Tag archive

ইন্টারভিউ

শিল্পায়ন ছাড়া কোনো দেশ উন্নতি লাভ করতে পারে না : খাজা টিপু সুলতান

খাজা টিপু সুলতান- বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও আভিজাত্যময় উন্নয়নে তার অবদান ও ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও আভিজাত্যকর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন পাঁচ তারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ সেন্টারের সম্মানিত চেয়ারম্যান তিনি। বাংলাদেশে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্য সমগ্র বাংলার পর্যটনপ্রেমীসহ সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি কৃতজ্ঞ। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক অলাভজনকভাবে সমাজ সেবাধর্মী কর্মকা- পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশন। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে জনকল্যাণকর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুধীমহলে বেশ সুনাম অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। আধ্যাত্মিক সাধনাকে পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করে সমাজসেবা ও মানবকল্যাণধর্মী বিভিন্ন কার্যক্রম আঞ্জাম দিয়ে আসছে এমন প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশে বোধ করি এটাই প্রথম। ফ্রি চিকিৎসাসেবা, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা এবং গরীব-অসহায় মানুষের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করে তুলতে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হয় এই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে। খাজা হজরত ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রহ.)-এর নেসবতভুক্ত অসহায় কর্মক্ষম মানুষদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এককালীন মূলধন প্রদানের মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করার মাধ্যমে সদকায়ে জারিয়ার মতো মৃত প্রায় একটি ইবাদতকে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উজ্জীবিত করেছেন একজন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। একজন সুফিসাধক। আন্তরিকভাবে নিজ হাতে যিনি পরিচালিত করছেন প্রতিষ্ঠানটি- তিনি আর কেউ নন; তিনি হলেন খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.)-এর সুযোগ্য সন্তান, খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান। আধ্যাত্মবাদ চর্চার পাশাপাশি খাজা টিপু সুলতান বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য বিজনেস আইকন। যার ব্যবসায়িক সাফল্যের কথা কেবল এই বঙ্গজমিনে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশেও সমাদৃত। আধ্যাত্মবাদ চর্চা যার নেশা এবং পর্যটন ব্যবসা তার পেশা। ব্যক্তিগতভাবে খুব স্বচ্ছ-পরিপাটি-সুন্দরতম এক জীবনের মালিক খাজা টিপু সুলতান। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অসংখ্য-অগণিত আধ্যাত্মিক ভক্ত রয়েছে তার। বাংলাদেশের অন্যতম এই বিজনেস আইকনের সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মিরাজ রহমান

গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ সেন্টারকে আপনি কী উদ্দেশ্য নিয়ে নির্মাণ করেছেন?
শিল্পায়ন ছাড়া কোনো দেশ উন্নতি লাভ করতে পারে না। আর এই শিল্পায়ন যদি দেশের আর্থিক উপকারে আসে, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যায় সেই সাথে যদি আবার সেটা মানুষের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আমার আসলে অনেক আগে থেকেই এমন একটি শিল্প তৈরি করার ইচ্ছা ছিল যা মানুষের কল্যাণে আসে এবং সেই সাথে সেটা হবে একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান- সেই অনুপ্রেরণা থেকেই মূলত আমি গ্র্যান্ড সুলতান করি। আর আজ দেশ ও দেশের মানুষ এর উপকার পাচ্ছে। এটার কারণে অর্থনৈতিক অনেক সমৃদ্ধি লাভ করেছে। গ্র্যান্ড সুলতানের আশপাশের লোকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। তাদের জীবন পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমি একটি কথা বলব সেটা হচ্ছে, পর্যটন শিল্পে আসলে তাদেরই আসা উচিত যাদের শুধু আর্থিক মুনাফা অর্জন করা উদ্দেশ্য থাকে না। পর্দার আড়ালে আরও অনেক মুনাফা আছে সেগুলোও কম নয়। আমরা আসলে জাতিগতভাবে অতিথিপরায়ণ। একজন লোক তার পরিবার নিয়ে আমার গ্র্যান্ড সুলতানে আসবে তাদের সেবা দেওয়া হবে। তারা আনন্দে থাকবে, এটা দেখার মাঝেও অনেক আনন্দ রয়েছে। এই বিষয়টাকেও আমি মুনাফা হিসেবেই দেখব।

