Tag archive

কালচার

ফিলিস্তিনি গল্প— শোধ


মূল— ইবরাহিম নাসরুল্লাহ। ভাষান্তর— মিরাজ রহমান


বড় বেশি রকম পীড়াপীড়ি করছে নিয়াজ। রামাল্লায় আজ তাকে যেতেই হবে। কারোরই নিষেধ শুনছে না সে। বাবা নিষেধ করছে, মাতা বাধা দিচ্ছে কিন্তু কারো কোনো কথাই আজ শুনছে না নিয়াজ। মানছে না কারো কোনো নিষেধই। পরিস্থিতি মোটেও অনুকূলে নয়, মিলিটারি চেকপয়েন্ট, হয়রানি, কষ্টকর যাত্রা কিংবা হঠাৎ গুম হয়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে। তবুও  নিয়াজ  বললো, রামাল্লায় একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত সেটার সমাধান প্রয়োজন। যেভাবেই হোক আজকের মধ্যে রামাল্লায় আমাকে পোঁছতেই হবে। আর রাস্তার এসব কষ্ট, হয়রানি এবং এইসব অপমান— এতো আর নতুন কিছু নয়। হয়রানিকর এসব অস্বাভাবিকতাকে আমাদের জন্য স্বাভাবিক করে দিয়েছে ইসরায়েলিরা। অস্বাভাবিককতাকে মেনে নিয়ে জীবন তো আর থেমে থাকতে পারে না। কী আর করবো আমার? মৃত্যু না আসা পর্যন্ত এভাবেই চলতে হবে আমাদের, সম্মুখ পানে। জীবন যাপনের দিকে। আরো অনেক সামনে আমাদের গন্তব্য। এভাবে ঘরে বসে থাকলে তো আর সমাধান কিছু হবে না। কাজ চালিয়ে যেতে হবে। সামনে এগিয়ে চলতে হবে এবং সমস্যার সামাধান করতে হবে। আর এভাবেই এগিয়ে চলে একটি জীবন। ধীরে ধীরে এবং ধাপে ধাপে।

সবার কথা অমান্য কপর রামাল্লায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িতে এসে বসলো নিয়াজ। রামাল্লায় আজ তাকে যেতেই হবে। বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে আজ সে রামাল্লায় পৌঁছাতে না পারলে। তাই সেখানে যেতে তাকে হবেই— সোজা পথে হোক কিংবা বাঁকা পথে। গাড়িতে চড়ে কিংবা পায়ে হেঁটে অথবা হামাগুড়ি দিয়ে— যে কোনো উপায় অবলম্বনে হোক যেতে আজ তাকে হবেই হবে। গাড়িতে আরো অনেক যাত্রী রয়েছে তার মতো। কেউ রামাল্লায়, কেউ বা অন্য কোথার যাত্রী। গাড়ি চলছে বিভিন্নভাবে, নানা উপায়ে— কখনো পিচঢালা পথ বেয়ে, কখনো বা পাথুরে রাস্তায়। এলোমেলো ভাবে এগুচ্ছে নিয়াজদের গাড়ি।

লোকজন সবাই বিকল্প পথ খুঁজছে। চেকপয়েন্টের হয়রানি, হুমকি-ধমকি, নিদারুন শান্তি এবং মানসিক দুর্দশা এড়াতে চোরাপথে অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে সবাই। বর্তমান কালের ফিলিস্তিনি নাগরিকরা পিঁপড়ার দলের মতো অনেকটা। যখন পিঁপড়াদের ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে যায়, নষ্ট করে ফেলা হয় তাদের আবাসস্থল, তখন তারা বিকল্প আবাসন তালাশ করে। নতুন পথ আবিস্কার করে। দিনের পর দিন নতুনভাবে কাজ করে তারা। মাটির কণা-গুঁড়ি বয়ে নিয়ে যায় দূর থেকে বহুদূরে। ছোট ছোট সুড়ঙ্গ তৈরি করে চলাচলের জন্য। পাথুরে জমিনে কিংবা আরো ভয়াবহ কোনো জমিনই আটকাতে পারে না আবাসনহারা এই সব পিপিলিকার দলকে। হয়তো আবার এক মিনিট পড়েই ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা অন্য কারো ভুলে ভেঙ্গে যাবে তাদের এই নতুন আয়োজনও। তাই বলে কি থেমে থাকে পিঁপড়ারা। না, থেমে থাকে না তাদের জীবন, চলাচল। আবার শুরু হয় কাজ। আবার নির্মিত হয় বিকল্পধারা। নতুন আবাসন। নতুন ঘর-বাড়ি। নতুন রাস্তা-মোড়। ফিলিস্তিনি মানুষগুলোর অবস্থা এখন বলতে গেলে অনেকটাই পিঁপড়ার জীবন। নিত্য নতুন বিকল্প খুঁজতে হয় তাদেরকে। জীবন যাপনের বিকল্প, চলাচলের বিকল্প এবং আরো কত কি!

