Tag archive

অন গ্যালারি

  • w-01.jpg
  • w-02.jpg
  • w-03.jpg
  • w-04.jpg
  • w-05.jpg
  • w-06.jpg
  • w-07.jpg
  • w-08.jpg
  • w-09.jpg
  • w-10.jpg
  • w-11.jpg

শীতকালীন প্রকৃতির ১১টি সেরা ছবি

শীত বাংলা সনের পঞ্চম ঋতু। পৌষ ও মাঘ মাস এই দুই মাস মিলে শীতকাল। শীত মানেই হিমহিম কনকনে ঠাণ্ডার অনুভূতি। কথায় বলে—’মাঘের শীতে বাঘ কাঁপে’। শুধু বাঘ নয়, পৌষ-মাঘে যখন কনকনে শীত পড়ে তখন অনেক মানুষও কাঁপে শীতে— বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের গরিব মানুষেরা। কিন্তু শীত শুধু হাড়ই কাঁপায় না; নানান বৈচিত্র্য আর মজাদার উপহারের ডালি নিয়েও আসে আমাদের জন্য। শীতে বাংলাদেশের গ্রাম-প্রকৃতি সন্ধ্যার আগে থেকেই শিশির আর কুয়াশার চাদর মুড়ি দিতে শুরু করে।

শীতকাল অন্যসব ঋতু থেকে আলাদা গুরুত্ব পেয়ে থাকে। বাংলার রূপ বৈচিত্র্যের অনেকখানি জায়গা জুড়ে শীতের অবস্থান। হেমন্তের সোনালি ডানায় ভর করে হিমেল হাওয়া সাথে নিয়ে কুয়াশার রহস্যময় চাদর জড়িয়ে আসে শীত। শীত বাঙালির প্রিয় ঋতু।

শীত আসে আমাদের প্রকৃতিকে বদল করে দিতে। নতুন করে প্রকৃতিকে সাজিয়ে দেবার পূর্বপ্রস্তুতি হলো শীত। শীতের রিক্ততা পুরনো পাতা ঝরিয়ে দিলেই নতুন পাতা নিয়ে আসে বসন্ত। তারপরই চলে যায় শীত।  শীতকে কেউ ভেবেছেন উৎসব, কেউ-বা মৃত্যু। অনেকে হতাশা ও আশাহীনতার কাল হিসেবে বিবেচনা করেছেন শীতকে। লেখকের লেখার টেবিল পাড়ি দিয়ে শীতকাল প্রভাব বিস্তার করেছে ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরাতেও। শীতকালের শীতল স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য শীতকালীন প্রাকৃতি নানান আঙ্গিকের ছবি তুলেছেন ক্যামেরাপারসনগণ। শীতকালে তোলা বিখ্যাত কিছু ছবি নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন-  শীতকালীন প্রকৃতির ১১টি সেরা ছবি। ব্রেডপান্ডা.কম থেকে তথ্য নিয়ে ফিচারটি তৈরি করেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা

ছবি-০১

কিপ রিডিং…

জেরুজালেম নাকি জেরুসালেম, আল-কুদস তাহলে কি?


সাংবাদিকতা শব্দের ইংলিশ হলো- Journalism এখানে ইংরেজি ‘এস’ থাকলেও উচ্চারণ কিন্তু হচ্ছে- জার্নালিজম। এখানে যেভাবে ‘এস’ বর্ণের উচ্চারণ ‘জ’ দিয়ে হচ্ছে, ঠিক তেমনই জেরুসালেমের ‘এস’ বর্ণটিকে কেউ ‘জ’ এবং কেউ ‘স’ উচ্চারণ করছেন। এতেই মূলত পবিত্র শহরটির নাম কখনও সালেম এবং কখনও জালেম হচ্ছে।


বর্তমানে ফিলিস্তিনের একটি শহরকে ট্রাম্প ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা দিয়েছেন। যা নিয়ে সারা বিশ্বে তোলপাড় হয়েছে এবং হচ্ছে। জাতিসংঘে ভোটে হেরে গেলেও হুমকি দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার চেষ্টা করছেন মিস্টার ট্রাম্প।

