Tag archive

উইকিপিডিয়া

ওস্তাদ নোমান আলী খান— অ্যা গ্রেট টিচার অব হলি কোরআন


গ্রেট প্রিচার অব ইসলাম— ০২


নোমান আলী খান— আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন একজন মুসলিম দাঈ। পবিত্র কুরআনের জ্ঞানে তার অসাধারণ গভীরতা এবং সুন্দর উপস্থাপনা শৈলীর কারণে সমগ্র বিশ্বের মুসলিম তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। ওস্তাদ নুমান আলী খান যুক্তরাস্ট্রে অবস্থিত বাইয়্যিনাহ ইনস্টিটিউট নামক একটি আরবি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের CEO এবং প্রতিষ্ঠাতা। বায়্যিনাহর কোর্স ফান্ডামেনটালস অফ ক্লাসিক্যাল অ্যারাবিক এবং ডিভাইন স্পিচ -এর প্রধান বক্তা তিনি।

ওস্তাদ নোমান আলী খান বিশ্বাস করেন, মুসলিমদের দায়িত্ব হলো কেবল উন্নত ও সহজ পদ্ধতিতে কুরআনের বাণী পৌঁছে দেয়া; বাকি দায়িত্ব আল্লাহর। তিনিই সব করবেন। একই মাটিতে একই বৃষ্টির পানি পড়ার পরেও যেভাবে ভিন্ন ভিন্ন ফুলের জন্ম হয়, একই ওহী মানুষের কাছে পোঁছাতে পারলে সেরকম হাজার রকমের সম্ভাবনা ও পরিবর্তনের সূচনা হবে।

মুসলিম উম্মাহর ব্যাপারে অন্যরা যেখানে কেবল অভিযোগ আর সমস্যা চিহ্নিত করে, সেখানে নোমান আলী খান দেখেন সম্ভাবনা ও স্বপ্নের দ্বার। তিনি তরুণরে মাঝে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দেখতে পান। উম্মাহর ৭০ ভাগ তরুণকে যদি কেবল সঠিক অনুপ্রেরণা দেয়া যায়, তার বিশ্বাস, বিশ্বের চেহারাটাই পাল্টে যাবে।

মানুষকে কেবল কুরআন শিক্ষা দিয়েই যিনি বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিতে চান, তিনি হচ্ছে বর্তমানের সব থেকে আলোচিত ব্যক্তি নোমান আলী খান। কুরআনের চমৎকার শৈল্পিক সৌন্দর্য উপস্থাপনার জন্যে তিনি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের মুসলিম তরুণ প্রজন্মের কাছে এক জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। সারা বিশ্বের মুসলিম তরুণরা আজ তাকেই ফলো করে এবং তাকে নিজেদের মডেল হিসাবে কল্পনা করে। নিজেদেরকে নোমান আলীর মত করে গড়তে চান। কুরআনের শব্দচয়ন কতটা সৃজনশীল, ভাষা কতটা মনোমুগ্ধকর, অর্থ কতটা যৌক্তিক— এগুলোই নোমান আলী খানের চিন্তাভাবনা ও আলোচনার বিষয়। তার বক্তব্যে কুরআনের অন্তর্গত সৌন্দর্য ও মুজিযা মানুষের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে ওঠে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনার ও অনলাইনে তার বক্তব্য শুনে অসংখ্য মানুষ আলোর পথে আসছে এবং ইসলাম গ্রহণ করছে। তিনি প্রায় ২০টিরও অধিক তাফসীর গ্রন্থ পাঠ করেছেন। ফলে কুরআন নাজিলের ইতিহাস, শব্দচয়নের কারণ, ভাষার অলঙ্কার, অর্থের গভীরতা, যুক্তির প্রখরতা এবং ব্যাকরণগত শুদ্ধতার বিষয়গুলো তাঁর আলোচনায় ফুটে উঠে। কিপ রিডিং…

উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি

উইকি লাভস মন্যুমেন্টস (Wiki Loves Monuments)— উইকিপিডিয়ার সহযোগী একটি সংগঠন। নানামুখি আয়োজন ও ইভেন্ট দিয়ে এই সংগঠনটির পথচলা শুরু হয়। ২০১৭ সালে সংগঠনটি একটি ছবি তোলার প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। বিশ্বব্যাপী ৫৪টি দেশের ১০,০০০ জন আলোকচিত্রশিল্পীর জমা দেওয়া ২ লাখ ৪৫ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাইকৃত চূড়ান্ত ১৫টি ছবির এই তালিকা প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতার প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বব্যাপি পরিচিত করে তোলা।

