Tag archive

ফটোগ্রাফি

  • w-01.jpg
  • w-02.jpg
  • w-03.jpg
  • w-04.jpg
  • w-05.jpg
  • w-06.jpg
  • w-07.jpg
  • w-08.jpg
  • w-09.jpg
  • w-10.jpg
  • w-11.jpg

শীতকালীন প্রকৃতির ১১টি সেরা ছবি

শীত বাংলা সনের পঞ্চম ঋতু। পৌষ ও মাঘ মাস এই দুই মাস মিলে শীতকাল। শীত মানেই হিমহিম কনকনে ঠাণ্ডার অনুভূতি। কথায় বলে—’মাঘের শীতে বাঘ কাঁপে’। শুধু বাঘ নয়, পৌষ-মাঘে যখন কনকনে শীত পড়ে তখন অনেক মানুষও কাঁপে শীতে— বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের গরিব মানুষেরা। কিন্তু শীত শুধু হাড়ই কাঁপায় না; নানান বৈচিত্র্য আর মজাদার উপহারের ডালি নিয়েও আসে আমাদের জন্য। শীতে বাংলাদেশের গ্রাম-প্রকৃতি সন্ধ্যার আগে থেকেই শিশির আর কুয়াশার চাদর মুড়ি দিতে শুরু করে।

শীতকাল অন্যসব ঋতু থেকে আলাদা গুরুত্ব পেয়ে থাকে। বাংলার রূপ বৈচিত্র্যের অনেকখানি জায়গা জুড়ে শীতের অবস্থান। হেমন্তের সোনালি ডানায় ভর করে হিমেল হাওয়া সাথে নিয়ে কুয়াশার রহস্যময় চাদর জড়িয়ে আসে শীত। শীত বাঙালির প্রিয় ঋতু।

শীত আসে আমাদের প্রকৃতিকে বদল করে দিতে। নতুন করে প্রকৃতিকে সাজিয়ে দেবার পূর্বপ্রস্তুতি হলো শীত। শীতের রিক্ততা পুরনো পাতা ঝরিয়ে দিলেই নতুন পাতা নিয়ে আসে বসন্ত। তারপরই চলে যায় শীত।  শীতকে কেউ ভেবেছেন উৎসব, কেউ-বা মৃত্যু। অনেকে হতাশা ও আশাহীনতার কাল হিসেবে বিবেচনা করেছেন শীতকে। লেখকের লেখার টেবিল পাড়ি দিয়ে শীতকাল প্রভাব বিস্তার করেছে ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরাতেও। শীতকালের শীতল স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য শীতকালীন প্রাকৃতি নানান আঙ্গিকের ছবি তুলেছেন ক্যামেরাপারসনগণ। শীতকালে তোলা বিখ্যাত কিছু ছবি নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন-  শীতকালীন প্রকৃতির ১১টি সেরা ছবি। ব্রেডপান্ডা.কম থেকে তথ্য নিয়ে ফিচারটি তৈরি করেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা

ছবি-০১

কিপ রিডিং…

ক্যামেরার চোখে ঘটনাবহুল ২০১৭


ফিরে দেখা ২০১৭


২০১৭ সালকে বিদায় জানিয়ে ২০১৮ সালে উপস্থিত আমরা।  এভাবেই চলে আসছে এবং চলতে থাকবে- একের পর একটি বছর শেষ হবে এবং শুরু হবে নতুন আরেকটি বছর।  বর্ষপরিক্রমার এই অমোঘ নিয়ম মেনেই চলছে সব।  সামনে এগুচ্ছে পৃথিবী।  ভারি হচ্ছে অভিজ্ঞতার ইতিহাস। সমৃদ্ধ হচ্ছে আগামীর পথচলা।  পেছনে ফেলা আসা বছরগুলোকে কি আমরা ভুলে যাই নাকি স্মরণ রাখি? সাদাসিদে উত্তর হলো- একেবারে ভুলেও যাই না আবার খুব বেশি স্মরণ রাখি না। যখন যতটুকু প্রয়োজন স্মরণ রেখে সামনে এগিয়ে চলা।

প্রত্যেকটি বছরই গুরুত্বপূর্ণ।  প্রতি বছরেই ঘটনাবহুল অনেক ইতিহাসের জন্ম হয়।  ২০১৭ সালও তার ব্যতিক্রময় নয়। এ বছরটিতে বিশ্বব্যাপি অনেক ঘটনা ঘটেছে। অনেক আয়োজন-উৎসব এবং উদ্ভব-আবিস্কারে স্নাত হয়েছে বিগত বছরের প্রতিটি মাস, প্রায় প্রতিটি দিন।  ২০১৭ সালে সংঘঠিত উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর ছবিনির্ভর ফিচার- ক্যামেরার চোখে ঘটনাবহুল ২০১৭। দ্য নিউ ইর্য়ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ছবি ও তথ্য নিয়ে ফিচারটি তৈরি করেছেন মিরাজ রহমান

জানুয়ারি

১।  নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের অভিষেক অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