কেউ বলেন জেরুজালেম আবার কেউ বলছেন জেরুসালেম। ফিলিস্তিনের উল্লেখিত শহরটির শুদ্ধ নাম আসলে কি? তা নিয়েই আজ আমার আলোচনা। বিস্তারিত ইতিহাসে আজ যবো না, শুধু নামের বিশ্লেষণ থাকবে এ লেখায়।

ফিলিস্তিনের উল্লেখিত শহরটির মূল নাম হচ্ছে- আল কুদস অর্থাৎ পবিত্র। বিভিন্ন কারণেই উক্ত স্থানটি মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের কাছে শহরটি পবিত্র। এজন্যই মূলত যে নামেই ডাকা হচ্ছে বা নাম যেটাই হোক নামের অর্থ কিন্তু স্ব স্ব জাতির মতে পবিত্র। বাস্তবে নামের অর্থ থাক না থাক সেটা বড় ব্যাপার না।

আল কুদস আরবী শব্দ। ফিলিস্তিন যেহেতু আরব দেশ তাই তাদের ভাষা অনুসারে উক্ত শহরটির নামকরণ করা হয়েছে ‘আল কুদস’।

এরপর ইহুদিরা ছলেবলে যখন মাথা গোঁজার ঠাই হিসেবে ফিলিস্তিনিদের কাছে ভূখন্ড নিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করল তখন থেকে আস্তে আস্তে ইহুদিরা ফিলিস্তিন দখলের ছক আঁকতে শুরু করেছে। সে ছক বাস্তবায়নের জন্য নানান বর্বরতা চালাচ্ছে প্রতিদিনই ফিলিস্তিনিদের উপর। নাম পরিবর্তনও সেই চক্রান্তের অংশ।

ইসরাইল যখন ‘আল কুদস’ দখল করেছে তখন থেকে তাঁরা এর অফিসিয়াল নাম দিয়েছে ‘ইউরসালাইম আল কুদস’। এ শব্দের অর্থও পবিত্র। আল কুদ্স নাম সে সময় বাদ দিলে ইসরাইলের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যেত, এজন্য ধূর্ত ইহুদিরা নিজেদের শব্দের সাথে মূল আরবী শব্দ ‘আল কুদ্স’ও সংযুক্ত রেখেছে।

ইউরসালাইম আসলে কোন ভাষার শব্দ? ইসরাইলের ভাষা যেহেতু হিব্রু তাই অনেকের মতে ইউরসালাইম শব্দটি হিব্রু ভাষার শব্দ। কারো মতে শব্দটি মেসোপটোমিয়া শব্দ ‘ইউরসালাইমা’ থেকে নেয়া হয়েছে। যেখান থেকেই নেয়া হোক ইউরসালাইম শব্দটির অর্থও ইহুদিদের মতে পবিত্র। কিপ রিডিং…

ক্যামেরার চোখে ঘটনাবহুল ২০১৭


ফিরে দেখা ২০১৭


২০১৭ সালকে বিদায় জানিয়ে ২০১৮ সালে উপস্থিত আমরা।  এভাবেই চলে আসছে এবং চলতে থাকবে- একের পর একটি বছর শেষ হবে এবং শুরু হবে নতুন আরেকটি বছর।  বর্ষপরিক্রমার এই অমোঘ নিয়ম মেনেই চলছে সব।  সামনে এগুচ্ছে পৃথিবী।  ভারি হচ্ছে অভিজ্ঞতার ইতিহাস। সমৃদ্ধ হচ্ছে আগামীর পথচলা।  পেছনে ফেলা আসা বছরগুলোকে কি আমরা ভুলে যাই নাকি স্মরণ রাখি? সাদাসিদে উত্তর হলো- একেবারে ভুলেও যাই না আবার খুব বেশি স্মরণ রাখি না। যখন যতটুকু প্রয়োজন স্মরণ রেখে সামনে এগিয়ে চলা।