ধুলোয় ভরা পথ দিয়ে সামনের এগুতে থাকে মানুষগুলো। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য যে কোনো কিছুতে চড়তে রাজি তারা— হাঁটবে সোজা পথ ধরে কিংবা চড়বে পাথুরে ভূমিতে। গাদাগাদি করে বসবে একই গাড়িতে অথবা উঠবে কোনো মাটির প্রাচীরের বেয়ে— মোট কথা বিকল্প পথের অসহ্য ভোগান্তি সহ্য করাটাই এখন ফিলিস্তিনিদের নতুন এক বিকল্প জীবন। হঠাৎ হয়ত বা একটি ভুলডোজার এসে ভেঙ্গে দিবে তাদের বিকল্প পথচলা। কালো কালো পি-গুলো দ্বারা বন্ধ করে দেয় হবে রাস্তা। তারপর শুরু হবে আবার পথ খোঁজা। নতুন বিকল্প পথ আবিস্কার করা এবং সামনে এগিয়ে চলা। নতুন নতুন বিকল্প পথ আর পথচলার অনেক ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে এই মাটিতে। কতো ইতিহাস রচিত হচ্ছে এবং আরো কত ইতিহাসের জন্ম ঘটবে— কোনো সীমারেখা নেই তার। এককথায়, অসীম দৃঢ়তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি— বর্তমান ফিলিস্তিন। কিপ রিডিং…

২০১৭ সালে সর্বাধিক বিক্রিত ১০টি বাংলা ইসলামী বই

নবী করিম (সা.) এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, এক ঘণ্টা জ্ঞান অর্জন করা সারা রাত ইবাদত করার থেকে উত্তম। এখানে জ্ঞান অর্জন করা বলতে মূলত বই পড়ার ওপর সর্বাধিক তাগিদ দেয়া হয়েছে।

আল্লামা শেখ সাদী বলেছেন, জ্ঞানের জন্য তুমি মোমের মতো গলে যাও। কারণ জ্ঞান ছাড়া তুমি খোদাকে চিনতে পারবে না। একজন সৃষ্টিশীল মানুষ পৃথিবীতে বইয়ের বিকল্প কিছুই চিন্তা করতে পারেন না। সমাজ বদলাতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই। বই মানুষের জীবন সঙ্গী। বই অবসরের প্রিয় বন্ধু। বই পাঠ মানুষকে সত্য পথে চলতে, মানবতার কল্যাণে অনুপ্রাণিত করে। বই সুখের সময় মানুষের পাশে থাকে। দুঃখের সময় মনোবল বাড়াতে সাহায্য করে। যে লোকটি বইকে নিত্যদিনের সঙ্গী বানিয়েছে, সেই লোকটি সমাজের অন্য ১০ জন মানুষ চেয়ে ভিন্ন। তার মন-মনন আলাদা। চিন্তাচেতনা ভিন্ন। সহিষ্ণুতা আর বিশ্বাসের ধরনটাও আলাদা। ইচ্ছা করলেই বিবেক বিক্রি করে তিনি নষ্ট পথে ধাবিত হতে পারেন না। এক কথায় যিনি জ্ঞানী তিনি কখনই সমাজ বিপর্যয়ী কাজে অংশ নিতে পারেন না। একজন পাঠক মাত্রই জ্ঞানের সাধক। সৈয়দ মুজতবা আলী বই পড়া প্রবন্ধে লিখেছেন- বই কিনে কেউ তো কখনো দেউলিয়া হয়নি। বই কেনার বাজেট যদি আপনি তিনগুণও বাড়িয়ে দেন, তবুও তো আপনার দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বাংলাদেশে গড়ে ওঠা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে বই অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান রকমারি.কম। রকমারি.কম হচ্ছে বাংলাদেশে অন্যতম জনপ্রিয় পণ্য কেনার বা ই-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান। রকমারি.কম বলতে গোটা বাংলার মানুষের কাছে যে কথাটি স্পষ্ট সেটা হলো- বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে প্রকাশিত বই ঘরে বসে কিনতে চাইলে রকমারি.কমের বিকল্প নেই। রকমারি.কম থেকে ২০১৭ সালে যে সব বাংলা ইসলামী বই বেশি বিক্রি হয়েছে, তার মধ্য থেকে সর্বাধিক বিক্রিত ১০টি ইসলামী বইয়ের তথ্য নিন্মে তুলে ধরছি।

