Tag archive

ওস্তাদ নোমান আলী খান

ওস্তাদ নোমান আলী খান— অ্যা গ্রেট টিচার অব হলি কোরআন


গ্রেট প্রিচার অব ইসলাম— ০২


নোমান আলী খান— আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন একজন মুসলিম দাঈ। পবিত্র কুরআনের জ্ঞানে তার অসাধারণ গভীরতা এবং সুন্দর উপস্থাপনা শৈলীর কারণে সমগ্র বিশ্বের মুসলিম তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। ওস্তাদ নুমান আলী খান যুক্তরাস্ট্রে অবস্থিত বাইয়্যিনাহ ইনস্টিটিউট নামক একটি আরবি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের CEO এবং প্রতিষ্ঠাতা। বায়্যিনাহর কোর্স ফান্ডামেনটালস অফ ক্লাসিক্যাল অ্যারাবিক এবং ডিভাইন স্পিচ -এর প্রধান বক্তা তিনি।

ওস্তাদ নোমান আলী খান বিশ্বাস করেন, মুসলিমদের দায়িত্ব হলো কেবল উন্নত ও সহজ পদ্ধতিতে কুরআনের বাণী পৌঁছে দেয়া; বাকি দায়িত্ব আল্লাহর। তিনিই সব করবেন। একই মাটিতে একই বৃষ্টির পানি পড়ার পরেও যেভাবে ভিন্ন ভিন্ন ফুলের জন্ম হয়, একই ওহী মানুষের কাছে পোঁছাতে পারলে সেরকম হাজার রকমের সম্ভাবনা ও পরিবর্তনের সূচনা হবে।

মুসলিম উম্মাহর ব্যাপারে অন্যরা যেখানে কেবল অভিযোগ আর সমস্যা চিহ্নিত করে, সেখানে নোমান আলী খান দেখেন সম্ভাবনা ও স্বপ্নের দ্বার। তিনি তরুণরে মাঝে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দেখতে পান। উম্মাহর ৭০ ভাগ তরুণকে যদি কেবল সঠিক অনুপ্রেরণা দেয়া যায়, তার বিশ্বাস, বিশ্বের চেহারাটাই পাল্টে যাবে।

মানুষকে কেবল কুরআন শিক্ষা দিয়েই যিনি বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিতে চান, তিনি হচ্ছে বর্তমানের সব থেকে আলোচিত ব্যক্তি নোমান আলী খান। কুরআনের চমৎকার শৈল্পিক সৌন্দর্য উপস্থাপনার জন্যে তিনি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের মুসলিম তরুণ প্রজন্মের কাছে এক জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। সারা বিশ্বের মুসলিম তরুণরা আজ তাকেই ফলো করে এবং তাকে নিজেদের মডেল হিসাবে কল্পনা করে। নিজেদেরকে নোমান আলীর মত করে গড়তে চান। কুরআনের শব্দচয়ন কতটা সৃজনশীল, ভাষা কতটা মনোমুগ্ধকর, অর্থ কতটা যৌক্তিক— এগুলোই নোমান আলী খানের চিন্তাভাবনা ও আলোচনার বিষয়। তার বক্তব্যে কুরআনের অন্তর্গত সৌন্দর্য ও মুজিযা মানুষের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে ওঠে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনার ও অনলাইনে তার বক্তব্য শুনে অসংখ্য মানুষ আলোর পথে আসছে এবং ইসলাম গ্রহণ করছে। তিনি প্রায় ২০টিরও অধিক তাফসীর গ্রন্থ পাঠ করেছেন। ফলে কুরআন নাজিলের ইতিহাস, শব্দচয়নের কারণ, ভাষার অলঙ্কার, অর্থের গভীরতা, যুক্তির প্রখরতা এবং ব্যাকরণগত শুদ্ধতার বিষয়গুলো তাঁর আলোচনায় ফুটে উঠে। কিপ রিডিং…

পিতা-মাতা আমাদের জন্য কী করেছেন, আর আজ আমরা কী করছি?

ওস্তাদ নোমান আলী খান একটি লেকচারে একটি ঘটনা শুনিয়েছেন। তিনি বলছিলেন, আমার শিক্ষক আমাকে একটি ঘটনা শুনিয়েছিলেন। ঘটনাটা ঠিক এমন- একজন বাবা তার দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে একটি পার্কে হাটছিল। ছেলেটি একটি কাক দেখে বললো বাবা এটা কী?



বাবা বললো এটা হচ্ছে কাক। ছেলেটি আবার জিজ্ঞাসা করলো বাবা আবার উত্তর দিলো এটা হচ্ছে কাক। ছেলেটি আবার একই প্রশ্ন করলো বাবা আবার একই উত্তর দিলেন এটা হচ্ছে একটা কাকা। এই ভাবে ছেলেটি ১০ মিনিট বাবাকে একই প্রশ্ন করে গেলো আর বাবা একই উত্তর দিয়ে গেলেন। বাবা ছেলেকে বাবায় ফিরে গিয়ে একটি ডায়রিতে লেখে রাখলেন, আজ আমার ছেলে একটি কাক দেখে ৩০ বার প্রশ্ন করেছে এটা কী? আর আমি ৩০ বার উত্তর দিয়েছি এটা হচ্ছে একটা কাক। এটা ছিল পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর একটি জিনিস।

৩০ বছর পর ছেলের বয়স যখন ৩২ বছর। বাবা ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলো এখনকি তোর কাছে আসতে পারি? ছেলে বললো এখন দেখা করার সময় না।


একটিবার ভাবুন প্লিজ! আমাদের পিতা-মাতা আমাদের জন্য কী করেছেন, আর আমরা এখন তাদের জন্য কী করছি?


বাবা বললেন আমাকে ১০ মিনিট সময় দাও তাহলেই চলবে। বাবা ছেলের সাথে গাড়িতে করে বের হলেন এবং একটি পার্কে গেলেন, বাবা ছেলে এক সাথে হাট ছিলেন, বাবা ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলো এটা কী? ছেলে বললো তুমি কি আসলেই চানতে চাও এটা কি? এটা হচ্ছে কাক। বাবা আবার জিজ্ঞাসা করলো এটা কী? ছেলে এবার রেগে গিয়ে বললো আপনি কি দেখতে পাচ্ছ না এটা কী?  এটা হচ্ছে কাক। কিপ রিডিং…

গো টু টপ