথোর- টপিক- ভিডিওগ্রাফি/লিড স্টোরি

সারাবিশ্বের ১৯৬টি দেশ ভ্রমণ করা সহজ কথা নয়। আর এ অসাধ্য সাধন করেছেন মাত্র ২৮ বছর বয়সী এক ব্যাংকার। পাহাড়, মরুভূমি, সমুদ্র, নদী- এই বিশ্বে যা যা দেখার থাকতে পারে, তার বেশিরভাগই স্বচক্ষে দেখে ফেলেছেনভ্রমণলোভী জেমস অ্যাসকুইট। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট। মূল ইংরেজি লেখাটি পড়তে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে…

শুধু ভ্রমণই নয়, সব থেকে কম বয়সে বিশ্বের প্রথম পর্যটক হিসাবে ১৯৬টি দেশে ভ্রমণ করার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। কারণ মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি অধিকাংশ ভ্রমণের কাজ শেষ করেছেন। তার এ ভ্রমণে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ বছর। বিগত ২০১৩ সালে ভ্রমণ শেষে  তিনি তার সেই ভ্রমণের স্বীকৃতি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সনদপত্র পান। আর এ কারণে তার ভ্রমণকাহিনীও স্থান পেয়েছে বিশ্বরেকর্ডের খাতায়। কিপ রিডিং…

পর্ণোগ্রাফি আসক্তির ভয়ঙ্কর ক্ষতি ও মুক্তির উপায়

অথোর- টপিক- প্যারেন্টিং/লিড স্টোরি

ইদানিং পর্ণোগ্রাফিতে আসক্তের সংখ্যা খুব ভয়াবহ আকারে বেড়ে যাচ্ছে। ছোটো ছোটো বাচ্চা থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝেও আসক্তির মাত্রা প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে। যৌনতা প্রাণীজগতে খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কিন্তু সমস্যাটা তখনই হয়, যখন তা পর্নোগ্রাফির মতো একটি বিষয়ে আসক্তির পর্যায়ে চলে যায়। পর্নোগ্রাফির ভয়াবহ ছোবল থেকে কীভাবে নিজেকে এবং সেই সাথে আমাদের সমাজটাকে রক্ষা করা যায়, সেই সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি।


মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ, চারটি উপায়েই পর্ন ফিল্মে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাঠকরাও যদি কোনও প্রিয়জনের পর্ণফিল্মে অতিরিক্ত আসক্তি কাটাতে চান, তাহলে এই চার উপায় ব্যবহার করে দেখতে পারেন।


পর্ণ আসক্তি মাদকাসক্তির মতোই। যতই দেখবেন ততই দেখতে ইচ্ছা হবে। সাময়িক সুখের বিনিময়ে আপনাকে বিষণ্ণ এবং নিঃসঙ্গ মানুষে পরিণত করবে। যা আপনাকে আপনার স্ত্রী, সন্তান এবং পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। পর্ণ আসক্তির কারণে একজন মানুষকে বৈবাহিক জীবনে স্ত্রীর সাথে মিলনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলা। আসক্তির মাত্রা কখনো কখনো এমন স্তরে পৌছায় যে তা ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং অনভিপ্রেত ঘটনার জন্ম দেয়, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো তরুণদের মাঝে যৌনতা নিয়ে মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দেয়।কখনো কখনো আসক্তের কামশক্তি বা যৌন চেতনা ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে এবং শারীরিক মিলন খুব বিরক্তকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।নারীদের তুলনায় পুরুষদের মাঝে পর্ণ আসক্তির মাত্রা বেশি।

চলুন এবার দেখে নেই পর্ণ আসক্তি আপনাকে কীভাবে তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ১. শারীরিকভাবে পর্ণ আপনাকে ধীরে ধীরে যৌন অক্ষম করে তোলে। ২. পর্ণ দেখার সময় মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয় যা আমাদের আনন্দ, হাসি কান্নাসহ যৌন অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. পর্ণোগ্রাফি আপনার মস্তিষ্ককে অস্বাভাবিকভাবে উত্তেজিত করে তোলে। এতে প্রচুর ডোপামিন ক্ষরণ হয়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ডোপামিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। এভাবে বার বার একই প্রক্রিয়া দীর্ঘ দিন চলতে থাকলে আপনার মস্তিষ্কে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, শারীরিক মিলনের ক্ষমতা ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে। যার ফলাফল আপনি নিজেই দেখতে পান। যেমন – স্ত্রীর সাথে অনুত্তেজক সম্পর্ক, বিষণ্ণতা, সহজেই মনোযোগ হারিয়ে ফেলা, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেও উত্তেজনা ফিরে না পাওয়া ইত্যাদি। ৪. পর্ণ কামশক্তি ধ্বংস করে। ৫. পর্ণ আসক্তি ভালবাসার অন্তরায়। এছাড়া ৬ শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় ব্যাপক ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। কিপ রিডিং…