১০. সিরাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) মহানবীর প্রথম বিশদ জীবনী। বইটির মূল লেখক, ইবনে ইসহাক। আর অনুবাদ করেছেন শহীদ আখন্দ। সিরাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর লেখা বইটি ইবনে ইসহাককে ইতিহাসে অমরত্ব দিয়েছে। ইসলাম ধর্ম, মহানবী (সা.) এবং সে সময়ের আরবের ইতিহাস জানার জন্য সারা পৃথিবীর নিবেদিতপ্রাণ ধর্মানুসারী থেকে নিষ্ঠাবান গবেষক পর্যন্ত সবাই এ বইয়ের কাছে ফিরে ফিরে এসেছেন। অসংখ্য ধর্মীয় ও গবেষণাগ্রন্থের মধ্য দিয়ে নানা ভাষায় এ বইয়ের উদ্ধৃতি ও বিশ্লেষণ পৃথিবীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়েছে। মহানবী (সা.) মৃত্যুর পর লেখা এ বইটি তার প্রথম বিশদ জীবনী। বইটি প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশনী। বইটির মূল-১২৭৫ টাকা। ২০১৭ সালে রকমারি.কম থেকে যে সব ইসলামী বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, সেই তালিকায় দশম স্থানে রয়েছে এই বইটি। রকমারি.কম থেকে বইটি কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে এবং অর্ডার করুন। কিপ রিডিং…

২০১৭ সালে বাংলাদেশে যে ১০টি বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে

উইকিপিডিয়ার ভাষায়, বই— বলতে লেখা, ছাপানো অক্ষর বা ছবিবিশিষ্ট কাগজ বা অন্য কোনও মাধ্যমের তৈরি পাতলা শীটের সমষ্টি বোঝায় যা এক ধারে বাঁধা থাকে এবং রক্ষামূলক মলাটের ভেতরে আবদ্ধ থাকে। এর প্রতিটি পাতলা শিটকে পৃষ্ঠা বা পাতা বলে। বইয়ের সমার্থক শব্দ গ্রন্থ, কিতাব। যে ব্যক্তি বই লিখেন তাকে লেখক বলে।

বিশ্বের প্রতিটি দেশে প্রায় সব ভাষাতেই নানা বিষয়ের বই রয়েছে। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যাতিক্রম নয়। বাংলাদেশ নামক ছোট্ট এই দেশে বাংলা ভাষায় গ্রন্থ প্রকাশনা ও বিক্রির ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। হালে এসে প্রযুক্তির ডানায় ভর করে বই বিক্রির পদ্ধতিতে গতি এসেছে। সহজ হয়েছে বই ক্রয় করার পদ্ধতি। বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার মাধ্যমে অতীতের তুলনায় বাংলা ভাষায় প্রকাশিত বইয়ের বিক্রিও বেড়েছে, এমনটাই মতামত ব্যক্ত করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশে গড়ে ওঠা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে বই অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান রকমারি.কম। রকমারি.কম হচ্ছে বাংলাদেশে অন্যতম জনপ্রিয় পণ্য কেনার বা ই-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান। রকমারি.কম বলতে গোটা বাংলার মানুষের কাছে যে কথাটি স্পষ্ট সেটা হলো— বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে প্রকাশিত বই ঘরে বসে কিনতে চাইলে রকমারি.কমের বিকল্প নেই। এছাড়া বই ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে রকমারি.কমকে বাংলার অ্যামাজনও বলা হয়।