আপনি তো দীর্ঘদিন ধরে পর্যটন বিজনেসের সাথে জড়িত, আমরা আপনার দীর্ঘদিনের এই অভিজ্ঞতা থেকে পর্যটন শিল্পের ভালো-মন্দ বিষয়গুলো একটু জানতে চাচ্ছি।
প্রত্যেকটা শিল্প প্রতিষ্ঠানেই তো কিছু ভালো-মন্দ দিক থাকে। একটি উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় আমাদের দেশে এই ব্যবসায় চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি। আর পর্যটন শিল্পের ক্ষেত্রে এই চ্যালেঞ্জটা আরও বহুগণ বেশি। এই ব্যবসার ভালো দিকটা হলো এখানে উভয় পক্ষেরই ভালো লাগার একটি বিষয় আছে। একটা পরিবার অনেক ব্যস্ততার মাঝেও এখানে এসে থাকছে এবং আল্লাহপাকের সৌন্দর্য উপভোগ করছে- এটা দেখার মাঝে তাদের একটা আলাদা ভালো লাগার আছে। আর যারা এই ধরনের সেবা প্রতিষ্ঠান করেছে তাদের মানুষকে ভালোভাবে সেবা দেওয়া এবং মানুষের স্মৃতিতে থেকে যাওয়ার মাঝেও ভালো লাগার একটি দিক আছে। এই সব বিষয় হচ্ছে পজেটিভ। তবে এর নেগেটিভ দিক হচ্ছে, আমাদের দেশ দরিদ্র হওয়ার কারণে চ্যালেঞ্জটা বেশি। আমাদের মতো উদ্যোক্তাদের জন্য আসলে এই ব্যবসা করা কঠিন। এই ব্যবসায় সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, এই ব্যবসার জন্য কানেক্টিভিটি থাকা দরকার। সেই সাথে উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরি। উন্নত দেশে তো ফোর লাইন রাস্তা কিন্তু এখনও আমরা দুই লাইনে রয়ে গেছি। উন্নত দেশে এখন রাস্তা শুরুই হয় সিক্স লেন থেকে।
যা-হোক আমাদের দেশে যদি আমরা ফোর লেনও করতে পারি তা-ও কম না। এছাড়া মহা সড়কগুলোর ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোতে বিভিন্ন নিয়ম মান্য করা হয়- যা আমাদের দেশে নেই। কিংবা থাকলেও মান্য করা হয় না। সড়ক-মহাসড়কের নিয়মগুলো মানা খুবই প্রয়োজনীয়। সড়ক বড় হলে যাতায়েতে সময় কম লাগবে এবং মহাসড়কে যে সব দুর্ঘটনা হয় সেটাও কম হবে। এ বিষয়গুলোর প্রতি যদি আমাদের সরকার দৃষ্টিপাত করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাহলে শুধু পর্যটন শিল্প নয় আরও অন্যান্য শিল্পের কমপক্ষে তিনগুণ উন্নয়ন সাধিত হবে। এছাড়া আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যে কোনো শিল্পেই ভালো করার শর্ত হলো দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা না থাকা। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকা জরুরি। কিপ রিডিং…