প্রত্যেকটি বছরই গুরুত্বপূর্ণ।  প্রতি বছরেই ঘটনাবহুল অনেক ইতিহাসের জন্ম হয়।  ২০১৭ সালও তার ব্যতিক্রময় নয়। এ বছরটিতে বিশ্বব্যাপি অনেক ঘটনা ঘটেছে। অনেক আয়োজন-উৎসব এবং উদ্ভব-আবিস্কারে স্নাত হয়েছে বিগত বছরের প্রতিটি মাস, প্রায় প্রতিটি দিন।  ২০১৭ সালে সংঘঠিত উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর ছবিনির্ভর ফিচার- ক্যামেরার চোখে ঘটনাবহুল ২০১৭। দ্য নিউ ইর্য়ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ছবি ও তথ্য নিয়ে ফিচারটি তৈরি করেছেন মিরাজ রহমান

জানুয়ারি

১।  নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের অভিষেক অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

২।  অভিষেক অনুষ্ঠানে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

৩।  নারীদের বিক্ষোভ মিছিলে দান করার জন্যে ‘পুশি হ্যাট’ বানাচ্ছেন কিছু স্বেচ্ছাসেবক।

৪।  অভিষেক অনুষ্ঠানে ‘মাই ওয়ে’ গানে নাচছেন ট্রাম্প এবং মেলেনিয়া।

৫। ওয়াশিংটনে নারীদের বিক্ষোভ মিছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ত হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের পরই সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ বিক্ষোভকারী এতে অংশগ্রহণ করে।

৬।  প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতাগ্রহণের প্রতিবাদে ন্যাশনাল মলের দিকে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ যাত্রা।

৭।  মসুলকে সম্পূর্ণরূপে আইএস মুক্ত করার অভিযান চলাকালে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরবর্তী মুহূর্ত পরীক্ষা করছে ইরাকি সেনাবাহিনী।

৮।  সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে নামাজ পড়ছেন কিছু অভিবাসী।

৯। ‘দ্য ফোর টেম্পেরামেন্টস’ এর জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিউ ইয়র্ক সিটি ব্যালে কর্পোরেশনের একজন সদস্য। কিপ রিডিং…

১০টি বিখ্যাত শহরের ১০টি প্রচীনতম ছবি!

১৮২৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী জোসেফ নিসেফর নিয়েপ্স হেলিওগ্রাফ প্রক্রিয়ায় ছবি তোলার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এর কয়েক বছরের মধ্যেই তার সহযোগী এবং আরেক ফরাসী ফটোগ্রাফার এবং উদ্ভাবক লুই ড্যাগার যখন অপেক্ষাকৃত দ্রুতগতিতে ড্যাগারোটাইপ প্রক্রিয়ায় ছবি তোলার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, তখন থেকেই দেশে দেশে ফটোগ্রাফাররা ঘুরে বেড়াতে শুরু করেন আকর্ষণীয় দৃশ্যগুলোকে ফ্রেমে বন্দী করে রাখার উদ্দেশ্যে। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমদিকে তোলা ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিশ্বের প্রধান প্রধান শহরগুলোর বিখ্যাত স্থাপনা, প্রধান চত্বর, অথবা গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো। ফিচারটি লিখেছেন মোজাম্মেল হোসাইন তোহা

জেরুজালেম/আল-কুদস : ১৮৪৪ সালে তোলা এই ছবিটি আল-কুদসের কোব্বাতুস সাখরা তথা ডোম অফ দ্য রকের সবচেয়ে প্রাচীন ছবি। সে সময় আল-কুদস ছিল উসমানীয় (অটোমান) সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছোট একটি শহর, যার জনসংখ্যা ছিল মাত্র ১৫,০০০। ছবিটি তুলেছিলেন ফরাসী ফটোগ্রাফার জোসেফ ফিলিবার্ট গিরো ডি প্রাঞ্জে। মূল ছবিটি ১৮৪৪ সালে তোলা হলেও তার সন্ধান পাওয়া যায় ১৯২০ সালে, তার মৃত্যুর বহু বছর পর, তার স্টোর রুম থেকে। গিরো ডি প্রাঞ্জে মধ্যপ্রাচ্যের স্থাপত্যের প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। ছবি তোলার প্রযুক্তি আবিষ্কারের পরপরই তিনি ফরাসী চিত্রশিল্পী এবং উদ্ভাবক লুই ড্যাগারের কাছ থেকে ড্যাগারোটাইপ পদ্ধতিতে ছবি তোলার উপর প্রশিক্ষণ নেন এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপত্যের প্রায় ৯০০ ছবি তোলেন।