রকমারি.কম থেকে ২০১৭ সালে বাংলাদেশে যে সব বই বেশি বিক্রি হয়েছে, তার মধ্য থেকে সর্বাধিক বিক্রিত ১০টি বইয়ের তথ্য নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন— ২০১৭ সালে বাংলাদেশে যে ১০টি বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। ফিচারটি তৈরি করেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন রকমারি.কমের হেড অফ কমিউনিকেশন এন্ড ইনবাউন্ড মার্কেটিং মাহমুদুল হাসান সাদি

১০. শেষ চিঠি। বইটি লিখেছেন আয়েশা ফয়েজ। জীবনী ও স্মৃতিচারণ ক্যাটাগরির বই এটি। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত একুশে বইমেলাতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে তাম্রলিপি। বইটির মূল্য ১৬০ টাকা। প্রচ্ছদ করেছেন আহসান হাবীব। ২০১৭ সালে রকমারি.কম থেকে যে সব বাংলা বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, তার তালিকার দশম স্থানে রয়েছে এই বইটি। আয়েশা ফয়েজ বিখ্যাত একজন রত্নগর্ভা মা। তার ছেলেরা হলেন হুমায়ুন আহমেদ, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এবং আহসান হাবীব। রকমারি.কম থেকে বইটি কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে এবং অর্ডার করুন। কিপ রিডিং…

ফিলিস্তিনি গল্প— পোস্টারে সেঁটে থাকা সেই মেয়েটি


মূল— দিমা শাইবানি। ভাষান্তর— মনযূরুল হক


ক্ল্যারিফিকেশন— এ গল্পটি একজন আরব নারীর জীবন কাহিনী অবলম্বনে রচিত। এই মহিয়সী নারীর নাম ‘হানা শাইবানি’। ফিলিস্তিন মুক্তিযুদ্ধে শহিদ প্রথম ইরাকি যোদ্ধা।

হানা শাইবানি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালের ২৭ আগস্ট। ১৯৫৬ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে বাথ পার্টির সদস্য হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৫৮ সালে পার্টির মহিলা সদস্যাদের নেত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৬১ সালের দিকে দুর্নীতির ঘটনার প্রতিবাদে তিনি বাথ পার্টি ত্যাগ করেন এবং ইয়াসির আরাফাতসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৭ মার্চ ১৯৭০ সালে তিনি আন্দোলনরত অবস্থায় মাত্র ২৮ বছর বয়সে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।


সবাই বলে আমি নাকি আজন্মই খুব গল্পপ্রিয় মানুষ। আমার নিজের কাছেও তা-ই মনে হয়। গল্প শুনতে সব সময়ই বিশেষ ভালো লাগে আমার। ভালো লাগে শোনাতেও। কিন্তু ভূত-প্রেতের অহেতুক কিসসায় আমার বিরক্তি ভীষণ। শিশুরা কেউ যদি আমার কাছে গল্প শুনতে আসে, তাহলে আমি তাদের সেই সব কাহিনী গল্পের মতো করে সাজিয়ে বলি, যা তাদের মন-মগজকে শুধরে সুস্থ চিন্তার পথ তৈরি করে দেয়।

বহু মনমাতানো গল্পকথা মুখস্ত ছিলো আমার। হয়তো ছেলেবেলায় শুনেছি, অথবা শিশুতোষ বইগুলোতে পড়েছি। কিন্তু এক্ষণে বয়সকালের সব সূত্রাদি ছিঁড়েফুঁড়ে উপর্যুপরি নাবছিলাম একটি স্বপ্ন জাগানিয়া সুরের সন্ধানে। কাউকে শোনাতে নয়, নিজেই স্মরণ করতে চাইছিলাম যে, কী ঘটেছিলো তখন।