হালাল প্রসাধনী মুসলিম-অমুসলিম সবার জন্য উপকারী : সাইমন

সাইমন ইমরান হায়দার- তারুণ্যদীপ্ত এন্টারপ্রেইনর। শৈল্পিক মানসিকতাবাহী একজন বিজনেস আইকন। সাইমন ইমরানের পিতার নাম ইউসুফ হায়দার এবং মাতার নাম জাহানারা হায়দার। সাইমনের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা আর মা গৃহিণী। ১৯৮৩ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন হায়দার। পড়াশুনা করেছেন ধানমন্ডি সরকারি হাই স্কুল, ঢাকা সিটি কলেজ এবং প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কোর্স সম্পন্ন করেছেন অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে। ব্যতিক্রমধর্মী ৭ টি প্রতিষ্ঠানের মাদার কোম্পানি সাইমন এ্যানমির সিরিয়াল এন্টারপ্রেইনর ও সম্মানিত চেয়ারম্যান তিনি। ছোটবেলা থেকেই ডিবেটিং, কাউন্সিলিংসহ নানাবিধ সমাজসেবামূলক কাজের সাথে জড়িত সাইমন বর্তমানেও ইনহ্যাবিটেন্ট হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন নামক একটি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।

ব্যক্তিগত জীবনে পিতা ইউসুফ হায়দারের একমাত্র সন্তান সাইমনও এখন একমাত্র সন্তান ইয়াশাল হায়দার ইয়াছরিফের পিতা।  সাইমনের স্ত্রী সারাহ চৌধুরী আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর।

সৃজনশীল মানসিকতাকে ব্যবসায় খাটানো এবং সফলতা অর্জন করার শৈল্পিক মানসিকতা নিয়ে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, মিসর, চীন, জাপান, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভারত, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন সাইমন এবং অর্জন করেছেন বিচিত্র অভিজ্ঞতা। খুব অল্প সময়েই সাইমন কর্তৃক গৃহীত ব্যবসায়িক পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের মার্কেটে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং  বোদ্ধা মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। হালাল প্রসাধনী ও হালাল পণ্যে সাতসতের নিয়ে তার সাথে কথা বলেছেন মিরাজ রহমান

বিভিন্ন ধরনের পণ্যের ব্যবসা থাকতে আপনি হালাল পণ্য বা হালাল কসমেটিক্সের ব্যবসায়  কেন যুক্ত হলেন বা কেন এলেন?

প্রথমত, আমি ব্যবসায়িক দিক থেকে যেটা চিন্তা করি সেটা হলো, বাজারে গ্যাপটা কোথায়? ব্যবসার চাহিদা নির্ণয় করাটাকে আমি প্রথম গুরুত্ব দেই। একটা সময় মানুষ জুতা পরতো না। তখন কী হতো? আমাদের পায়ে ময়লা লেগে থাকতো। কাটার আঁচড় লাগতো। সুতরাং ধীরে ধীরে একটা প্রয়োজন সৃষ্টি হলো এবং এই প্রয়োজন পূরণেই কিন্তু জুতার আবিষ্কার হয়েছে। শুধু জুতা না; এভাবে আপনি যদি যে কোনো পণ্য বা বস্তুকে নিয়ে গবেষণা করেন দেখবেন যে, কোনো না কোনো প্রয়োজন বা চাহিদা থেকেই সে পণ্য বা বস্তুটির প্রসার ঘটেছে এবং এই প্রচার-প্রসারকে কেন্দ্র করে ব্যবসা গড়ে ওঠেছে। এই নীতিকে গাইডলাইন মেনে আমি একটি গ্যাপ আবিষ্কার করেছি এবং সেই গ্যাপটা পূরণের মানসিকতায় হালাল কসমেটিক্সের ব্যবসাটিকে নির্বাচন করেছি। তাছাড়া এই নীতি মেনে যে আমি কেবল এই একটি ব্যবসা করছি এমনটা নয়- আমাদের আরও কিছু ব্যবসা রয়েছে সবগুলো ব্যবসাকেই আমরা এমন কিছু মৌলিক নীতিমালায় গেঁথে পথ চলছি। এছাড়া ব্যবসার দুইটি দিক থাকে- একটি হচ্ছে শুধু লাভের চিন্তা করে ব্যবসা করা। আরেকটা হচ্ছে ব্যবসার মাধ্যমে মানুষের উপকার ও কল্যাণের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া। মূলত এই দ্বিতীয় বিষয়টা মাথায় রেখেই আমি বা আমরা কাজ করার চেষ্টা করি। আমাদের ব্যবসার মূলনীতি হলো- পণ্য থেকে আসলে মানুষ কতটা উপকৃত হবে, সেটা প্রাধান্য দেওয়া। আর এই নীতিটাকে গ্রহণ করেছি বলেই হয়তো অন্য অনেক বা বিভিন্ন ব্যবসাকে নির্বাচন না করে হালাল কসমেটিক্সের ব্যবসাকে গ্রহণ করেছি। এরপর আমরা আরও দেখলাম বাংলাদেশে কোনো হালাল ব্র্যান্ডের কসমেটিক্সও নেই। এসব চিন্তা-গবেষণা করার পর আমরা উদ্যোগ নিলাম এবং আমরাই প্রথম বাংলাদেশে হালাল ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স নিয়ে এলাম। কিপ রিডিং…

