Daily archive

January 12, 2017

কথাশিল্পী শওকত ‍উসমান

অথোর- টপিক- /সুলতান স্টোরি

বাংলাদেশের আপসহীন এক সংগ্রামী কথাশিল্পী শওকত ওসমান (১৯১৭-১৯৯৮)। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার খানাকুল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।তার প্রকৃত নামটি হচ্ছে শেখ আজিজুর রহমান। শওকত ওসমান ওরফে শেখ আজিজুর রহমানের বাবার নাম মোহাম্মদ ইয়াহিয়া এবং মায়ের নাম গুলজান বেগম। সাত ভাই-বোনের মধ্যে শওকত ওসমান ছিলেন সবার বড়। জন্মের পর থেকে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্য দিয়ে শওকত ওসমান বেড়ে ওঠেননি। বাল্যকাল থেকে নানান ধরনের টানাপড়েনের মধ্যে তার দিন অতিবাহিত হতে থাকে।



শিক্ষাজীবন : ১৯২২ সালে সবলসিংহপুর গ্রামের মক্তবে মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তার বাল্যশিক্ষা শুরু হয়। এরপর তিনি রূপচাঁদ গুপ্ত একাডেমিতে (নন্দনপুর) শিশু শ্রেণিতে পড়েন। এরপর তিনি ভর্তি হন (১৯২৬) সবলসিংহপুর গ্রামের জুনিয়র মাদ্রাসায়। ১৯৩৩ সালে ১৬ বছর বয়সে শওকত ওসমান ইংরেজিতে প্রবেশিক্ষা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৩৪ সালে ভর্তি হন কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। সেখানে ১৯৩৬ সালে প্রথম বিভাগে আইএ পাস করেন। আইএ পাসের পর ভর্তি হন বিএ (সম্মান) অর্থনীতিতে। কিন্তু পারিবারিক দুরবস্থার কারণে তার আর অনার্স পড়া হয়ে ওঠেনি। তাই ১৯৩৯ সালে বিএ পাস করে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে এম এ শ্রেণিতে। ১৯৪১ সালে তিনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে এম এ পাস করেন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন তিনি। বাবা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া চাষাবাদ আর টুকটাক মিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাতেন। যার কারণে ছাত্র বয়সে সচ্ছলতা কাকে বলে তা শওকত ওসমান চোখে দেখেননি। অবশ্য মৃত্যুর আগ পর্যন্তও তাকে অর্থনৈতকি দুরবস্থার মধ্যেই জীবন কাটাতে হয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ার সময় কিশোর বয়সেই তাকে ছাত্র পড়াতে হয়েছে। সপ্তম-অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি অন্যের বাড়িতে লজিং থেকে নিজের পড়ালেখা চালাতেন।



সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়ার সময় তার থাকার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা ছিল না। যখন যেখানে সুযোগ পেতেন রাত কাটাতেন। টিউশনি করে নিজের পড়ালেখা চালানোর পাশাপাশি বাড়িতেও টাকা পাঠাতেন। আইএ পাসের পর বেশ কিছু দিন কেরানির চাকরি করেন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনে। তার কিশোর বয়সের এসব সংগ্রামমুখর স্মৃতি এবং জীবনের বৈচিত্র্যময় টানাপড়েন নিয়ে তিনি ‘স্বজন সংগ্রাম’ নামে একটি উপন্যাস লেখেন। কিপ রিডিং…

প্রখ্যাত ইউনানী চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ হাকিম আজমল খান

অথোর- টপিক- /সুলতান স্টোরি

আজমল খান (বা হাকিম আজমল খান) (১৮৬৮–১৯২৭) কেবল একজন একজন ভারতীয় চিকিৎসক ছিলেন না, একজন রাজনীতিবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে ভাস্বর হয়ে আছেন ।


