Monthly archive

March 2017

শিল্প-সাহিত্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ

অথোর- টপিক- লিটারেচার/লিড স্টোরি

আমাদের জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধ এক আলোকিত অধ্যায়। আমাদের চেতনাজুড়ে ছড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ আর ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এদেশের স্বাধীনতা। আমাদের শিল্প-সাহিত্য চর্চাকেও স্বাভাবিকভাবে প্রভাবিত করেছে মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বাংলা সাহিত্যে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস আর নাটক লেখার পালা। গত ৪৫ বছরে আমরা তাই পেয়েছি অসংখ্য মননশীল সাহিত্যকর্ম।

উপন্যাস দিয়েই শুরু করা যাক। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে নানা যৌক্তিক কারণে বদলেছে আমাদের উপন্যাসের প্রেক্ষাপট, পটভূমি। সেইসঙ্গে বদলেছে চরিত্রের চিত্রায়ণের দৃশ্যপট। বলা যায়, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে আমাদের ঔপন্যাসিকরা সন্ধান করেছেন এক নতুন শিল্পরীতির। যে রীতিতে তাঁরা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতের পাশাপাশি জনমানুষের আকাক্সক্ষার চিত্র তুলে ধরেছেন পাঠক সমীপে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোতে আমরা শুধু গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নিরস্ত্র মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, অবরুদ্ধ মানুষের যন্ত্রণাদগ্ধ যাপিত জীবন, বন্দি শিবিরে অবর্ণনীয় নিপীড়ন, নারী ধর্ষণের বর্ণনাই পাই না। বরং মানুষের নতুনভাবে জেগে ওঠার বীজমন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতান্ত্রিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার বাস্তব চিত্রের সার্থক প্রতিফলনও দেখতে পাই। আমাদের উপন্যাসে এ ধারার উল্লেখযোগ্য সংযোজন হচ্ছে আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’, আমজাদ হোসেনের ‘অবেলায় অসময়’, মাহমুদুল হকের ‘জীবন আমার বোন’, সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের ‘জীবনতরু’, শওকত আলীর ‘অবশেষে প্রপাত’ ও ‘যাত্রা’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’, হাসনাত আবদুল হাইয়ের ‘তিমি’, রিজিয়া রহমানের ‘একটি ফুলের জন্য’, রাহাত খানের ‘ছায়া দম্পতি’, শওকত ওসমানের ‘দুই সৈনিক’, ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ ও ‘নেকড়ে অরণ্য’, রাবেয়া খাতুনের ‘ফেরারি সূর্য’, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলে কোঠার সেপাই’, রশীদ হায়দারের ‘অন্ধকথা মালা’ ও ‘খাচায়’, শামসুর রাহমানের ‘অদ্ভুত আঁধার এক’, আহমদ ছফার ‘ওঙ্কার’, সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, হুমায়ূন আহমেদের ‘দেয়াল’, ইমদাদুল হক মিলনের ‘ঘেরাও’ ও ‘কালো ঘোড়া’, আনিসুল হকের ‘মা’ ইত্যাদি। কিপ রিডিং…

শব্দে শব্দে দীন শেখা : আজান

অথোর- টপিক- বিলিভারস/লিড স্টোরি

পরিভাষায় ‘আজান’ হলো- নির্ধারিত শব্দমালা দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ে নামাজের জন্য আহ্বান জানানো। (আল মুজামুল ওয়াসীত, লিসানুল আরব) আজানের নাম এ জন্য আজান রাখা হয়েছে, যেহেতু মুয়াজ্জিন‎ সাহেব মানুষদেরকে সালাতের সময় জানিয়ে দেন বা ঘোষণা প্রদান করেন।