আধুনিক ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান এক্সিম ব্যাংক : ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া

ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া- এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী। তাঁর পিতার নাম হাজি মোহাম্মদ আরশাদ আলী এবং মাতার নাম হামিদা বেগম। মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৫৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেন জনাব মোহাম্মদ হায়দার আলী। ইবরাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় তাঁর জীবনের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স, লন্ডন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ থেকে ম্যানেজমেন্ট এবং মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ এবং আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পি.এইচ. ডি. ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি দ্য ইন্সটিটিউট অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ থেকে ‘ব্যাংকিং ডিপ্লোমা’ উভয় পার্ট সম্পন্ন করেন এবং লন্ডন থেকে ‘ইসলামিক ব্যাংকিং এ- ইন্সুরেন্স’ বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এ প্রবেশনারী অফিসার হিসেবে ব্যাংকিং পেশায় যোগদান করেন। একজন আদর্শ ইসলামি ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। আজকের এই অবস্থানে অধিষ্ঠিত হওয়ার নেপথ্যে আল্লাহ মহানের রহমত ও সহযোগিতার পাশাপাশি তাঁর স্বপ্ন, যোগ্যতা এবং কঠোর-ঐকান্তিক পরিশ্রমই ছিলো মূল। ইসলামি ব্যাংকিং বিষয়ে লিখেছেন বেশ কিছু বই। ইতোমধ্যে তাঁর ‘এ হ্যন্ড বুক অব ইসলামিক ব্যাংকিং এন্ড ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন’ এবং ‘এ ওয়ে টু ইসলামিক ব্যাংকিং কাস্টমস এন্ড প্র্যাকটিস’ নামে দুটি মূল্যবান বই প্রকাশিত হয়েছে। জনাব হায়দার আলী মিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও। একটি বিনিয়োগবান্ধব ব্যাংক হিসেবে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড -এর রয়েছে দেশজোড়া সুনাম ও খ্যাতি। সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম পরিচালনায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ব্যাংকটি। বাংলাদেশের ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নানাবিধ কার্যক্রম এবং বিশ্ব পরিমণ্ডলে ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত নানান প্রসঙ্গ নিয়ে দীর্ঘ আলাপচারিতা হয় এক্সিম ব্যাংকস্থ তাঁর কক্ষ-কার্যালয়ে।


গ্লোবাল ইকোনমিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুননির্বাচিত হয়েছেন এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া। সম্প্রতি ঢাকায় ফোরামের ২০১৫-১৬ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় ২০১৭-১৮ মেয়াদের জন্য তাকে পুননির্বাচিত করা হয়। উল্লেখ্য, গ্লোবাল ইকোনমিস্ট ফোরাম জাতিসংঘের পরামর্শক সংস্থা হিসেবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বিশ্বের ১৫৮টি দেশে কাজ করে থাকে।


কিপ রিডিং…

হালাল রিজিক উপার্জনের সুন্দরতম পথ ব্যবসা : এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ

এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ- ১৯৮৮ সালের ২ জানুয়ারি তার মাতুলালয় চাদঁপুর জেলার মতলব থানাধীন পশ্চিম লালপুর মিয়াজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। একাধারে তিনি একজন মেধাবী আলেম, অভিজ্ঞ অর্থনীতি বোদ্ধা, দক্ষ আলোচক, যোগ্য প্রশিক্ষক এবং উদীয়মান তরুণ ব্যবসায়ী। তার দাদা বাড়িও একই থানার এখলাছপুর গ্রামে। তার বাবা মাহফুজুর রহমান ছিলেন পাকিস্তান আমলে এখলাছপুর প্রাইমারী স্কুলের হেড মাস্টার আব্দুল আজিজের দ্বিতীয় পুত্র; সে-আমলে যার ছাত্র ছিলেন সাবেক পানি উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, আল-রাজী হাসপাতালের কর্ণধার ডা. মোস্তফা জামানসহ বর্তমান সময়ের বহু খ্যাতিমান ব্যাক্তিত্ব। ইবনে মাহফুজের শৈশব কাটে নানাবাড়িতে।


পারিবারিক প্রয়োজনের খাতিরেই প্রথম আমাকে ব্যবসার পথ বেছে নিতে হয় এবং সেই ছেলেবেলা থেকে নানা কারণে এই ভাবনাটা আমার মধ্যে প্রবল আকারে দানা বেঁধে ওঠে যে, অনেক ভালো কাজ করা এবং অনেক ভালো উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সচ্ছলতা খুব প্রয়োজন। ধীরে ধীরে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, দীন ও দুনিয়া উভয়ের জন্যেই হালাল অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যবসাই সবচে সুন্দরতম পথ।


ছাত্রজীবনে তিনি নিজগ্রাম এখাছপুর প্রাইমারী স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন। কিন্তু পিতার চাকুরির সুবাদে ১৯৯১ থেকে বহুবার পিতার সাথে মাদরসার পরিবেশে যাতায়াতের এক পর্যায়ে সকলের বাধা ও আপত্তি উপেক্ষা করে ১৯৯৪ সালে স্কুল ছেড়ে নারায়ণগঞ্জের কাশীপুরে ‘কাছেমুল উলুম মাদানিয়া’ মাদরাসায় ইবতেদায়ি বিভাগে ভর্তি হন। ২০০২ সাল একই মাদরাসায় হেদায়েতুন্নাহু (মাধ্যমিক প্রথমস্তর) পড়া শেষ করেন। এরপর ২০০৩ সালে মুন্সিগঞ্জের রিকাবি বাজার মাদরাসা ও ২০০৫ সালে নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া মাদারাসায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর সমাপন করে নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর) সম্পন্ন করেন। জনাব মোফাজ্জল ছাত্রজীবন থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদরাসার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ক্লাস সমাপ্ত করার পর ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতির ধারায় আরো বেশি সংযুক্ত হন তিনি।

বর্তমানে তিনি বারাকাত এন্টারপ্রাইজেস (এন্টারপ্রাইজেস, বারাকাত মার্কেটিং কর্পোরেশন, বারাকাত কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, বারাকাত লজেষ্টিক) -এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। এছাড়া আস্হাব কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের মার্কেটিং ডিরেক্টর, কালার মিডিয়া প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্স-এর চেয়ারম্যান, বুশরা ট্রেড ইন্টান্যাশনাল কর্পোরেশন (বিটিআইসি) লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিয়েল স্টেট অ্যান্ড হাউজিং ডেভেলপমেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড মার্কেটিং ব্যবসার একজন দক্ষ কর্ণধার। কর্মজীবনে এসে তিনি বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের অধীনে ইসলামী অর্থনীতি ও মার্কেটিং উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং দেশে ও দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত অর্থনীতি বিষয়ক নানা কর্মশালায়ও অংশগ্রহণ করেছেন। দেশ ভ্রমণ ইতোমধ্যে এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজের একটি আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে তিনি মালয়েশিয়া, ভারত, নেপাল, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কমার্শিয়াল সেমিনারে অংশ গ্রহণ করে সুনাম কুড়িয়েছেন। তরুণ এই ব্যবসায়ীর ব্যবসা জীবন, ইসলামি অর্থনীতি, কো-অপারেটিভ ব্যবসা, দেশীয় মার্কেট পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে তিনি দ্য সুলতানের সাথে কথা বলেন।

এক জন মাদরাসায় পড়ুয়া আলেম হয়েও কেনো আপনি ব্যবসায় এলেন?

