Daily archive

February 26, 2017

লাইফস্টাইল অ্যাপ ফানডেলের যাত্রা শুরু

অথোর- টপিক- গেমস-অ্যাপস

জীবনকে সহজ করতে বাংলাদেশে চালু করা হলো ‘ফানডেল’ (fundle) নামে একটি লাইফস্টাইলভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য উন্মুক্ত করা ওই অ্যাপে জীবনযাপনভিত্তিক বিভিন্ন মজার ফিচার থাকবে। বিভিন্ন পণ্যের ওপর মূল্যছাড় অফারও থাকবে। এই অ্যাপটি ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীরা পয়েন্ট পাবেন এবং ওই পয়েন্টের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা উপভোগ করা যাবে। অ্যাপটি ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। প্লে স্টোর থেকে এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

কিপ রিডিং…

আবার রমরমা এমএলএম ব্যবসা

অথোর- টপিক- করাপশন/হাইলাইটস

সাঈদুর রহমান রিমন : গ্রাহকদের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারক মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) প্রতিষ্ঠান ‘আইসিএল গ্রুপ’ও অবশেষে উধাও হয়ে গেল। পুরানা পল্টনের দেওয়ান কমপ্লেক্সে আইডিয়েল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা সব গা ঢাকা দিয়েছেন। বিজয়নগরের টেপা কমপ্লেক্সে আইসিএল গ্রুপের অফিসে ঝুলছে তালা। অন্যান্য স্থানের ৩৪টি শাখা কার্যালয়ও বন্ধ হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, সংস্থাটির কর্ণধার এম এন এইচ শফিকুর রহমান ও তার সহযোগীরা এরই মধ্যে শক্তিমানদের ছত্রচ্ছায়ায় বহাল তবিয়তেই টিকে রয়েছেন। কিন্তু এর আগেই আইসিএল গ্রুপের অধিকাংশ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাচারে সক্ষম হন তারা। প্রতারক চক্রটির মূল হোতারা সেখানেই গড়ে তুলেছেন নিজেদের সেকেন্ড হোম।

শুধু আইসিএল নয়, গত কয়েক মাসে একইভাবে গ্রাহকদের শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রায় দুই ডজন ‘এমএলএম প্রতারক’ কোম্পানি গা ঢাকা দেয়। তারা হুন্ডির মাধ্যমে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকা পাচার করে সপরিবারে নিজেরাও পাড়ি জমিয়েছে বিদেশে। হাজার হাজার অসহায় মানুষকে নিঃস্ব করে লুটে নেওয়া টাকায় প্রতারকরা গড়ে তুলেছেন নিরাপদ আবাস, অভিজাত জীবন। আরও অর্ধশতাধিক এমএলএম প্রতারক টাকা পাচার ও দেশত্যাগের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থার তৈরি ‘দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা’র তালিকা বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়েও প্রতারকদের বিদেশ পালানো বন্ধ করা যাচ্ছে না। থামানো যাচ্ছে না এমএলএম নামের ভুঁইফোড় হায় হায় কোম্পানিগুলোর প্রতারণা-জালিয়াতি।

ইউনিপেটুইউ, ডেসটিনি-২০০০, ইউনিগেটটুইউসহ শতাধিক এমএলএম কোম্পানির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়ও আইসিএল থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা বাধা-নিষেধের মধ্যেই আইসিএল ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা আমানত সংগ্রহে সক্ষম হয়। প্রতারণা প্রতিষ্ঠান আইসিএলের মাত্র ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ দৃশ্যমান থাকলেও বাকি সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার হদিস পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। ঢাকা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আইসিএলের জমি ও সম্পদের বেশির ভাগই গোপনে বিক্রি করে টাকা পাচার করা হয়েছে মালয়েশিয়ায়। রাজধানীর বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, কুমিল্লার মিঞাবাজার, ধনিজকরা, চৌদ্দগ্রামসহ অন্যান্য স্থানে থাকা আইসিএলের বাকি সম্পদও বিক্রির পাঁয়তারা চলছে। এভাবেই সাধারণ মানুষের কষ্টে জমানো আমানত লুটে নিয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারকরা রাতারাতি উধাও হয়ে যাচ্ছে। প্রতারক চক্র অবাধে কোটি কোটি টাকা লুটে নেওয়ার পরই কেবল হইচই হয়, চলে নানা ভঙ্গিমায় তদন্ত। একপর্যায়ে সবকিছুই চাপা পড়ে যায়। কিন্তু প্রভাবশালী এসব লুটেরা প্রতারক বরাবরই থেকে যায় বহাল তবিয়তে। শুধু থামে না সর্বস্ব হারানো লোকজনের হাহাকার, কষ্টকান্না।


অতিসম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও এমএলএম প্রতারণার ব্যাপারে জরুরিভাবে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত, সুপারিশ, বিশেষ নির্দেশনা কোনো কিছুই কার্যকর হচ্ছে না। ফলে বন্ধ হচ্ছে না এমএলএম প্রতারণা, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা লুটে নেওয়ার বাণিজ্য।


কিপ রিডিং…

বিষ্ণুপ্রিয়া : একটি প্রেমবতী ভাষার আখ্যান

অথোর- টপিক- অপিনিয়ন/লিড স্টোরি

আরেকটি বিষয় স্পষ্ট হলো— বিষ্ণুপ্রিয়া আদতে ছিলো বিষ্ণুপুরীয়া । অর্থাৎ ভারতের মণিপুর রাজ্যের বিষ্ণুপুর থেকে উদ্ভূৎ শব্দটি; যেখানে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যায় প্রবল ছিলো । বিষ্ণুপ্রিয়ার সুদেষ্ণা সিংহকে দুনিয়ার পয়লা আদিবাসী ভাষাশহিদ বলা হয় । ১৬ মার্চকে বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষার ‘মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।


বিষ্ণুপ্রিয়া— কী চমৎকার একটি ভাষার নাম । বুকে আগলে রাখা প্রেয়সীর মতো সুন্দর । লেখার শুরুতে আপনাদের আরও চমৎকার দুটি তথ্য দিচ্ছি—

এক. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা মণিপুরি সম্প্রদায়ের মানুষ । তার মাতৃভাষা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি । [1] দুই. পৃথিবীর ইতিহাসে কেবল দুটি ভাষার জন্যে মানুষকে লড়াই করতে হয়েছে রক্ত দিয়ে— বাংলা ও বিষ্ণুপ্রিয়া । এ ছাড়া তামিল ও কন্নাড়া ভাষাসহ আরও কয়েকটি ভাষার জন্যে লড়াই করতে হয়েছে মানুষকে । কিন্তু রক্ত দেয়ার কৃতিত্ব কেবল এ দুটিরই । বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরিদের তাদের মাতৃভাষার স্বীকৃতির জন্য যে কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে, সে-সংগ্রাম বাংলাভাষা আন্দোলনের চেয়েও দীর্ঘতর । আমরা সে-আলোচনায় একটু পরে আসবো । কিপ রিডিং…

গো টু টপ