মাওলানা মিরাজ রহমান : ‘আজান’ আরবী শব্দ। এর অর্থ হলো- ঘোষণা করা, জানানো, শোনানো, নিদের্শ, আহ্বান করা ইত্যাদি। আজানের আভিধানিক অর্থ কোন জিনিস সম্পর্কে ঘোষণা দেওয়া, আল্লাহ তাআলা বলেন, আর আল্লাহ ও তার রাসূলের পক্ষ থেকে আজান। (সূরা তাওবা: আয়াত ৩) অর্থাৎ ঘোষণা। অন্যত্র তিনি আরো বলেন, আর আমি যথাযথভাবে তোমাদেরকে আজান দিয়ে দিয়েছি। (সূরা আম্বিয়া: আয়াত ১০৯) অর্থাৎ জানিয়ে দিয়েছি ফলে জ্ঞানের দিক দিয়ে আমরা সকলে সমান। [আন-নিহায়া  ফি গারিবিল হাদিস: (১/৩৪), মুগনি লি ইব্‌ন কুদামা: (২/৫৩)]

পরিভাষায় ‘আজান’ হলো- নির্ধারিত শব্দমালা দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ে নামাজের জন্য আহ্বান জানানো। (আল মুজামুল ওয়াসীত, লিসানুল আরব) আজানের নাম এ জন্য আজান রাখা হয়েছে, যেহেতু মুয়াজ্জিন‎ সাহেব মানুষদেরকে সালাতের সময় জানিয়ে দেন বা ঘোষণা প্রদান করেন। আজানের আরেক নাম হচ্ছে ‘নিদা’ অর্থাৎ আহ্বান, কারণ মুয়াজ্জিন‎ সাহেব লোকদেরকে ডাকেন ও তাদেরকে সালাতের দিকে আহ্বান করেন।

কিপ রিডিং…

বাংলাদেশের বাজারে অপো সেলফি এক্সপার্ট এফ৩ প্লাস

অথোর- টপিক- প্রডাক্টস টক


বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হলো অপোর নতুন ডুয়েল সেলফি ক্যামেরাসহ সেলফি এক্সপার্ট এফ৩ প্লাস। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এই স্মার্টফোনটি উদ্বোধন করেন অপো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেভি ঈ, বাংলাদেশের ব্র্যান্ড ম্যানেজার ব্রুস লীসহ আরও অনেকে। নতুন এই সেলফি ফোন সম্পর্কে অপো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এটা তাদের সর্ব প্রথম ১২০ ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ডুয়েল সেলফি ক্যামেরা। সম্মুখ ক্যামেরায় ১৬ মেগা পিক্সেল এবং পেছনের ক্যামেরা সনির কাস্টমাইজ করা আইএমএক্স৩৯৮ সেন্সরের ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

হ্যান্ডসেটটির ব্যাটারি ৪০০০ এমএএইচ যা ২৮৪ ঘন্টার বেশি সময় স্ট্যান্ডবাই ব্যবহার করা যাবে। ভিওওসি ফ্ল্যাশ চার্জের মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যাটারির তুলনায় এই ব্যাটারি চার গুন দ্রুত চার্জ হবে এবং ব্যবহারকারী মাত্র পাঁচ মিনিট চার্জ দিয়ে ২ ঘন্টা পর্যন্ত কথা বলতে পারবেন। অপোর এফ৩ প্লাস স্মার্টফোনে দ্রুতগতির একটি অক্টা-কোর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। সেটটিতে রয়েছে ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি রম। তবে মেমরি কার্ড ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বাজারে এটি বিক্রি শুরু হবে আগামী ১ এপ্রিল থেকে। আর আজ ২৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত হ্যান্ডসেটটির প্রি-অর্ডার নেবে প্রতিষ্ঠানটি।


কিপ রিডিং…

রাসূলুল্লাহ সা. ও মুক্তচিন্তা

অথোর- টপিক- অপিনিয়ন/বিলিভারস

বর্তমান বিজ্ঞানোত্তর বিশ্বে সমধিক আদৃত বিষয়সমূহের শীর্ষে সদর্পে অবস্থান করছে যে বিষয়টি, বলা যায় যে তাহলো মুক্তচিন্তা। শিল্পের উৎকর্ষ, সাহিত্যের সৌকর্য, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা, প্রজ্ঞার বিকাশ  ̶  এসবের মৌল গাঠনিক পদার্থ হলো মুক্তচিন্তা। মুক্তচিন্তার অভাব ব্যক্তিকে করে শৃংখলিত, বুদ্ধিকে করে অনুর্বর, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ফেলে রাখে অকর্ষিত বেলাভূমে। মহানবী সা. পার্থিব ও ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে গোটা মানব ইতিহাসে সফলতার সর্বোচ্চ চূড়া স্পর্শকারী ব্যক্তি ছিলেন। মাইকেল এইচ হার্ট তার ‘দ্য হানড্রেড’ গ্রন্থের প্রথম ও শীর্ষ ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ সা. সম্পর্কে এভাবেই মূল্যায়ণ করেছেন এবং বলেছেন, ‘He was the only man in history who was supremely successful on both religious and secular levels.’ (The Hundred:3)