আমার চিরদিনের অভ্যাস, ছোট ছোট বিষয় থেকে গল্পের সূত্র খুঁজে বের করা। যেমন, বাড়িতে ভিক্ষুক এসেছে। আমি ভাবতাম, কেনো সে ভিক্ষা করছে। হয়তো তাকেই সেটা জিজ্ঞেস করতাম। অথবা তার পিছু লেগে থাকতাম, তার জীবনের গল্পটা উদ্ধার করার জন্যে। কিংবা হয়তো দেখা যেতো, রাস্তায় একটা চশমা পড়ে আছে। সেই চশমাটা কার হতে পারে, কী করে ফেলে গেলো, এ নিয়ে ভাবনার অন্ত ছিলো না আমার। সংবাদপত্রের বিজ্ঞপ্তি, বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠায় লেখা উপহার বাক্য, বাড়ির পাশের মরে যাওয়া যাইতুন গাছটার রোপনকর্তা, অথবা পুরোনো সুটকেসে নেকড়ার মতো ময়লা হয়ে থাকা এক খ- কাপড়রই হতে পারতো আমার গল্পের উৎস সন্ধানের বিষয়। বাড়ির মানুষ, পড়শি, স্বজন, পথের অপরিচিত যেই হোক কারো কাছে কোনো গল্প বা ঘটনা জানতে চাইতে আমার কোনো সংকোচ ছিলো না কখনোই। ফলে অল্প বয়সেই নানান গল্পের একটা ভা-ার জমা হয়ে গেছে আমার স্মৃতিতে।

গল্পের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণেই কখনো কখনো একটা গল্পের সঙ্গে আরেকটা গল্পের সূত্র জোড়া লেগে গিয়ে মাঝমধ্যে এমন কিম্ভূত পরিস্থিতিরও উদয় হতো যে, আমি রীতিমতো লজ্জায় পড়ে যেতাম। অনক সময় রাশি রাশি গল্পের স্তূপের তলে চাপা পড়ে থাকা কোনো একটা গল্প মগজ নাড়া দিয়ে যেতো। কিন্তু মাথা থেকে মুখে আনতে গিয়েই লাগতো গোলমাল। অর্থাৎ মাথায় আছে, কিন্তু মনে আসছে না। অথবা মনেও আসছে কিন্তু ধরে রাখতে পারছি না বেশিক্ষণ।

আজো মনে হচ্ছে, তেমন কিছু একটা ঘটেছে। আমি মনে করতে চাইছি। অথচ মনে আসছে না। আবার একটু একটু করে মনে আসছে। কিন্তু মুখে আসছে না। বাসার সামনের দেয়ালে নানুর লাগানো পোস্টারটা দেখে পুরোনো একটা গল্প চাগিয়ে উঠতে চাইছে। বারংবার চোখের পাতায় ভেসে উঠছে তেমনই একটা মলিন পোস্টার। দেয়ালে সাঁটা বিবর্ণ একটা ছবি। তাতে কিছু হরফ, লাল কালিতে লেখা কতগুলো অক্ষর জ¦ল জ¦ল করছে যেনো।

আমি মনে হয় নানুর সাথে কোনো শপিং মলে গিয়েছিলাম সেদিন। কী কী কিনেছিলাম মনে নেই। তবে এইটুকু মনে আছে যে, আমাদের কারো হাতে কোনো শপিং ব্যাগ ছিলো না। হয়তো কিছুই কিনি নি। নানুর সাথে ঘুরতে বেড়ানোই উদ্দেশ্য ছিলো শুধু। মনে পড়ছে, নানু আমার হাত ধরে আছেন, আর আমরা এক পা এক পা করে সিঁড়ি ভেঙ্গে নামছি। শপিংমলের বাইরে এসে আমি নানুর হাতটা ছেড়ে দিলাম। কারণ আমি সেখানের দেয়ালে একটা মেয়ের পোস্টার দেখতে পাচ্ছিলাম। একটা কিশোরী মেয়ের ছবি আঁকা পোস্টার। সম্ভবত আমার বয়েসিই হবে মেয়েটা।

আশ্চর্য হয়েই পোস্টারটার সামনে দাঁড়ালাম আমি। একটা কিশোরী মেয়ে কী করে এমন একটা পোস্টারে জায়গা করে নিলো ভেবে পাচ্ছিলাম না আমি। ঈর্ষায় জ্বলে গেলো ভেতরটা। আরো একটু কাছাকাছি হয়ে পোস্টারের লেখাগুলো পড়তে চেষ্টা করলাম আমি। তাতে লেখা ছিলো— “মৃত্যু অবশ্যই আসবে, কিন্তু উপযুক্ত মূল্য না পেলে মৃত্যুকে কিছুতেই বরণ করা উচিত নয়; আর স্বাধীনতার চেয়ে উপযুক্তমূল্য আর কিছুই হতে পারে না।”