২।  অভিষেক অনুষ্ঠানে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

৩।  নারীদের বিক্ষোভ মিছিলে দান করার জন্যে ‘পুশি হ্যাট’ বানাচ্ছেন কিছু স্বেচ্ছাসেবক।

৪।  অভিষেক অনুষ্ঠানে ‘মাই ওয়ে’ গানে নাচছেন ট্রাম্প এবং মেলেনিয়া।

৫। ওয়াশিংটনে নারীদের বিক্ষোভ মিছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ত হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের পরই সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ বিক্ষোভকারী এতে অংশগ্রহণ করে।

৬।  প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতাগ্রহণের প্রতিবাদে ন্যাশনাল মলের দিকে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ যাত্রা।

৭।  মসুলকে সম্পূর্ণরূপে আইএস মুক্ত করার অভিযান চলাকালে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরবর্তী মুহূর্ত পরীক্ষা করছে ইরাকি সেনাবাহিনী।

৮।  সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে নামাজ পড়ছেন কিছু অভিবাসী।

৯। ‘দ্য ফোর টেম্পেরামেন্টস’ এর জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিউ ইয়র্ক সিটি ব্যালে কর্পোরেশনের একজন সদস্য। কিপ রিডিং…

১০টি বিখ্যাত শহরের ১০টি প্রচীনতম ছবি!

১৮২৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী জোসেফ নিসেফর নিয়েপ্স হেলিওগ্রাফ প্রক্রিয়ায় ছবি তোলার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এর কয়েক বছরের মধ্যেই তার সহযোগী এবং আরেক ফরাসী ফটোগ্রাফার এবং উদ্ভাবক লুই ড্যাগার যখন অপেক্ষাকৃত দ্রুতগতিতে ড্যাগারোটাইপ প্রক্রিয়ায় ছবি তোলার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, তখন থেকেই দেশে দেশে ফটোগ্রাফাররা ঘুরে বেড়াতে শুরু করেন আকর্ষণীয় দৃশ্যগুলোকে ফ্রেমে বন্দী করে রাখার উদ্দেশ্যে। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমদিকে তোলা ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিশ্বের প্রধান প্রধান শহরগুলোর বিখ্যাত স্থাপনা, প্রধান চত্বর, অথবা গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো। ফিচারটি লিখেছেন মোজাম্মেল হোসাইন তোহা

জেরুজালেম/আল-কুদস : ১৮৪৪ সালে তোলা এই ছবিটি আল-কুদসের কোব্বাতুস সাখরা তথা ডোম অফ দ্য রকের সবচেয়ে প্রাচীন ছবি। সে সময় আল-কুদস ছিল উসমানীয় (অটোমান) সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছোট একটি শহর, যার জনসংখ্যা ছিল মাত্র ১৫,০০০। ছবিটি তুলেছিলেন ফরাসী ফটোগ্রাফার জোসেফ ফিলিবার্ট গিরো ডি প্রাঞ্জে। মূল ছবিটি ১৮৪৪ সালে তোলা হলেও তার সন্ধান পাওয়া যায় ১৯২০ সালে, তার মৃত্যুর বহু বছর পর, তার স্টোর রুম থেকে। গিরো ডি প্রাঞ্জে মধ্যপ্রাচ্যের স্থাপত্যের প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। ছবি তোলার প্রযুক্তি আবিষ্কারের পরপরই তিনি ফরাসী চিত্রশিল্পী এবং উদ্ভাবক লুই ড্যাগারের কাছ থেকে ড্যাগারোটাইপ পদ্ধতিতে ছবি তোলার উপর প্রশিক্ষণ নেন এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপত্যের প্রায় ৯০০ ছবি তোলেন।


১৮৪৪ সালে তোলা জেরুজালেমের প্রাচীনতম ছবি


কিপ রিডিং…

উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি

উইকি লাভস মন্যুমেন্টস (Wiki Loves Monuments)— উইকিপিডিয়ার সহযোগী একটি সংগঠন। নানামুখি আয়োজন ও ইভেন্ট দিয়ে এই সংগঠনটির পথচলা শুরু হয়। ২০১৭ সালে সংগঠনটি একটি ছবি তোলার প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। বিশ্বব্যাপী ৫৪টি দেশের ১০,০০০ জন আলোকচিত্রশিল্পীর জমা দেওয়া ২ লাখ ৪৫ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাইকৃত চূড়ান্ত ১৫টি ছবির এই তালিকা প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতার প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে বিশ্বব্যাপি পরিচিত করে তোলা।

২০১৭ সালে আয়োজিত ছবি প্রতিযোগিতার জমা হওয়া প্রায় আড়াই লাখ ছবি থেকে বিচারকদের দ্বারা প্রাথমিকভাবে ৪৮৯টি ছবি নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে ১৫টি ছবিকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাঠকের জন্য সেই ১৫টি ছবির প্রথম ১০টি ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়ে আজকের আয়োজন— উইকিপিডিয়ার চোখে ২০১৭ সালের সেরা ১০টি ছবি। চলুন তাহলে আর দেরি না করে উইকি লাভস মন্যুমেন্টসের ২০১৭ সালের সেরা ছবিগুলো দেখে নেই।