ইতিহাসের সার্থকতম ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ তাআলা চয়ন করেছেন বৈশ্ব্যিক দূত হিসেবে, তিনি মুক্তচিন্তার জ্যোতি-লাবণ্য ছড়িয়ে যাবেন আমৃত্য, শৃঙ্খলিত বুদ্ধির স্বাধীনতায় পক্ষে সংগ্রাম করে যাবেন জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, এটাই ছিল স্বাভাবিক। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে মহানবী সা. কীভাবে মুক্তচিন্তা চর্চা করেছেন, মুক্তচিন্তার পক্ষে সংগ্রাম করেছেন, মুক্তচিন্তাকে আশ্রয় দিয়েছেন, আদর করেছেন তা যৌক্তিক আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

মুক্তচিন্তা (Free Thought) একটি আধুনিক পরিভাষা। এর মৌল সুর হলো, ‘জ্ঞান ও যুক্তির অনুপস্থিতিতে দাবিকৃত কোন মতকেই সত্য হিসেবে গ্রহণ বা বর্জনা না করা।’ এই সুরকে বিবেচনায় রেখে অগ্রসর হলে দেখা যাবে, মহানবী সা. হলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি মুক্তচিন্তার প্রথম রাজপথ নির্মান করেছেন খোদ আল্লাহ তাআলার তত্তাবধানে। এর অন্যতম উদাহরণ, তাদানিন্তন পৃথিবীতে কর্তৃত্বরত সকল চিন্তা-জীবনধারা অশৈশব বর্জন করে অনুসন্ধান করেছেন তিনি নিটোল-অটুট সত্যের- (সূরা আদ্-দুহা)। আরব উপদ্বীপে হাজার বছরের লালিত-আদৃত পৌত্তলিকতার বিপক্ষে চলেছেন তিনি শিশুকাল থেকেই। তাইতো কখনো তাকে দেখা যায়নি কোনো প্রতিমার কাছে প্রার্থনা করতে, এমনকী প্রতিমার নামে জবাইকৃত কোনো পশুর মাংস খেতে, (বুখারী, কিতাবুয যাবাইহ ও ওয়াস্ সাইদ) । কিপ রিডিং…

পতাকার সাতকাহন

অথোর- টপিক- ফিচার/লিড স্টোরি

২৩ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস। বিশেষ এই দিবস উপলক্ষে আমাদের বিশেষ আয়োজন- পতাকার সাতকাহন। লিখেছেন মনযূরুল হক


শুরুতেই একটা গল্প বলি। একটি দেশের গল্প। অনেক অ-নে-ক দিন আগের কথা। প্রায় সত্তর বছর! চমৎকার একটা দেশ। সুন্দর একটি পতাকা আছে তার। সেই পতাকার জমিন সাজাতে আকাশ থেকে ছিনিয়ে আনা হল একফালি চাঁদ। তারপর…কেটে গেলো বহুদিন। কিন্তু কোথায় যেনো একটু অপূর্ণতার আড়ালে মলিন হয়ে থাকে চাঁদের পৃথিবী। কিছুতেই যেনো তাল মিলছে না। দেশের শিল্পী-আঁকিয়েরা ভেবে বললেন, একটা তারকার অভাবেই চাঁদকে বেমানান লাগে। রাজা শুনলেন এবং বুঝলেন। হুকুম দিলেন চাঁদের কোলে একটি শুভ্র তারকা বসিয়ে পতাকার জমিন যথার্থ সুন্দর করা হোক। হ্যাঁ, তাই হয়েছে। আর এর ফলেই সেদেশের পতাকা হয়েছে, সুন্দর। ভয়াবহ সুন্দর।

