Daily archive

January 14, 2018

আধুনিক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৫ জন অমুসলিম মনীষীর দৃষ্টিতে পবিত্র কুরআন

অথোর- টপিক- বিলিভারস

পবিত্র কুরআন— আল্লাহ মহান প্রেরিত সর্বশেষ আসমানী কিতাব। মানবজাতির কল্যাণকর সংবিধান। পবিত্র কুরআন নিয়ে বগু গবেষণা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। কুরআন শুধু মুসলিম জাতির পিথনিদের্শনার গ্রন্থ নয়। পবিত্র কুরআ গোটা মানবজাতির জন্য কল্যাণকর সংবিধান। পবিত্র কুরআন সম্পর্কে নানা সময়ে মুসলিম-অমুসলিম মনীষীগণ বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। পবিত্র কুরআন সম্পর্কে আধুনিক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৫ জন অমুসলিম মনীষীর মন্তব্য নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন— আধুনিক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৫ জন অমুসলিম মনীষীর দৃষ্টিতে পবিত্র কুরআন। লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা

১. এ. জে. আরবেরী (A. J. Arberry) : এ. জে. আরবেরী তার ‘Holy Quran’ (London, ১৯৫৮) পুস্তকে লিখেছেন— আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিঃসন্দেহ যে, কুরআন হল একটি অলৌকিক ঐশ্বরিক সৃষ্টি।

২. ডাব্লিউ মন্টোগোমারী ওয়াট (W. Montgomery Watt) : কুরআন আলৌকিক বাণী। ইহা মুহাম্মদ (সা)-এর কথা হতে পারে না। (Life of Muhanumad at Meeca, by Mr W. Montogomery Watt, P-52, 53, 57)

৩. প্রফেসর ডা. লাওয়েন ভ্যাজিলীয়ারী (Prof. Dr. Lawen Vagilieri) : ইটালীর প্রফেসর ডা. লাওয়েন ভ্যাজিলীয়ারী ইসলাম সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বই লিখেছেন। বইটি ১৯৫৮ ইং সনে পাকিস্তান হতে ইংরেজীতে অনুদিত হয়ে প্রকাশিত হয়। এই বইতে তিনি লিখেছেন— কুরআন মুহাম্মদ (সা)-এর মনগড়া কোন কথা নয়। এটি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি নাজিল করা প্রত্যাদেশ।

৪. উইলিয়াম এস. হাস (William S. Haas) : উইলিয়াম এস. হাস তাঁর ‘ইরান’ (New York, ১৯৪৬) পুস্তকের ১৫৮ ও ১৫৯ পৃষ্ঠায় লিখেছেন— কুরআন শুধুমাত্র পরলৌকিক নাজাতের পথই নয়, বরং এটি একটি আইন সংহিতা। কুরআন সকল সামাজিক, রাজনৈতিক, এমনকি আন্তর্জাতিক সমস্যা সমূহের সমাধানে পথ নির্দেশ প্রদান করে।

৫. টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রূণতত্ত্বের প্রফেসর ডা. কিথ মুর : ডা. মুরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘ভ্রূণতত্ত্ব সম্পর্কিত কুরআনের বাণীকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?’ তাঁর জবাব ছিল— এটা একমাত্র ঐশ্বরিকভাবেই নাজিল হতে পারে। এ সব মানুষের জানার সাধ্যের বাইরে।   কিপ রিডিং…

গো টু টপ