অবাক হয়ে গেলাম আমি। আমার মতো একটা মেয়ে কী করে এতো কঠিন কথা বলতে পারে! অনেকগুলো পোস্টার দেয়ালটা জুড়ে। বিচিত্র বিজ্ঞাপনে ঠাসা দেয়ালটা। তবে সবচে’ সুন্দর ছিলো সম্ভবত এই পোস্টারটাই। একটা নয়, পর পর একসাথে চার-পাঁচটা পোস্টার ছিলো এই একই ছবি আর লেখা দিয়ে তৈরি। কেউ দেখে ফেললে বকবে, সে ভয়ের কথা না ভেবেই একটা পোস্টার টেনে নামিয়ে আনলাম আমি। এবং দুহাতে মুড়ে জামার হাতার ভেতরে লম্বালম্বি ঢুকিয়ে রাখলাম, যেনো হঠাৎ করেই কেউ বুঝতে না পারে যে, আমার কাছে কিছু একটা আছে।

হ্যাঁ, এখন আমার স্পষ্ট মনে পড়ছে ঘটনাটা। রাতে পড়ার রুমে বসে আমি চুপি চুপি পোস্টারটা বের করে আবার টেবিলে রাখলাম। অথচ সেটা কোনো গোপন বিষয় ছিলো না। তবু আমার মনে হলো, এটা দেখলে অন্যরা হয়তো অযাচিত ভেবে আমাকে বোকা বলতে পারে। হয়তো আমার ভাইয়েরা হাসাহাসি করবে আর আমার বোকামি সবাইকে বলে বেড়াবে। খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে লাগলাম পোস্টারের রঙ, ছবি আর লেখাগুলো। হতে পারে তখন কিছু বাদ পড়ে গেছে যা আমার পড়া হয় নি। চারকোণা একটা পোস্টার। চারপাশে সাদা-কালো ডোরাকাটা আল্পনা আঁকা ফ্রেম। ছবিটা পোস্টারের গায়ে কোণাকুণিভাবে লাগানো। মনে হচ্ছে মেয়েটা একটু কাত হয়ে আছে। আর ছবির একেবারে নীচে বড় বড় করে লাল হরফে লেখা— ‘মৃত্যু অবশ্যই আসবে, কিন্তু উপযুক্ত মূল্য না পেলে মৃত্যুকে কিছুতেই বরণ করা উচিত নয়; আর স্বাধীনতার চেয়ে উপযুক্ত মূল্য আর কিছুই হতে পারে না। কিপ রিডিং…

কোন দেশের বিজয় দিবস কবে?


লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা


স্বাধীনতা— পরম আরাধ্য একটি বিষয়। স্বাধীনতা পরম স্বাদ ও উপভোগ্যতা কেবল তারাই অনুভব করতে সক্ষম, এখনও এই পৃথিবতে পরাধীনতার শিকলে যারা আবদ্ধ। প্রত্যেকটি মানুষই চায় স্বাধীনভাবে বাঁচতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্বাধীন এক খন্ড ভূমির আয়োজন করতে। মানুষের এই চাহিদা সহজাত। যৌক্তিক এবং মানবাধিকার। মানুষ তার এই অধিকারকে আদায় করার জন্য বা সুষ্ঠুভাবে ভোগ করার জন্য যুদ্ধ করেছে, লক্ষ লক্ষ এবং কোটি কোটি প্রাণ বিসর্জিত হয়েছে বিজয় নামক অর্জনের উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশরও এর ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর বাংলার মাটিতে অর্জিত হয়েছে বিজয়। এ উপলক্ষে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় বিজয় দিবস। বাংলাদেশের মতো বিশ্বের আরও বিভিন্ন দেশে বিজয় দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশের বিজয়ের এই দিনে চলুন আমরা এক নজরে জেনে নেই কোন দেশে কবে বিজয় দিবস পালিত হয় :— কিপ রিডিং…