এই সুন্দর পতাকার অধিকারীরা একবার এক কা- করে বসল। কেউ জানে না, সবাই গভীর ঘুমে মগ্ন। এমন সময় নিজেদেরই পূর্বদিকের একটি ভূখণ্ডের ওপর বড়ই নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। সুন্দরের ভেলকিতে চেতনাহীন মানুষ জেগে উঠতে উঠতেই নির্বিচারে হত্যা করতে থাকে তাদেরকে অভিনব কৌশলে। সঙ্গে সমান তালে চলতে থাকে মানবীদের অঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইজ্জতের লুণ্ঠন। কেন? এর উত্তর পেতে সময় লেগেছে দীর্ঘ নয়টি মাস। হয়তো তারা ভেবেছিলো, তারা পশ্চিমের আর তাদের পতাকা সুন্দর বলে সবকিছুকেই সুন্দর মেনে নেবে সবাই। তাদের শোষণ, তাদের অধিকার হরণ, তাদের ভাষা, তাদের জাতীয়তা- সব।

এই অনধিকার বলপ্রয়োগ, এই অমানবিক সৌন্দর্যবোধের বিরুদ্ধে বেঁকে বসেছিলো তাদেরই অপর অংশ, পূর্বভূখণ্ড; চাঁদ-তারা খচিত সুন্দর পতাকায় যাদেরও অংশ ছিলো। তাই নিদারুণ মাশুল গুণতে হয় ‘অসুন্দর’ বলে দমিয়ে রাখা এই ভূখ-ের মানুষকে।

তারপর, কী হয়! তা বোধ হয় আর না বললেও চলে। অবিকল্পিত যুদ্ধ। সেই নয় মাস। যদিও সে দীর্ঘ সময়ে কেবল অন্ধকার ছেয়ে থাকা রাতই এসেছিলো। আর রাতগুলোতে অনেকবার চাঁদও উঠেছে আকাশে। তারাও ছড়িয়েছে জোছনা। তবু নয়মাস পর দেখা গেলো সে দেশের গল্পের যবনিকা হয়ে গেছে। শুরু হয়েছে অন্য এক দেশের গল্পকথা।

কেননা, রাতের দীর্ঘপথ পেরিয়ে সূর্যের উদয় হয়েছে ততদিনে। প্রভাতের রক্তরাঙা সূর্য। সেই নতুন দেশের জন্যও একটি পতাকার প্রয়োজন ছিলো। তবে না, সেই দেশের পতাকাটি আকাশ থেকে কেড়ে আনা তারায় সাজানো হয় নি। বাঁকা চাঁদ বসিয়ে সৌন্দর্য বাড়ানোর চেষ্টাও করা হয়নি। সেই দেশের পতাকা তৈরি হল সবুজ ঘাসের মধ্যে রক্তলাল একটি বড় বৃত্ত দিয়ে। এই বৃত্তটা কেন? এটা হলো নয়মাস ধরে ক্ষরিত রক্তের রঙ এবং পূবাকাশের সূর্য। কেন পূবাকাশের সূর্য? কারণ, পশ্চিম দেশের লোকেরা যদি পশ্চিমাকাশের প্রথম উদিত হওয়া ক্ষীণ চাঁদ কেড়ে নিয়ে ওদের পতাকায় বসিয়ে দিতে পারে, তবে তারা কেন পূব দেশের মানুষ হয়ে ভোরের উদীয়মান পূবাকাশের সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে পারবে না? হ্যাঁ, পেরেছে তারা। তারা মানে কিন্তু আমরা। আমরা মানে কিন্তু বাংলাদেশিরা। মানে যারা পশ্চিম পাকিস্তানের চাঁদ-তারার বিরুদ্ধে লড়াই করে লাল-সবুজের পতাকার স্বত্ব পেয়েছি, তারা। তাইতো আজ আমাদের পতাকা আরো সুন্দর। আরো মর্মস্পর্শী। চাঁদের চেয়ে অনেক বেশি আলোময়। পতাকার যেহেতু এত হেতু, তাহলে আজ পতাকা নিয়েই কথা হোক।
কিপ রিডিং…

দোআ কবুলের ৫টি সোনালী সময়!