তাকে “মসিহায়ে হিন্দ” (ভারতের সুস্থকারক) এবং “মুকুটোবিহীন রাজা” বলা হতো । বলা হতো যে তিনি রোগীর চেহারা দেখে রোগ বুঝে নিতে পারতেন। শহরের বাইরে যেতে হলে তিনি ১০০০ রুপি নিতেন।


যদিও দিল্লীতে তিবিয়া কলেজ স্থাপনের কারণে তাকে বিশ শতাব্দীতে ভারতে ইউনানি চিকিৎসার পুনর্জাগরণের কৃতিত্ব দেয়া হয় । মহাত্মা গান্ধীর সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো । কিপ রিডিং…

ফেসবুকের ‘সাংবাদিকতা প্রকল্প’

অথোর- টপিক- লিড স্টোরি/হাইলাইটস

সংবাদ সংস্থাগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে বুধবার ‘সাংবাদিকতা প্রকল্প’ চালু করেছে ফেসবুক।

ফেসবুকের সংবাদ অংশীদারিত্ব টিমের প্রধান হিসেবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদক, আলোচক ও উপস্থাপক ক্যাম্পবেল ব্রাউনকে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন এ প্রকল্পটি চালু করা হলো।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বুধবার জানায়, নতুন এ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ‘ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলস’, ‘৩৬০’ এবং ‘লাইভের’ মতো সংবাদ প্রদানের সাম্প্রতিক ফরম্যাটগুলোর উন্নতি সাধন করা হবে।

ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল ব্যবহার করে ফেসবুক এমন একটি ফিচার পরীক্ষা করবে যা পাঠকদের পছন্দের সংবাদমাধ্যম থেকে একবারে কয়েকটি সংবাদ পড়ার সুযোগ করে দেবে। সংবাদ সাক্ষরতা বিষয়টি প্রচারের জন্য থার্ড পার্টির সঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।



কিপ রিডিং…

হালাল রিজিক উপার্জনের সুন্দরতম পথ ব্যবসা : এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ

অথোর- টপিক- ইন্টারভিউ/এডিটরিয়াল

এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ- ১৯৮৮ সালের ২ জানুয়ারি তার মাতুলালয় চাদঁপুর জেলার মতলব থানাধীন পশ্চিম লালপুর মিয়াজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। একাধারে তিনি একজন মেধাবী আলেম, অভিজ্ঞ অর্থনীতি বোদ্ধা, দক্ষ আলোচক, যোগ্য প্রশিক্ষক এবং উদীয়মান তরুণ ব্যবসায়ী। তার দাদা বাড়িও একই থানার এখলাছপুর গ্রামে। তার বাবা মাহফুজুর রহমান ছিলেন পাকিস্তান আমলে এখলাছপুর প্রাইমারী স্কুলের হেড মাস্টার আব্দুল আজিজের দ্বিতীয় পুত্র; সে-আমলে যার ছাত্র ছিলেন সাবেক পানি উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, আল-রাজী হাসপাতালের কর্ণধার ডা. মোস্তফা জামানসহ বর্তমান সময়ের বহু খ্যাতিমান ব্যাক্তিত্ব। ইবনে মাহফুজের শৈশব কাটে নানাবাড়িতে।


পারিবারিক প্রয়োজনের খাতিরেই প্রথম আমাকে ব্যবসার পথ বেছে নিতে হয় এবং সেই ছেলেবেলা থেকে নানা কারণে এই ভাবনাটা আমার মধ্যে প্রবল আকারে দানা বেঁধে ওঠে যে, অনেক ভালো কাজ করা এবং অনেক ভালো উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সচ্ছলতা খুব প্রয়োজন। ধীরে ধীরে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, দীন ও দুনিয়া উভয়ের জন্যেই হালাল অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যবসাই সবচে সুন্দরতম পথ।