ওয়ারেন বাফেট : আদর্শবান জাত ব্যবসায়ী

অথোর- টপিক- এন্টারপ্রেনারশিপ/লিড স্টোরি

ওয়ারেন বাফেট। বর্তমান বিশ্বের ব্যবসায়িক জগতে এক আলোকিত নাম। তার ব্যবসায়িক জীবনের কৌশল, আদর্শ, সাফল্য নিয়ে লিখে শেষ করা যাবে না । বর্তমানে তিনি বিশ্বের তৃতীয় ধনী হিসেবে আসন গেড়ে আছেন। তার সম্পদের পরিমাণ ৬০ বিলিয়নের ওপরে।


ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক লোন থেকে দূরে থাকুন। নিজের যা আছে তাই বিনিয়োগ করুন। মনে রাখবেন- টাকা মানুষ সৃষ্টি করে না। কিন্তু মানুষ টাকা সৃষ্টি করে।


সংবাপত্রের হকারি দিয়ে শুরু : ওয়ারেন বাফেট এক সময় মুদি দোকানে কাজ করতেন। ছিলেন হকার। বিক্রি করতেন সংবাদপত্র। বর্তমান দুনিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। বর্তমানে ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার দান করেছেন বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায়। তারপরও তিনি ৪ হাজার কোটি ডলারের মালিক। এখন তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনেক বিশেষণ। মার্কিন বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং লোকহিতৈষী বলে পরিচিতি পেয়েছেন। অনেকে তাকে ‘মিরাকল অব ওমাহা’ নামে ডাকেন। বিশেষভাবে বলতে হয়, এতো সম্পদের মালিক হয়েও তার মধ্যে নেই কোন বিলাসিতা। কিপ রিডিং…

পানির নিচে পৃথিবীর দীর্ঘ মানববন্ধনের রেকর্ড!

অথোর- টপিক- ভিডিওগ্রাফি/লিড স্টোরি

পানির নিচে এমন আয়োজন করা বিষয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান রেইড ইটালিয়ার মুখপত্র গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষকে জানান, আমরা এই আয়োজন করেছি মানুষকে দেখাবার জন্য যে, স্কুবা ডাইভিং কতোট বিস্ময়কর ও অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।


স্কুভা ডাইভার ট্রেনিং এজেন্সী ইটালিয়া সাম্প্রতিক সমযে পানির নিচে পৃথিবীর দীর্ঘ মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল। ১৭৩ জন মানুষের অংশগ্রহণে পানির নিচের এই মানববন্ধন ইটালির বোলগনা সাগরের এলবা আইসল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। এই মানববন্ধন এরইমধ্যে গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান লাভ করেছে। ইংরেজি মূল আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে…
কিপ রিডিং…

সোনাক্ষির “নূর”!

অথোর- টপিক- এন্টারটেইনমেন্ট


বলিউডে দাবাং গার্ল খ্যাত সদা হাস্যময়ী সোনাক্ষি সিনহা নতুন রুপে ফিরছেন বড় পর্দায়। সোনাক্ষি সিনহা এবার খুবই সাধারণ ঘরের এক মেয়ে হয়ে ভিন্নরুপে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন। রুপালি পর্দায় “নূর” নামের এক নারী সাংবাদিক চরিত্রের মাধ্যমে সোনাক্ষি সিনহা নিজেকে এবার ভিন্নভাবে জাহির করার চেষ্টায় আছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে সোনাক্ষী অভিনীত ‘নূর’ সিনেমাটির ট্রেলার।

পাকিস্তানি লেখিকা তথা সাংবাদিক সাবা ইমতিয়াজের উপন্যাস ‘করাচি’ ইউ আর কিলিং মি’ থেকে অনুপ্রাণিত নূরের চিত্রনাট্য ৷ তবে ছবির প্রেক্ষাপট মুম্বাই ৷ যেখানে সাংবাদিক হিসেবে বেশ বেগ পেতে হয় সোনাক্ষীকে ৷ হাসির মোড়কে পুরো গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক ৷ সিনেমার কাহিনীও বেশ আনন্দপূর্ণ,তবে সাংবাদিক ও মনুষত্বের দ্বন্দ্বকে বেশ সুচারুরূপে পরিচালক সিনেমাটিতে তুলে ধরেছেন।
কিপ রিডিং…

গো টু টপ