অথোর- টপিক- বিলিভারস/লিড স্টোরি

তখন পেশাদার ব্যভিচারীনী এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজী করা লোক ব্যতিত কোনো মুসলিমের দোআ ব্যর্থ হয় না।


শায়খ আহমাদুল্লাহ | কে না চায় আল্লাহ মহানের কাছে তার দোআটি কবুল হোক? একজন মুমিন মুসলিমের জীবনের মহান প্রভুর দরবারে দোআ-প্রার্থনা এবং আকুতি-রোনাজারি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কতভাবেই কত সময়ই তো আমরা মহান প্রভুকে ডাকি কিন্তু আমরা কি জানি যে ঠিক কখন কখন একজন মুমিনের কোনো দোআ, কোনো প্রার্থনাই ফিরানো হয়না? আসুন জেনে নেই অমূল্য সোনালী সেই সময়গুলো।

এক. জোহরের পূর্বমুহূর্তে : রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিশ্চই আসমানের দুয়ারসমূহ খুলে দেওয়া হয় সূর্য মধ্যাকাশ থেকে পশ্চিমাকাশের দিকে হেলে পড়ার সময়। এরপর জোহরের সালাত পর্যন্ত তা আর বন্ধ হয় না। আমি চাই সেই সময়ে আমার কোন ভালো কাজ ওপরে উঠুক। (সহীহুল জামি, ১৫৩২) কিপ রিডিং…

সাইবার নিরাপত্তায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেবে ক্র্যাফ

অথোর- টপিক- টেকনিউজ

ক্র্যাফের প্রেসিডেন্ট জেনিফার আলম বলেন, এখন আমরা সব কিছুই করছি ইন্টারনেটকে বেইজ করে। যোগাযোগে ব্যবহার করছি ই-মেইল, ফেসবুক, ভাইবার, মেসেঞ্জার, ইমো, স্কাইপি ইত্যাদি অ্যাপস। কখনো কি ভেবেছি আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ?


অনলাইন জগতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্র্যাফ)। এ ব্যাপারে ক্র্যাফের প্রেসিডেন্ট জেনিফার আলম বলেন, এখন আমরা সব কিছুই করছি ইন্টারনেটকে বেইজ করে। যোগাযোগে ব্যবহার করছি ই-মেইল, ফেসবুক, ভাইবার, মেসেঞ্জার, ইমো, স্কাইপি ইত্যাদি অ্যাপস। কখনো কি ভেবেছি আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ? যেখানে সেলেব্রেটি, ব্যাংক প্রত্যেকে আজ কমবেশি সাইবার স্পেসে হচ্ছে হ্যাকিংয়ের শিকার। সেখানে আমরা আজ কতটা নিরাপদ? যতই ব্যবহার করুন সিক্রেট ওয়েস, আপনি কি নিশ্চিত আপনার তথ্য সুরক্ষিত? সাইবার স্পেসে আপনাদের নিরাপত্তাকে সুসংহত করতে, আপনাকে হাতে কলমে শিখাতে ক্র্যাফ আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী (প্রতিদিন ২ ঘণ্টা) কোর্সের।
কিপ রিডিং…

ফেসবুক প্রোফাইল থেকে অবিলম্বে ডিলিট করুন ৪টি তথ্য

অথোর- টপিক- ইন্টারনেট


প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই খবর কি ফেসবুকে পড়ছেন? যদি তা হয়, তাহলে তো কথাই নেই। আর যদি তা না হয়, তাহলে অবিলম্বে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল খুলুন, আর ডিলিট করে দিন চারটি বিশেষ তথ্য। না হলে সমূহ বিপদের সম্ভাবনা।

যতই প্রাইভেসি ফিল্টার ব্যবহার কাজে লাগাক ফেসবুক, আদপে হ্যাকারদের পরাস্ত করা অত সহজ নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই সমস্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা শুধু যে আপনার প্রোফাইল হ্যাক করতে পারে তা-ই নয়, আপনার আইডেন্টিটি জাল করে তারা গড়ে তুলতে পারে আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটিও।


সুরক্ষিত থাকার জন্য অবিলম্বে ডিলিট করুন এই চারটি তথ্য—১. জন্মদিন। ২. নিজের চেক ইন। ৩. নিজের ঠিকানা। ৪. আপনার কর্মক্ষেত্র।


কিপ রিডিং…

অস্বাভাবিক পাঁচটি বিশ্বরেকর্ড!