দাবিক তত্ত্ব ও র‍্যাবের একটি প্রকাশনা



নৌসেনাপতির রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী ‘দ্য এডমিরাল’

ষোড়শ শতকের অটোমান সাম্রাজ্যের একজন নৌসেনাপতির রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী ‘দ্য এডমিরাল’। তুর্কি উসমানী খেলাফতের নৌসেনাপ্রধান সাইয়েদ আলি রাইসের লেখা এডভেঞ্চারপূর্ণ গ্রন্থটি সঙ্গত কারণেই লাভ করেছে চিরায়ত ইতিহাসের মর্যাদা। এতে বিবৃত হয়েছে পর্তুগিজ জলদস্যুদের সাথে সংঘটিত এডমিরালের রোমহর্ষক সমুদ্রযুদ্ধ, জলদস্যুদের তাড়া করতে গিয়ে কূলহারা আরব সাগরের বুকে হারিয়ে যাওয়া, তরঙ্গবিক্ষুব্ধ ভারত মহাসাগরের ভাগ্যরোহিত ভয়াল দিনগুলি, সমুদ্রঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে আসা, ভারতবর্ষসহ বিস্তীর্ণ মধ্য ও পশ্চিম এশিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ধর্মীয় ও সামাজিক চিত্রাবলী, অতি নিকট থেকে দেখা মোঘল সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক বিবরণ ইত্যাদি।


বইয়ের নাম বই : মিরআতুল মামালিক- দ্য অ্যাডমিরাল, মূল: সাইয়িদি আলি রইস (সিদি আলি রেইজ), অনুবাদক : সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর, প্রকাশনী : নবপ্রকাশ, বাংলাবাজার, ঢাকা, মুদ্রিত মূল্য: ১৫০/-। বইটি রকমারি.কম থেকে কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


ইরান তুরান খোরাসান কাবুল দিল্লি সিন্ধু গুজরাট বসরা মসুল তিকরিত বাগদাদ বোখারা সমরকন্দ সহ এশিয়া মাইনরের বিস্তীর্ণ এলাকা ভ্রমণ করেন তিনি। বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে বইটি বিশেষ গুরুত্ব রাখার কারণ হলো লেখক বাংলাদের চট্টগ্রামেও ভ্রমণ করেছেন পনেরো শতকের উত্তাল সে সময়টিতে। কিপ রিডিং…

শিল্প-সাহিত্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ

আমাদের জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধ এক আলোকিত অধ্যায়। আমাদের চেতনাজুড়ে ছড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ আর ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এদেশের স্বাধীনতা। আমাদের শিল্প-সাহিত্য চর্চাকেও স্বাভাবিকভাবে প্রভাবিত করেছে মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বাংলা সাহিত্যে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস আর নাটক লেখার পালা। গত ৪৫ বছরে আমরা তাই পেয়েছি অসংখ্য মননশীল সাহিত্যকর্ম।

উপন্যাস দিয়েই শুরু করা যাক। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে নানা যৌক্তিক কারণে বদলেছে আমাদের উপন্যাসের প্রেক্ষাপট, পটভূমি। সেইসঙ্গে বদলেছে চরিত্রের চিত্রায়ণের দৃশ্যপট। বলা যায়, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে আমাদের ঔপন্যাসিকরা সন্ধান করেছেন এক নতুন শিল্পরীতির। যে রীতিতে তাঁরা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতের পাশাপাশি জনমানুষের আকাক্সক্ষার চিত্র তুলে ধরেছেন পাঠক সমীপে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোতে আমরা শুধু গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নিরস্ত্র মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, অবরুদ্ধ মানুষের যন্ত্রণাদগ্ধ যাপিত জীবন, বন্দি শিবিরে অবর্ণনীয় নিপীড়ন, নারী ধর্ষণের বর্ণনাই পাই না। বরং মানুষের নতুনভাবে জেগে ওঠার বীজমন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতান্ত্রিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার বাস্তব চিত্রের সার্থক প্রতিফলনও দেখতে পাই। আমাদের উপন্যাসে এ ধারার উল্লেখযোগ্য সংযোজন হচ্ছে আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’, আমজাদ হোসেনের ‘অবেলায় অসময়’, মাহমুদুল হকের ‘জীবন আমার বোন’, সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের ‘জীবনতরু’, শওকত আলীর ‘অবশেষে প্রপাত’ ও ‘যাত্রা’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’, হাসনাত আবদুল হাইয়ের ‘তিমি’, রিজিয়া রহমানের ‘একটি ফুলের জন্য’, রাহাত খানের ‘ছায়া দম্পতি’, শওকত ওসমানের ‘দুই সৈনিক’, ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ ও ‘নেকড়ে অরণ্য’, রাবেয়া খাতুনের ‘ফেরারি সূর্য’, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলে কোঠার সেপাই’, রশীদ হায়দারের ‘অন্ধকথা মালা’ ও ‘খাচায়’, শামসুর রাহমানের ‘অদ্ভুত আঁধার এক’, আহমদ ছফার ‘ওঙ্কার’, সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, হুমায়ূন আহমেদের ‘দেয়াল’, ইমদাদুল হক মিলনের ‘ঘেরাও’ ও ‘কালো ঘোড়া’, আনিসুল হকের ‘মা’ ইত্যাদি। কিপ রিডিং…