ছাত্রজীবনে তিনি নিজগ্রাম এখাছপুর প্রাইমারী স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন। কিন্তু পিতার চাকুরির সুবাদে ১৯৯১ থেকে বহুবার পিতার সাথে মাদরসার পরিবেশে যাতায়াতের এক পর্যায়ে সকলের বাধা ও আপত্তি উপেক্ষা করে ১৯৯৪ সালে স্কুল ছেড়ে নারায়ণগঞ্জের কাশীপুরে ‘কাছেমুল উলুম মাদানিয়া’ মাদরাসায় ইবতেদায়ি বিভাগে ভর্তি হন। ২০০২ সাল একই মাদরাসায় হেদায়েতুন্নাহু (মাধ্যমিক প্রথমস্তর) পড়া শেষ করেন। এরপর ২০০৩ সালে মুন্সিগঞ্জের রিকাবি বাজার মাদরাসা ও ২০০৫ সালে নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া মাদারাসায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর সমাপন করে নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর) সম্পন্ন করেন। জনাব মোফাজ্জল ছাত্রজীবন থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদরাসার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ক্লাস সমাপ্ত করার পর ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতির ধারায় আরো বেশি সংযুক্ত হন তিনি।

বর্তমানে তিনি বারাকাত এন্টারপ্রাইজেস (এন্টারপ্রাইজেস, বারাকাত মার্কেটিং কর্পোরেশন, বারাকাত কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, বারাকাত লজেষ্টিক) -এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। এছাড়া আস্হাব কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের মার্কেটিং ডিরেক্টর, কালার মিডিয়া প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্স-এর চেয়ারম্যান, বুশরা ট্রেড ইন্টান্যাশনাল কর্পোরেশন (বিটিআইসি) লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিয়েল স্টেট অ্যান্ড হাউজিং ডেভেলপমেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড মার্কেটিং ব্যবসার একজন দক্ষ কর্ণধার। কর্মজীবনে এসে তিনি বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের অধীনে ইসলামী অর্থনীতি ও মার্কেটিং উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং দেশে ও দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত অর্থনীতি বিষয়ক নানা কর্মশালায়ও অংশগ্রহণ করেছেন। দেশ ভ্রমণ ইতোমধ্যে এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজের একটি আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে তিনি মালয়েশিয়া, ভারত, নেপাল, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কমার্শিয়াল সেমিনারে অংশ গ্রহণ করে সুনাম কুড়িয়েছেন। তরুণ এই ব্যবসায়ীর ব্যবসা জীবন, ইসলামি অর্থনীতি, কো-অপারেটিভ ব্যবসা, দেশীয় মার্কেট পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে তিনি দ্য সুলতানের সাথে কথা বলেন।

এক জন মাদরাসায় পড়ুয়া আলেম হয়েও কেনো আপনি ব্যবসায় এলেন?

শিক্ষাজীবন থেকেই আমি ছোট-খাট ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। বা এভাবে বলা যায়, আমার কর্মজীবন মূলত ছাত্রজীবন থেকেই শুরু হয়েছে। প্রিয় দাদা ও আপন ছোটো ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকাহত বাবা প্রচ- অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাদের পরিবারে সীমাহীন দুর্ভোগ নেমে আসে। নিজের শিক্ষা-উপকরণের খরচ যোগাতে তখন শহরের পাইকারি মার্কেট থেকে স্টেশনারী সামগ্রী কিনে সহপাঠীদের কাছে বিক্রি করতাম। বাবার চিকিৎসা খরচ ও অসুস্থতার মাত্রা বেড়ে চললে বাবার জমানো অর্থকড়িও ফুরিয়ে আসে, তখন একদিকে পরিবার ও অন্যদিকে বাবার চিকিৎসার ভাবনায় মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে সরাসরি ব্যাবসায় নেমে যাই। গার্মেন্টস থেকে রিজেক্ট তৈরি পোশাক কিনে ফেরি করে কিংবা ফুটপাতে বসে বিক্রি শুরু করি। তখন আমার বন্ধু, সহপাঠী ও দীনি ভাইদের মধ্যে কয়েকজন মহামানব ফেরেশতার মতো এগিয়ে এসেছেন; যাদের কাছে সারাজীবন আমি ঋণী হয়ে থাকবো। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। অর্থাৎ পারিবারিক প্রয়োজনের খাতিরেই প্রথম আমাকে ব্যবসার পথ বেছে নিতে হয় এবং সেই ছেলেবেলা থেকে নানা কারণে এই ভাবনাটা আমার মধ্যে প্রবল আকারে দানা বেঁধে ওঠে যে, অনেক ভালো কাজ করা এবং অনেক ভালো উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সচ্ছলতা খুব প্রয়োজন। ধীরে ধীরে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, দীন ও দুনিয়া উভয়ের জন্যেই হালাল অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যবসাই সবচে সুন্দরতম পথ।