অথোর- টপিক- ফিচার/হাইলাইটস

কিছু কিছু রেকর্ড থেকেই যায় যা আমাদের ক্ষণে ক্ষণে বিস্মিত করে তোলে।


আহমেদ ইশতিয়াক বিধান : আমাদের এই পৃথিবী বড়ই বিচিত্রময়। তার চেয়েও বিচিত্রময় এর মানুষেরা। এ বৈচিত্র্যতার জন্য সর্বদাই এ বিশ্বে নতুন নতুন রেকর্ডের সৃষ্টি হয়ে চলেছে। তাই বিশ্ব রেকর্ডের পরিমাণ এ বিশ্বে নেহায়েত কম নয়। সবগুলো রেকর্ডই নিজের নিজের জায়গায় অনন্য। কিন্তু তার মাঝেও কিছু কিছু রেকর্ড থেকেই যায় যা আমাদের ক্ষণে ক্ষণে বিস্মিত করে তোলে। আজ এমনই কয়েকটি বিশ্ব রেকর্ডের গল্প নিয়ে এসেছি আপনাদের সামনে। তো চলুন শুরু করা যাক।

১. হাতবিহীন তীরন্দাজের তীর ছোঁড়ায় বিশ্ব রেকর্ড : ম্যাট স্টাটজম্যান একজন আমেরিকান তীরন্দাজ। জন্ম থেকেই তার দুটি হাত ছিলো না। হাত নেই কিন্তু তীরন্দাজ হবেন সেটা কি কল্পনা করা যায়? কিন্তু স্টাটজম্যান নিজের এই অক্ষমতাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন। তিনি শুধু তার কাঁধ আর পা ব্যবহার করেই এক বিশেষ পদ্ধতিতে তীর ছোঁড়েন। নিয়মিত চেষ্টার ফলে ২০১২ সালের প্যারা অলিম্পিকে সিলভার মেডেলও জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি করতে চেয়েছিলেন বিশ্ব রেকর্ড।

ম্যাট স্টাটজম্যান একজন আমেরিকান তীরন্দাজ। জন্ম থেকেই তার দুটি হাত ছিলো না। হাত নেই কিন্তু তীরন্দাজ হবেন সেটা কি কল্পনা করা যায়? কিন্তু স্টাটজম্যান নিজের এই অক্ষমতাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন। তিনি শুধু তার কাঁধ আর পা ব্যবহার করেই এক বিশেষ পদ্ধতিতে তীর ছোঁড়েন। নিয়মিত চেষ্টার ফলে ২০১২ সালের প্যারা অলিম্পিকে সিলভার মেডেলও জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি করতে চেয়েছিলেন বিশ্ব রেকর্ড।
কিপ রিডিং…

ঐতিহাসিক টেস্টে স্মরণীয় জয়

অথোর- টপিক- স্পোর্টস

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক শততম টেস্ট জয় দিয়ে স্বরণীয় করে রাখলেন বাংলার টাইগাররা। শ্রীলঙ্কাকে কলম্বো টেস্টে ৪ উইকেটে হারালো বাংলাদেশ দল। ক্রিকেট ইতিহাসে চতুর্থ দল হিসেবে নিজেদের শততম টেস্ট জিতলো বাংলাদেশ। এক আগে মাইলফলক স্পর্শ করা এ ম্যাচ জেতে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান।


১০০ টেস্টে এটি বাংলাদেশের নবম জয়। এর আগে সর্বশেষ তারা গত বছরের শেষ দিকে ঢাকার মাঠে ইংল্যান্ডকে হারায়।


বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর দেড় যুগে অনেকবারই শ্রীলঙ্কা সফরে গেছে, শ্রীলঙ্কাও এসেছে বাংলাদেশে। তবে টেস্টে কখনই লঙ্কানদের হারাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। অবশেষে শততম টেস্টেই এলো লঙ্কা বধের উপলক্ষটা। কিপ রিডিং…

গো টু টপ