পবিত্র কোরআনের সহজপাঠ সহজ কুরআন

সহজ কুরআন- বইটিতে সেই ১৭ টি সূরার অনুবাদ ও ব্যাখ্যা সঠিক ও সহজবোধ্য করে লেখা হয়েছে যে সমস্ত সূরাগুলো বাল্যকালে শিখা হয়ে থাকে। পাশাপাশি প্রতিটি সূরার বিশুদ্ধ উচ্চারণও উল্লেখ করা হয়েছে। যা একাধারে যে কোন ব্যাক্তিকে উক্ত সূরাগুলো পড়তে এবং এর অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।


বইটি প্রকার করেছে আদর্শ। ঠিকানা ১৭৬ ফকিরাপুল, ঢাকা। ফোন : ০১৭১২২৯১৬৪৪, ০১১৯১২৩২৭৭৪। রকমারি.কম থেকে বইটি কিনতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে…


বইটিতে কোন ঘটনা বর্ণনার ক্ষেত্রে কুরআন হাদিসের আলোকে অধিকতর সঠিকতার প্রতি সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে। সেই সাথে সাথে সাবলিল ভাষা সাহিত্যের প্রতিও সর্বাধিক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। বইটিতে যুগপোযুগী বিষয় বস্তু দ্বারা কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। সময়ের দাবী অনুযায়ী গ্রন্থটি এক অনবদ্য সৃষ্টি। যা বাংলা ভাষাবাসীদের জন্য যুগের শ্রেষ্ঠ উপহার বলে বিবেচ্য হবে।

কিপ রিডিং…

নারীদের সফলতার রহস্যের ব্য়ান তুমি সৌভাগ্যের রানী


তুমি সৌভাগ্যের রানী। বইটি লেখা হয়েছে মূলত একজন ঈমানদার নারীকে দীনের সৌভাগ্য এবং আল্লাহর করুণা ও দক্ষিণা নিসিক্ত করে দেয়ার উদ্দেশ্যে। এই বই বিষাদগ্রস্ত ও হতাশায় নিমজ্জিত হৃদয়গুলোকে আশা ও আনন্দের আঁচলে জড়িয়ে নেবে। এই বইটি তার পাঠককে ডেকে ডেকে বলে ধৈর্য ধরো এবং আল্লাহর কাছে প্রতিদান পাবার আশা রাখো। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ে যেয়ো না। মহান আল্লাহ তোমার জন্য সর্বাস্থায় তোমা সাথে আছেন। আল্লাহই তোমার সহায়ক, তোমার বন্ধু। সুতরাং তোমরা তার উপর আশা রাখ।

বাংলাদেশে বইটি প্রকাশ করেছে, আকিকপাবলিকেশন্স এদারায়েকুরআন। ১১/১ ইসলামী টাওয়ার, বাংলা বাজার ঢাকা। ফোন নম্বর: ৯৫৮৯৮৫২ ও ০১৭২৪-৬০৪১৩৬। এই প্রকাশনি বইটি প্রথম প্রকাশ করে ২০১৫ সালে। বইটি রকমারি.কম থেকে কিনতে প্রবেশ করুন এই লিঙ্কে…
কিপ রিডিং…

গো টু টপ