১৮৪৪ সালে তোলা জেরুজালেমের প্রাচীনতম ছবি


কিপ রিডিং…

বিবিসি স্পোর্টস পারসোনালিটি অব দ্য ইয়ার— স্যার মু ফারাহ


ইয়াং সুলতান— ০১


২০১৭ সালের বিবিসি স্পোর্টস পারসোনালিটি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জয়ী হয়েছেন ব্রিটিশ মুসলিম নাগরিক স্যার মু ফারাহ। ১১ জন প্রার্থীকে পিছনে ফেলে এই পর্বে পুরস্কার তুলে নেন তিনি। ফারাহ সর্বমোট ৮৩,৫২৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন এবং ৮০,৫৬৭ ভোট নিয়ে সুপারবাইকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জনাথন রিয়া দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এই প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছেন প্যারাঅলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন জোনি র‌্যাকক।

লিভারপুলে আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়া হয় এই পুরস্কার। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও একটি লাইভ ভিডিওতে তার অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিশ্বের এতো বড় বড় খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করাটা সত্যি আনন্দের। এই পুরস্কার অর্জন করতে আমার প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমি আসা করছি তরুণ প্রজন্মও আমার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কঠিন পরিশ্রম করতে শিখবে।

তিনি তার অর্জনে ইসলামের ভূমিকার কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, আপনাদেরকে অবশ্যই আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। সবকিছুই কোন একটি কারণে হয়ে থাকে, যাতে করে আপনি সমস্যায় না পড়েন। আমি মনে করি, আমি যেমন সবকিছুই হালকাভাবে নেই, সকলেরই সবকিছু হালকাভাবে নিতে হবে। এটি অবশ্যই মুসলিম হওয়া এবং আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখার সঙ্গে সম্পর্কিত। কুরআনে বলা আছে, সব কাজেই আমাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এইজন্যেই আমিও আমার ট্রেনিং-এ পরিশ্রম করেছি, এবং এটি আমাকে এই পর্যায়ে এনে দিতে সাহায্য করেছে। আমি সাধারণত দৌঁড়ানোর আগে নামাজ পড়ি আল্লাহর কাছে দোআ করি এবং মনে করি আমি এতদূর আসার জন্য এটাই সব থেকে বড় ভূমিকা।

কিপ রিডিং…

উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি

উইকি লাভস মন্যুমেন্টস (Wiki Loves Monuments)— উইকিপিডিয়ার সহযোগী একটি সংগঠন। নানামুখি আয়োজন ও ইভেন্ট দিয়ে এই সংগঠনটির পথচলা শুরু হয়। ২০১৭ সালে সংগঠনটি একটি ছবি তোলার প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। বিশ্বব্যাপী ৫৪টি দেশের ১০,০০০ জন আলোকচিত্রশিল্পীর জমা দেওয়া ২ লাখ ৪৫ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাইকৃত চূড়ান্ত ১৫টি ছবির এই তালিকা প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতার প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বব্যাপি পরিচিত করে তোলা।

২০১৭ সালে আয়োজিত ছবি প্রতিযোগিতার জমা হওয়া প্রায় আড়াই লাখ ছবি থেকে বিচারকদের দ্বারা প্রাথমিকভাবে ৪৮৯টি ছবি নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে ১৫টি ছবিকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাঠকের জন্য সেই ১৫টি ছবির প্রথম ১০টি ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়ে আজকের আয়োজন— উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি। চলুন তাহলে আর দেরি না করে উইকি লাভস মন্যুমেন্টসের ২০১৭ সালের সেরা ছবিগুলো দেখে নেই।