২০১৭ সালে আয়োজিত ছবি প্রতিযোগিতার জমা হওয়া প্রায় আড়াই লাখ ছবি থেকে বিচারকদের দ্বারা প্রাথমিকভাবে ৪৮৯টি ছবি নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে ১৫টি ছবিকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাঠকের জন্য সেই ১৫টি ছবির প্রথম ১০টি ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়ে আজকের আয়োজন— উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি। চলুন তাহলে আর দেরি না করে উইকি লাভস মন্যুমেন্টসের ২০১৭ সালের সেরা ছবিগুলো দেখে নেই।

১. ভারতের খান্দোবা মন্দির ও ভান্দারা উৎসবের ছবি : প্রতিযোগিতার প্রথম স্থানটি অধিকার করেছে ভারত। ভারতের পুনেতে অবস্থিত খান্দোবা মন্দিরে ছবিটি ১৫টি ছবির তালিকার প্রথমস্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়েছে। এই মন্দিরটি এমনিতেই যথেষ্ট আকর্ষণীয়। বিশেষ করে ভান্দারা উৎসব তথা হলুদ উৎসবের সময় হলুদ রঙের পোশাক আবৃত ভক্তদের অংশ গ্রহণ আর হলুদের গুঁড়ো ছিটানো বিশেষ আয়োজনে পুরো মন্দিরের দৃশ্যটি অসাধারণ হয়ে ওঠে। এমন এক একটি মুহূর্তের বর্ণিল এই ছবিটি ধারণ করেছেন ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী প্রশান্ত সোমনাথ খারোট।

২. থাইল্যান্ডের রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি : প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে থাইল্যান্ডের খাও সাম রয়ি ইয়োট ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত প্রায়া নাখোন গুহার একটি রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি। গুহাটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার উঁচুতে তিয়ান পর্বতমালায় অবস্থিত। অসাধারণ এই ছবিটি ধারণ করেছেন আলোকচিত্রী জেনপপক।

৩. ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ছবি : রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের একটি ছবি প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকাতৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। ১৯৬৮ সালে নির্মিত এই মসজিদটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০,০০০। এছাড়া এই মসজিদটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধারণ ক্ষমতা বিশিষ্ট মসজিদগুলোর তালিকাতেওে রয়েছে। বাংলাদেশী আলোকচিত্র শিল্পী আজিম খান রনির তোলা অসাধারণ ছবিটিতে জুমার নামাজের সময় সেজদারত মুসল্লিদের নয়নাভিরাম একটি দৃশ্য উঠে এসেছে।

কিপ রিডিং…

কোন দেশের বিজয় দিবস কবে?


লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা


স্বাধীনতা— পরম আরাধ্য একটি বিষয়। স্বাধীনতা পরম স্বাদ ও উপভোগ্যতা কেবল তারাই অনুভব করতে সক্ষম, এখনও এই পৃথিবতে পরাধীনতার শিকলে যারা আবদ্ধ। প্রত্যেকটি মানুষই চায় স্বাধীনভাবে বাঁচতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্বাধীন এক খন্ড ভূমির আয়োজন করতে। মানুষের এই চাহিদা সহজাত। যৌক্তিক এবং মানবাধিকার। মানুষ তার এই অধিকারকে আদায় করার জন্য বা সুষ্ঠুভাবে ভোগ করার জন্য যুদ্ধ করেছে, লক্ষ লক্ষ এবং কোটি কোটি প্রাণ বিসর্জিত হয়েছে বিজয় নামক অর্জনের উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশরও এর ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর বাংলার মাটিতে অর্জিত হয়েছে বিজয়। এ উপলক্ষে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় বিজয় দিবস। বাংলাদেশের মতো বিশ্বের আরও বিভিন্ন দেশে বিজয় দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশের বিজয়ের এই দিনে চলুন আমরা এক নজরে জেনে নেই কোন দেশে কবে বিজয় দিবস পালিত হয় :— কিপ রিডিং…

গো টু টপ