শিক্ষাজীবন থেকেই আমি ছোট-খাট ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। বা এভাবে বলা যায়, আমার কর্মজীবন মূলত ছাত্রজীবন থেকেই শুরু হয়েছে। প্রিয় দাদা ও আপন ছোটো ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকাহত বাবা প্রচ- অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাদের পরিবারে সীমাহীন দুর্ভোগ নেমে আসে। নিজের শিক্ষা-উপকরণের খরচ যোগাতে তখন শহরের পাইকারি মার্কেট থেকে স্টেশনারী সামগ্রী কিনে সহপাঠীদের কাছে বিক্রি করতাম। বাবার চিকিৎসা খরচ ও অসুস্থতার মাত্রা বেড়ে চললে বাবার জমানো অর্থকড়িও ফুরিয়ে আসে, তখন একদিকে পরিবার ও অন্যদিকে বাবার চিকিৎসার ভাবনায় মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে সরাসরি ব্যাবসায় নেমে যাই। গার্মেন্টস থেকে রিজেক্ট তৈরি পোশাক কিনে ফেরি করে কিংবা ফুটপাতে বসে বিক্রি শুরু করি। তখন আমার বন্ধু, সহপাঠী ও দীনি ভাইদের মধ্যে কয়েকজন মহামানব ফেরেশতার মতো এগিয়ে এসেছেন; যাদের কাছে সারাজীবন আমি ঋণী হয়ে থাকবো। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। অর্থাৎ পারিবারিক প্রয়োজনের খাতিরেই প্রথম আমাকে ব্যবসার পথ বেছে নিতে হয় এবং সেই ছেলেবেলা থেকে নানা কারণে এই ভাবনাটা আমার মধ্যে প্রবল আকারে দানা বেঁধে ওঠে যে, অনেক ভালো কাজ করা এবং অনেক ভালো উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সচ্ছলতা খুব প্রয়োজন। ধীরে ধীরে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, দীন ও দুনিয়া উভয়ের জন্যেই হালাল অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যবসাই সবচে সুন্দরতম পথ।



কিপ রিডিং…

চিকিৎসাসেবা শুধু ব্যবসা নয়, মানুষের দোয়া পাওয়ার মাধ্যমও : অধ্যাপক মতিয়ার রহমান

ল্যাপারোসকপিক যন্ত্রের দ্বারা পিত্তথলি পাথর অপারেশনে দেশসেরা ও বিশ্ববিখ্যাত অভিজ্ঞ সার্জন হচ্ছেন অধ্যাপক মো. মতিয়ার রহমান। তিনি একজন সমাজসেবক এবং একজন কুরআন গবেষকও। বর্তমানে তিনি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ইনসাফ বারাকাহ কিডনি এন্ড জেনারেল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, দি বারাকাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং কুরআন রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।



খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার আরজি-ডুমুরিয়া গ্রামের এক ধার্মিক পরিবারে মতিয়ার রহমানের জন্ম। নিজ গ্রামের কওমি মাদরাসায় তার শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। মাদরাসায় ছয় বছর পড়ার পর ডুমুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন তিনি। ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালে যথাক্রমে ডুমুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও খুলনার দৌলতপুর সরকারি বিএম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন। এরপর ১৯৭৭ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন।সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর ১৯৭৯ সালে ইরাক চলে যান তিনি এবং ইরাকের জেনারেল হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে চার বছর চাকরি করেন। এরপর তিনি উচ্চ শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান এবং ১৯৮৬ সালে গ্লাসগো রয়েল কলেজ অব ফিজিসিয়ানস এন্ড সার্জনস থেকে সার্জারিতে এফআরসিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ইংল্যান্ডে রেসিডেন্ট পারমিট থাকলেও তা ত্যাগ করে তিনি ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট হিসেবে যোগ দান করেন। কুরআন গবেষণা এবং লেখালেখি করা মতিয়ার রহমানের একটি বিশেষ গুণ। ইসলামের নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর এখন পর্যন্ত তার লেখা ৩৩টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তন্মধ্যে ‘মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য’, ‘নামাজ কেন আজ ব্যর্থ হচ্ছে?’, ‘মুমিনের এক নাম্বার কাজ এবং শয়তানের এক নাম্বার কাজ’, ‘আল্লাহর ইচ্ছায় সবকিছু হয় কথাটির প্রকৃত ব্যাখ্যা’, ‘তাকদীর (ভাগ্য!) পূর্বনির্ধারিত তথ্যটির প্রচলিত ও প্রকৃত ব্যাখ্যা’, ‘Common sense-এর গুরুত্ব কতটুকু এবং কেন’, ‘অমুসলিম পরিবার ও সমাজে মানুষের অজানা মুমিন ও বেহেশতী ব্যক্তি আছে কি?’ ইত্যাদি সাড়া জাগানো গ্রন্থ। ‘আল কুরআন যুগের জ্ঞানের আলোকে অনুবাদ’ গ্রন্থের প্রধান সম্পাদক তিনি। এ ধরনের অনুবাদ পৃথিবীতে প্রথম। পড়াশুনা, চাকরি এবং আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে যোগ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে সফর করেছেন গুণী এই চিকিৎসক। চিকিৎসাসেবা ও ব্যবসা, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইসলাম এবং বর্তমান সময়ের চিকিৎসা ও হাসপাতাল ব্যবসার নানা দিক ও বিষয় নিয়ে তিনি প্রিয়.কম-এর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিপ রিডিং…

বাংলাদেশের মানুষ অতিথিপরায়ণ


ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের নবযাত্রা শুরু করবে। নতুন নতুন পরিকল্পনা, সেবার ধারা নিয়ে আগাম কথা বলেছেন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার মহাব্যবস্থাপক জেমস পি ম্যাক ডোনাল্ড। বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের এখনকার চিত্র আর সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আসাদুজ্জামান।


হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল আন্তর্জাতিকভাবে কবে থেকে যাত্রা শুরু করে?

ধন্যবাদ। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপের আওতাধীন ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস এবং রিসোর্ট আন্তর্জাতিকভাবে তাদের যাত্রা শুরু করে ১৯৪৬ সালের ৪ এপ্রিল। বিশ্বব্যাপী এই হোটেলটি ৭০ বছর ধরে সেবা দিয়ে আসছে। শুধু ইন্টারকন ব্র্যান্ডে পৃথিবীব্যাপী হোটেলের সংখ্যা ২০০। অন্যদিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল গ্রুপ নামে হোটেলের সংখ্যা সাড়ে চার হাজারের বেশি।

তিন দশক পর আপনারা আবার ঢাকায় ফিরলেন। এ নিয়ে কী বলবেন?

বাংলাদেশে এই হোটেলটি যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৬৬ সালে। ঢাকার মিন্টো রোডে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের প্রথম পাঁচতারা হোটেল হিসেবে। প্রথম পর্যায়ে ৩০০টি কামরা নিয়ে হোটেলটি শুরু হয়েছিল। ব্যবসায়িক দিক থেকে বাংলাদেশের গুরুত্ব রয়েছে। দিন দিন অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশের। বিদেশি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, পর্যটকরা বাংলাদেশে আসছেন। থাকছেন। এদের জন্য বিলাসবহুল সেবা দিতে প্রস্তুত হচ্ছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। কিপ রিডিং…

গো টু টপ