১. ভারতের খান্দোবা মন্দির ও ভান্দারা উৎসবের ছবি : প্রতিযোগিতার প্রথম স্থানটি অধিকার করেছে ভারত। ভারতের পুনেতে অবস্থিত খান্দোবা মন্দিরে ছবিটি ১৫টি ছবির তালিকার প্রথমস্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়েছে। এই মন্দিরটি এমনিতেই যথেষ্ট আকর্ষণীয়। বিশেষ করে ভান্দারা উৎসব তথা হলুদ উৎসবের সময় হলুদ রঙের পোশাক আবৃত ভক্তদের অংশ গ্রহণ আর হলুদের গুঁড়ো ছিটানো বিশেষ আয়োজনে পুরো মন্দিরের দৃশ্যটি অসাধারণ হয়ে ওঠে। এমন এক একটি মুহূর্তের বর্ণিল এই ছবিটি ধারণ করেছেন ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী প্রশান্ত সোমনাথ খারোট।

২. থাইল্যান্ডের রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি : প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে থাইল্যান্ডের খাও সাম রয়ি ইয়োট ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত প্রায়া নাখোন গুহার একটি রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি। গুহাটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার উঁচুতে তিয়ান পর্বতমালায় অবস্থিত। অসাধারণ এই ছবিটি ধারণ করেছেন আলোকচিত্রী জেনপপক।

৩. ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ছবি : রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের একটি ছবি প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকাতৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। ১৯৬৮ সালে নির্মিত এই মসজিদটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০,০০০। এছাড়া এই মসজিদটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধারণ ক্ষমতা বিশিষ্ট মসজিদগুলোর তালিকাতেওে রয়েছে। বাংলাদেশী আলোকচিত্র শিল্পী আজিম খান রনির তোলা অসাধারণ ছবিটিতে জুমার নামাজের সময় সেজদারত মুসল্লিদের নয়নাভিরাম একটি দৃশ্য উঠে এসেছে।

কিপ রিডিং…

এক ডিমের মসজিদ



ফয়সল চৌধুরী। লোকমুখে প্রচার পৃথিবীতে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বেঙ্গির মা নামে এক মহিলা। ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়’ প্রবাদ বাক্যটি যেমন সত্য, তেমনি লক্ষ্য যদি থাকে আপনার অটুট একদিন সফলতা আসবেই। কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয় ‘ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তুলে মাহাদেশ সাগর অতল। এই কবিতাটুকু পড়লে মনে হয় কবিগুরুর কোন বাস্তব ঘটনা থেকেই কবিতাটি রচনা করেছিলেন। তেমনি আচার্য্যজনক এক ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এক মহিলা। তাকে সবাই ‘বেঙ্গির মা’ বলে ডাকলেও একটি মহৎ উদ্দ্যোগ নিয়ে এক আন্ডা (ডিম) গড়ে তুলেছেন একটি মসজিদ। এলাকাবাসী নাম দিয়েছেন এক আন্ডা’র মসজিদ। মসজিদটির নাম এখন সবার মুখে। এক আন্ডা থেকে কি ভাবে এক মসজিদ সে কথা শুনলে সবাই অবাক হন। মানুষের অসাধ্য কিছু নেই, মানুষ সাধনা করে আকাশে উড়েছে, পৌঁছেছে চাঁদের দেশে। তেমনি এক বেঙ্গির মা বাংলাদেশে জন্ম দিয়েছে এক ইতিহাস। আর তার রেখে যাওয়া স্মৃতি দেখার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে বেঙ্গির এক আন্ড’র (ডিম) মসজিদ দেখতে।

