Daily archive

April 20, 2017

জুলাই থেকে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে পেপ্যাল সার্ভিস

অথোর- টপিক- টেকনিউজ

জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে দেশে উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বজুড়ে অনলাইনে অর্থ লেনদেনের জনপ্রিয় মাধ্যম পেপ্যাল। লেনদেন চালু করতে এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংক ও পেপ্যাল চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করেছে। বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। বিদেশে অর্জিত অর্থ দেশে আনতে দীর্ঘ দিন ধরেই পেপ্যাল সার্ভিস চালুর দাবি করে আসছে ফ্রিলান্সাররা। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০শে মার্চ সোনালী ব্যাংককে পেপ্যালের সঙ্গে চুক্তির অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এরপর সেবাটি চালু করতে গত দু বছর ধরেই কাজ করছে সোনালী ব্যাংক ও পেপ্যাল। ওই সময় ওয়েবসাইটসহ অনলাইন অর্থ লেনদেনের প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল। অন্যদিকে প্রযুক্তি দুনিয়ার আঁতুড় ঘর বলে খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ঘুরে এসে বাংলাদেশের প্রযুক্তিখাতে নতুন নতুন সম্ভাবনা আসছে বলেও জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। কিপ রিডিং…

ইসলামী নন-লাইফ বীমার উৎস, উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

অথোর- টপিক- অপিনিয়ন/ব্যাংক-ইনস্যুরেন্স

একিউএম ছফিউল্লাহ আরিফ : বীমার পরিচয়- মানুষের জীবন যাত্রার প্রতিটি পর্যায়ে বিপর্যয়জনিত অনিশ্চয়তা প্রতিকূল প্রভাব বিস্তার করে। অনাকাক্সিক্ষত এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার ফলে সম্পদ ও সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝুঁকি থেকে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা এবং অনিশ্চয়তা থেকে সৃষ্ট ক্ষয় ক্ষতি পূরণ করার চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা বীমা নামে পরিচিত। বীমাকে বহু ব্যক্তির মধ্যে ক্ষতি বণ্টনের সমবায় পন্থা হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। বীমা হলো মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকির বিপক্ষে এক ধরনের আর্র্থিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। বীমা হলো ঝুঁকি বণ্টনের একটি সহায়কমূলক ব্যবস্থা। বীমা হলো ভবিষ্যতে ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে আগাম ব্যবস্থা।

বীমা হলো দু’ই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক বা একাধিক পক্ষ বীমাকারীর নিকট নির্দিষ্ট অংকের প্রিমিয়াম বা নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদার বিনিময়ে সম্পূর্ণ বা আংশিক ঝুঁকির ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয় এবং বীমাচুক্তিপত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট কারণে বীমাগ্রহীতা ক্ষতিগ্রস্থ হলে বীমাকারী চুক্তির শর্তানুযায়ী বীমাগ্রহীতা বা তাঁর প্রতিনিধিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ বা অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয়।

Prof. Mark R. Greene এর মতে Insurance is an economic institution that reduces risk both to society and to individuals by combining under one management a large group of objects so situated that the aggregate losses to which society is subject become predictable within narrow limits অর্থাৎ “বীমা হলো এমন একটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান যা একটি মাত্র ব্যবস্থাপনার অধীনে বহুসংখ্যক উদ্দেশ্যকে এমনভাবে সমন্বিত করে যাতে করে সমাজ যেসব ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে সেসবকে সীমিত পরিসরে অনুমানপূর্বক সমাজ ও ব্যক্তি উভয়েরই ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।”

Prof. M. N. Mishra বীমার কার্যভিত্তিক সংজ্ঞায় বলেন, Insurance is a co-operative form of distributing a certain risk over a group of persons, who are exposed to it অর্থাৎ “বীমা হচ্ছে এমন এক সমবায়ভিত্তিক যৌথ লোকসান বণ্টন ব্যবস্থা, যেখানে নির্দিষ্ট ঝুঁকিজনিত ক্ষয় ক্ষতি একাধিক সম্পৃক্ত ব্যাক্তির মধ্যে বণ্টন হয় এবং যাঁরা উক্ত ঝুঁকির বিরুদ্ধে নিজেদের বীমাবন্দি করতে সম্মত থাকে।”

প্রখ্যাত বীমা বিশারদ মি. পোর্টার বলেন, Human life is sorunded with lots of danger, creating preventive measure against these dangers is insurance. অর্থাৎ “মানুষের জীবন ও তাঁর কার্যাবলী বিভিন্ন প্রকার বিপদাপদে বেষ্টিত। এসব অজানা বিপদাপদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ব্যবস্থাই হলো বীমা।” সুতরাং একজনের ক্ষতি ভাগাভাগি করে নেয়ার ধারণা থেকে বীমা ব্যবস্থার উদ্ভব। কিপ রিডিং…

গো টু টপ