১. ভারতের খান্দোবা মন্দির ও ভান্দারা উৎসবের ছবি : প্রতিযোগিতার প্রথম স্থানটি অধিকার করেছে ভারত। ভারতের পুনেতে অবস্থিত খান্দোবা মন্দিরে ছবিটি ১৫টি ছবির তালিকার প্রথমস্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়েছে। এই মন্দিরটি এমনিতেই যথেষ্ট আকর্ষণীয়। বিশেষ করে ভান্দারা উৎসব তথা হলুদ উৎসবের সময় হলুদ রঙের পোশাক আবৃত ভক্তদের অংশ গ্রহণ আর হলুদের গুঁড়ো ছিটানো বিশেষ আয়োজনে পুরো মন্দিরের দৃশ্যটি অসাধারণ হয়ে ওঠে। এমন এক একটি মুহূর্তের বর্ণিল এই ছবিটি ধারণ করেছেন ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী প্রশান্ত সোমনাথ খারোট।

২. থাইল্যান্ডের রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি : প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে থাইল্যান্ডের খাও সাম রয়ি ইয়োট ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত প্রায়া নাখোন গুহার একটি রাজকীয় প্যাভিলিয়নের ছবি। গুহাটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার উঁচুতে তিয়ান পর্বতমালায় অবস্থিত। অসাধারণ এই ছবিটি ধারণ করেছেন আলোকচিত্রী জেনপপক।

৩. ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ছবি : রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের একটি ছবি প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত ১৫টি ছবির তালিকাতৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। ১৯৬৮ সালে নির্মিত এই মসজিদটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০,০০০। এছাড়া এই মসজিদটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধারণ ক্ষমতা বিশিষ্ট মসজিদগুলোর তালিকাতেওে রয়েছে। বাংলাদেশী আলোকচিত্র শিল্পী আজিম খান রনির তোলা অসাধারণ ছবিটিতে জুমার নামাজের সময় সেজদারত মুসল্লিদের নয়নাভিরাম একটি দৃশ্য উঠে এসেছে।

কিপ রিডিং…

সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস


ফিচারটি লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা 


শুদ ওজুদাস রহমাতালল্লিল আলামিন/মাসজিদে উ শুদ হামা রোয়ে জমিন— বিখ্যাত ফার্সি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তার রচিত ‘পান্দে নামা’ নামক কবিতার গ্রন্থের একটি কবিতা। সরল বাংলাতে অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর (রাসূল সা.) আগমন কিংবা এই ধরাধামে তাঁর অস্তিত্ব গোটা জগতবাসীর জন্য রহমত স্বরুপ/সারা পৃথিবীটা তাঁর জন্য মসজিদ স্বরুপ। শুধু রাসূলের (সা.) জন্য নয় গোটা উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য এটা একটি বিশেষ নেয়ামত- পৃথিবী নামক ধরাধামের গোটা জমিনটাকে তাদের জন্য জায়নামাজ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জমিনের যে কোনো স্থান বা জায়গা যদি পবিত্র হয় তাহলে নামাজ পড়া এই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য জায়েজ। তরে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, নামাজ আদায়ের পূর্বের গুরুত্বপূর্ণ সাতটি ফরজের অন্যতম একটি হলো নামাজ আদায়ের জন্য জমিন বা নামাজের স্থান পবিত্র হওয়া। সুতরাং জমিনের পবিত্র যে কোনো স্থানে নামাজ আদায় করা সহিহ। কিন্তু যেহেতু হাদিসে রাসূলে (সা.) মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের সাওয়াবের মাঝেও তারতম্যের আলোচনা এসেছে সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের প্রথম ইচ্ছা ও চেষ্ঠা থাকবে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা।

হুম পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সময়-বাধা এবং কোনো প্রকারের কোনো সমস্যার কারণে যদি মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদয় করার সময় সুযোগ না থাকে বা না হয়ে ওঠে সেক্ষেত্রে ইসলাম ছাড় দিয়েছে, জমিনের যে কোনো পবিত্র স্থানের নামাজ আদায় করা যাবে।

নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কোনো অবস্থাতেই নামাজ ত্যাগ করা যাবে না। মুসলিম মাত্রই এই বিধান জানেন এবং অধিকাংশ বুঝদার মুমিন-মুসলমানরা এই বিধান সময় মতো আদায় বা পালন করার চেষ্ঠা করেন। সময় মতো (প্রত্যেক নামাজের জন্য আলাদাভাবে যে ওয়াক্ত বা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে) নামাজ আদায় করাও ফরজ। বিভিন্ন সমস্যা বা সময়-সুযোগ না থাকার কারণে মুসলিমরা মসজিদে না গিয়ে বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায় করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের এমন নামাজ আদায়ের দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন বিভিন্ন ফটোগ্রাফাররা এবং ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির কল্যাণে তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায়ের মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন ৩০টি চিত্র বা ছবি নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন- সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস।

চিত্র-০১

ক্যাপশন : গাড়ির পাকিংয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন একজন মুসলিম। ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত কিপ রিডিং…

গো টু টপ