জানা যায়, জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের প্রজাতপুর গ্রামের তৎকালীন এক কৃষক সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা ১৯০২ ইং, ১৩০৭ বাংলায় প্রজাতপুর ও লালপুর দুটি গ্রামের মাধ্যবর্তী স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদ নির্মাণের শেষে এলাকাবাসীকে জড়িত করে মসজিদটির নাম করণ করেন ‘এক আন্ডা (ডিম)র মসজিদ’। তখন মসজিদের নামকরণ নিয়ে জনতার মধ্যে প্রশ্ন জাগলে তিনি ঘটনাটি খুলে বলেন। বেঙ্গির মা এলাকাবাসীকে জানান, তিনি একটি মুরগীর ডিম মসজিদের নামে মান্যত করে রাখেন। ঐ ডিমটি থেকে মুরগীর উতলে দিলে তা থেকে একটি বাচ্চার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ঐ বাচ্চাটি বড় হলে তা থেকে আরো ৭টি ডিম হয়। পরবর্তীতে ঐ ৭টি ডিম থেকে ৭টি বাচ্চার জন্ম হয়। এভাবে এক পর্যায়ে মুরগীর খামার গড়ে তুলেন। ঐ খামারের মুরগী বিক্রি করে বেঙ্গির মা টাকা জমাতে থাকেন। তৎকালীন সময়ে তিনি এক লক্ষ টাকা জমা করে মসজিদটি তার স্বামীর মাধ্যমে নির্মাণ করে দেন। বেঙ্গির মা ছিলেন নিঃসন্তান। ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পরে মসজিদটির নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। মসজিদ নির্মাণের শত বছর অতিবাহিত হলেও এখন এ কাহিনী সবার মুখে মুখে। অনেকই মনে করেন একটি আন্ড (ডিম) থেকে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম। তাও আবার একজন মহিলা কর্তৃক মসজিদ নির্মাণ সবাইকে অবাক করেছে। প্রজাতপুর ও লালপুর গ্রামবাসী ২০০৯ সালে মসজিদটির বর্ধিত অংশ সংস্কার করেছেন। কিন্তু বেঙ্গির মার মুল মসজিদটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে। চলতি বছরে মসজিদটি নতুন করে রং করা হয়েছে।

এক আন্ডা (ডিম) এর মসজিদের খতিব মাওলানা আলমাছ উদ্দিন বলেন, আমি মসজিদ নির্মাণে বেঙ্গির মার এক এন্ডার গল্প শুনে অবাক হয়েছি। ইচ্ছা থাকলে মানুষ কিনা করতে পারে। তার ছেলে সন্তান না থাকলেও এই মসজিদটি পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন স্বাক্ষী হয়ে রবে। বেঙ্গির মার প-পৌত্র প্রজাতপুর গ্রামের রাকিল হোসেন বলেন আমার পুর্ব পুরুষ নিঃসন্তান সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। আমি আমার বাবার কাছ থেকে শুনেছি পরিদাদী বেঙ্গির মা একটি আন্ডা থেকেই এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এলাকাবাসী কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করে মসজিদের সুন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য সংস্কার করেছেন। মসজিদের মোতাওল্লী লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হারিছ। কিন্তু তিনি দেশের বাহিরে থাকায় থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। প্রজাতপুর গ্রামের প্রবীণ উলফর উল্লাহ বলেন, আমাদের গ্রামের বেঙ্গির মা এমন একটি কাজ করেছেন, যা সারা জীবনেও ভুলার মত নয়। আমি বেঙ্গির মার কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি একটি ডিম থেকে একটি মুরগীর খামাড় গড়ে তুলেছিলেন। ঐ খামারের একটি টাকাও তার সংসারের কাজে ব্যয় করেন নি। সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন। কিপ রিডিং…

সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস


ফিচারটি লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা 


শুদ ওজুদাস রহমাতালল্লিল আলামিন/মাসজিদে উ শুদ হামা রোয়ে জমিন— বিখ্যাত ফার্সি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তার রচিত ‘পান্দে নামা’ নামক কবিতার গ্রন্থের একটি কবিতা। সরল বাংলাতে অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর (রাসূল সা.) আগমন কিংবা এই ধরাধামে তাঁর অস্তিত্ব গোটা জগতবাসীর জন্য রহমত স্বরুপ/সারা পৃথিবীটা তাঁর জন্য মসজিদ স্বরুপ। শুধু রাসূলের (সা.) জন্য নয় গোটা উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য এটা একটি বিশেষ নেয়ামত- পৃথিবী নামক ধরাধামের গোটা জমিনটাকে তাদের জন্য জায়নামাজ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জমিনের যে কোনো স্থান বা জায়গা যদি পবিত্র হয় তাহলে নামাজ পড়া এই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য জায়েজ। তরে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, নামাজ আদায়ের পূর্বের গুরুত্বপূর্ণ সাতটি ফরজের অন্যতম একটি হলো নামাজ আদায়ের জন্য জমিন বা নামাজের স্থান পবিত্র হওয়া। সুতরাং জমিনের পবিত্র যে কোনো স্থানে নামাজ আদায় করা সহিহ। কিন্তু যেহেতু হাদিসে রাসূলে (সা.) মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের সাওয়াবের মাঝেও তারতম্যের আলোচনা এসেছে সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের প্রথম ইচ্ছা ও চেষ্ঠা থাকবে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা।

হুম পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সময়-বাধা এবং কোনো প্রকারের কোনো সমস্যার কারণে যদি মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদয় করার সময় সুযোগ না থাকে বা না হয়ে ওঠে সেক্ষেত্রে ইসলাম ছাড় দিয়েছে, জমিনের যে কোনো পবিত্র স্থানের নামাজ আদায় করা যাবে।

নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কোনো অবস্থাতেই নামাজ ত্যাগ করা যাবে না। মুসলিম মাত্রই এই বিধান জানেন এবং অধিকাংশ বুঝদার মুমিন-মুসলমানরা এই বিধান সময় মতো আদায় বা পালন করার চেষ্ঠা করেন। সময় মতো (প্রত্যেক নামাজের জন্য আলাদাভাবে যে ওয়াক্ত বা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে) নামাজ আদায় করাও ফরজ। বিভিন্ন সমস্যা বা সময়-সুযোগ না থাকার কারণে মুসলিমরা মসজিদে না গিয়ে বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায় করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের এমন নামাজ আদায়ের দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন বিভিন্ন ফটোগ্রাফাররা এবং ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির কল্যাণে তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায়ের মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন ৩০টি চিত্র বা ছবি নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন- সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস।

চিত্র-০১

ক্যাপশন : গাড়ির পাকিংয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন একজন মুসলিম। ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত কিপ রিডিং…

বিশ্বের প্রথম হিজাবী নারী স্কেটার জাহরা লারির অজানা গল্প

১০ বছরের সাধনার ফলাফল স্বরুপ আলোর মুখ দেখলেন তিনি এবং অংশ নিলেন আন্তর্জাতিক স্কেটিং প্রতিযোগিতায়। অংশ নিয়ে শুধু ধন্যই হলেন না জাহরা লারি, গড়লেন একাধিক রেকর্ড।

বিশ্বের প্রথম হিজাবী নারীস্কেটার হিসেবে নাম লেখালেন ইতিহাসের পাতায়। অনন্য উচ্চতায় আসিন করতে সক্ষম হলেন নিজ দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে । জাহরা লারির হাত ধরে প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্কেটিং ইউনিয়নে (আইএসইউ) সদস্যভুক্ত হলো দেশটি।