কিপ রিডিং…

বাঙালি এক দানবীর সুলতান হাজী মহসীন

অথোর- টপিক- /সুলতান স্টোরি

হাজী মুহাম্মদ মহসীন (১৭৩২-১৮১২) ভারতীয় উপমাহদেশের বাংলার একজন জনহিতৈষী, দানবীর। দানশীলতার জন্য তিনি মানুষের কাছ থেকে দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। পুরো বাঙালী জাতি মুসলিম হিন্দু সকলের কাছে সমান শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। দান, দয়া এবং মানবতার ইতিহাসে তিনি এক কিংবদন্তি পুরুষ। তাঁর দয়া ও মহানুভবতার কথা আজও প্রচলিত আছে রূপকথার মত। আপামর সাধারণ মানুষের কাছে তার জীবন কাহিনী এমনভাবে ছড়িয়ে আছে যে, রূপকথার অনেক কল্প কাহিনীকেও তা হার মানায়। পুরো জীবন তিনি অসহায় মানুষের সেবায় নিজের সমস্ত ধন সম্পদ দু’হাতে বিলিয়ে গেছেন ।

তিনি ১৭৩২ সালের ৩রা জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আগা ফয়জুল্লাহ, মাতার নাম জয়নব খানম। হাজী মহসিনের পূর্ব পুরুষরা অত্যন্ত ধনী ছিলেন। তারা আগে পারস্য দেশের অধিবাসী ছিলেন। হাজি মুহাম্মদ মহসীনের পিতা হাজী ফয়জুল্লাহ এক জমিদারের বিধবা স্ত্রীকে বিয়ে করেন। সেই জমিদারের নাম ছিল আগা মোতাহার। আগা মোতাহার ১৭২৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার সংসার অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। তা ছাড়া তার কোনো পুত্র সন্তানও ছিল না। একমাত্র নাবালিকা কন্যা মন্নুজানকে রেখে তিনি চির বিদায় নেন। এই সময় তাদের পরিবার ও ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনার জন্য একজন বিশ্বস্ত অভিভাবকের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই এই দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মুরাই থেকে ফয়জুল্লাহকে আনা হয়। তিনি এসে সমস্ত ভার নিলেন। আর এই পরিবারের বিষয় সম্পত্তির মালিক হলেন মন্নুজান।

এক সময় জমিদারের বিধবা স্ত্রীর জয়নব খানমের সাথে ফয়জুল্লার বিয়ে হয়। আর তাদের কোল আলোকিত করেই জন্ম নেয় হাজী মোহাম্মদ মহসিন। তখন মন্নুজানের বয়স মাত্র বার বছর। মন্নুজান ও মহসিন সৎ ভাই বোন হলেও মন্নুজান মহসিনকে আপন ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। মহসিন দিন দিন বড় হতে লাগলেন। একসময় তাকে তৎকালীন নাম করা পণ্ডিত সিরাজী সাহেবের কাছে পড়াশোনা করার জন্য পাঠানো হলো। অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরবী, ফারসি শিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি গিয়ে ভর্তি হন মুর্শিদাবাদের এক মাদরাসায়। অল্প দিনের মধ্যে মহসীনের মনের গভীরতার পরিচয় পেয়ে মাদ্রাসার ওস্তাদগণ অবাক বনে গেলেন।

কিপ রিডিং…

গো টু টপ