Daily archive

March 10, 2017

শব্দে শব্দে দীন শেখা : আকিকা

অথোর- টপিক- বিলিভারস/লিড স্টোরি

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো ইরশাদ করেন, যার সন্তান ভূমিষ্ট হয় সে যদি শিশুটির পক্ষ থেকে আকীকা করা পছন্দ করে তাহলে যেন তাই করে। (সুনানে নাসায়ী ২/১৬৭)


মাওলানা মিরাজ রহমান : ইসলামের পরিভাষায় সন্তান জন্মগ্রহণের পর আল্লাহর শুকরিয়া ও আনন্দের বহির্প্রকাশ হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে পশু জবাই করা হয়, তাকে আকিকা বলা হয়। আকীকা শব্দটি আরবী। শব্দটি আককুন হতে নির্গত। আভিধানিক অর্থ দীর্ণ করা, ফাঁক করা, খণ্ডিত করা, আলাদা করা। কারো কারো মতে, এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে বিদ্যুতের ঝলক।

সন্তান জন্মগ্রহণের শুকরিয়াস্বরূপ যে পশু যবাই করা হয় তাকে আকীকা বলে। পরিভাষায় আকিকা বলা হয় নবজাতকের মাথায় গজানো প্রথম চুলগুলোকে। সপ্তম দিনে যেহেতু এগুলো মুণ্ডিয়ে মাথা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় এ জন্য এ চুলগুলোকে আকিকা নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে মাথা মুণ্ডানোর সময় যে বকরি জবাই করা হয় সেটাকেও আকিকা বলা হয়। (মাযাহেরে হক)

আকিকা ফরজ বা ওয়াজিব নয়; বরং সুন্নত। মোস্তাহাব হলো জন্মের সপ্তম তারিখে আকিকা দিবে। ১৪তম অথবা ২১তম তারিখেও আকিকা করলে সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। আবার সপ্তম তারিখের পূর্বে আকিকা করলে দুরস্ত হবে না। উত্তম হলো সন্তানের জন্মদিবসের আগের দিন আকিকা দেওয়া। যেমন শুক্রবার জন্মদিবস হলে আকিকা হবে যে কোনো বৃহস্পতিবার । (ফাতওয়ায়ে শামী) বার্ধক্য বয়সে আকিকা জায়েজ আছে বটে; কিন্তু তা সুন্নত হিসেবে গৃহীত হবে না। (কিফায়াতুল মুফতি)

কারো আকীকা করা না হলে বড় হয়ে নিজের আকীকা নিজেও করতে পারবে। হজরত আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়ত প্রাপ্তির পর নিজের আকীকা নিজে করেছেন। (প্রাগুক্ত ১/৫২৯; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস : ৬২০৩; আলমুফাসসাল ফী আহকামিল আকীকা, ড. হুসামুদ্দীন ইবনে মূসা, জামেয়াতুল  কূদস, পৃ. ১৪২) কিপ রিডিং…

গো টু টপ