যার হাত ধরে এল এত সাফল্য, সেই জাহরার উঠে আসার পথটা কিন্তু মোটেও মসৃণ ছিল না। আজকের এই স্থানে উঠে আসতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক সমস্যা-সঙ্কুল পথ। জাহরা লারি সে সব গল্প শুনলে মনে হয় রূপকথার গল্পকেও হার মানাবে তার এই ইতিহাস। মাত্র ১২ বছর বয়সে স্কেটিং করা শুরু করেন জাহরা। তার স্কেটিংয়ে আসার গল্পটিও মনোমুগ্ধকর। ডিজনি মুভি ‘আইস প্রিন্সেস’ দেখে এই খেলার প্রতি মনোযোগী হন তিনি। ২২ বছরের এই স্কেটার বলেন, ‘সেই সিনেমা দেখে স্কেটার হওয়ার সাধ জাগে আমার। আমাকে এগিয়ে যেতে রোবটের মতো সহায়তা করেছেন আমার বাবা। সমাজ-ঐতিহ্যের কথা ভেবে মাঝে মধ্যেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তবে কখনো জোর করেননি। এখন বাবাই আমার সবচেয়ে বড় ভক্ত-সমর্থক।’ আইসপ্রিন্সেস জাহরা লারির স্কেটিং দেখতে ক্লিক করুন এখানে…

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন জাহরা। মা-বাবার খুব আদুরে সন্তান ছিলেন  তিনি। যখন যা বায়না ধরতেন, আবদার পূরণ করতেন বাবা-মা। একদিন হুট করেই বরফে স্কেটিং করার বায়না ধরেন লারি। তাও মেনে নেন বাবা। এক পর্যায়ে জাহরার এই স্কেটিং বায়না নেশায় পরিণত হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে নেশা বাড়তে থাকে এবং তৈরি হতে থাকে বিখ্যাত স্কেটার হওয়ার ইচ্ছা-স্বপ্ন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণশীল সমাজ। মুসলিম দেশে। কিছুই দমাতে পারেনি জাহরাকে। অদম্য ইচ্ছায় প্রতি মুহূর্তে পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন বিপৎসংকুল পথ।

এরপর তার উঠে আসার পথে বাধা ছিল আমিরাতের ভৌগোলিক অবস্থান। যেখানে বছরের অধিকাংশ সময় প্রখর তাপমাত্রা বিরাজ করে, সেখানে স্কেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা আকাশ কুসুম কল্পনা বটে। সঙ্গত কারণে দেশটিতে বরফাঞ্চল খুঁজে পাওয়ায় দুষ্কর। তবে কোনো কিছুই তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ নিতে গেছেন দূর-দূরান্তে।

কিপ রিডিং…

ক্ষুদে দম্পতি!


গিনেসওয়ার্ল্ড রেকর্ড-০৭


In celebration of GWR Day 2016, the title holders for Shortest married couple have travelled to London this week to visit the London HQ of Guinness World Records.
নিজেদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদে দম্পতি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করেছেন ব্রাজিলের এই ক্ষুদে দম্পতি। প্রায় আট বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় দু’জনের। সেই থেকে শুরু হয় চুটিয়ে প্রেম। এরপর বিয়ে। আর এই বিয়ের মাধ্যমেই বিশ্বের ক্ষুদে দম্পতি হিসেবে গিনেস বুকে নাম লেখালেন তারা।

ফুটবলের দেশ ব্রাজিলের পাওলো গেব্রিয়েল ডা সিলভা ও কেটয়ুসিয়া লাই হোসিনো বেরোস। ১৭ নভেম্বর  ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়৷ এর পরই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দম্পতি হিসেবে গিনিস বুকে নাম উঠে যায় তাদের। তাদের উচ্চতার কারণেই এই অর্জন। দু’জনের উচ্চতার যোগফল ৭১.৪২ ইঞ্চি৷ এর আগে যারা এই জায়গা অধিকার করেছিলেন, সবাইকে হারিয়ে এবার তাদের থেকে আরও ছোট এই দম্পতি সেই জায়গা দখল করে নিলেন৷  ইংরেজিতে লেখা মূল ফিচারটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে…

পাওলো বহুদিন ধরেই, এই উচ্চতার জন্য, নিজের নাম গিনেস বুকে তুলতে চাইছিলেন৷ তার সেই ইচ্ছা এবার বাস্তবায়িত হলো৷ শুধু তাই নয়, যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবি ভাইরালও হয়। বর্তমানে এই দম্পতি খুবই সুখ-শান্তিতে বাস করছেন তাদের আপন দেশে।  কিপ রিডিং…

গো টু টপ