Tag archive

ফিচার

জেরুজালেম নাকি জেরুসালেম, আল-কুদস তাহলে কি?


সাংবাদিকতা শব্দের ইংলিশ হলো- Journalism এখানে ইংরেজি ‘এস’ থাকলেও উচ্চারণ কিন্তু হচ্ছে- জার্নালিজম। এখানে যেভাবে ‘এস’ বর্ণের উচ্চারণ ‘জ’ দিয়ে হচ্ছে, ঠিক তেমনই জেরুসালেমের ‘এস’ বর্ণটিকে কেউ ‘জ’ এবং কেউ ‘স’ উচ্চারণ করছেন। এতেই মূলত পবিত্র শহরটির নাম কখনও সালেম এবং কখনও জালেম হচ্ছে।


বর্তমানে ফিলিস্তিনের একটি শহরকে ট্রাম্প ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা দিয়েছেন। যা নিয়ে সারা বিশ্বে তোলপাড় হয়েছে এবং হচ্ছে। জাতিসংঘে ভোটে হেরে গেলেও হুমকি দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার চেষ্টা করছেন মিস্টার ট্রাম্প।

কেউ বলেন জেরুজালেম আবার কেউ বলছেন জেরুসালেম। ফিলিস্তিনের উল্লেখিত শহরটির শুদ্ধ নাম আসলে কি? তা নিয়েই আজ আমার আলোচনা। বিস্তারিত ইতিহাসে আজ যবো না, শুধু নামের বিশ্লেষণ থাকবে এ লেখায়।

ফিলিস্তিনের উল্লেখিত শহরটির মূল নাম হচ্ছে- আল কুদস অর্থাৎ পবিত্র। বিভিন্ন কারণেই উক্ত স্থানটি মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের কাছে শহরটি পবিত্র। এজন্যই মূলত যে নামেই ডাকা হচ্ছে বা নাম যেটাই হোক নামের অর্থ কিন্তু স্ব স্ব জাতির মতে পবিত্র। বাস্তবে নামের অর্থ থাক না থাক সেটা বড় ব্যাপার না।

আল কুদস আরবী শব্দ। ফিলিস্তিন যেহেতু আরব দেশ তাই তাদের ভাষা অনুসারে উক্ত শহরটির নামকরণ করা হয়েছে ‘আল কুদস’।

এরপর ইহুদিরা ছলেবলে যখন মাথা গোঁজার ঠাই হিসেবে ফিলিস্তিনিদের কাছে ভূখন্ড নিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করল তখন থেকে আস্তে আস্তে ইহুদিরা ফিলিস্তিন দখলের ছক আঁকতে শুরু করেছে। সে ছক বাস্তবায়নের জন্য নানান বর্বরতা চালাচ্ছে প্রতিদিনই ফিলিস্তিনিদের উপর। নাম পরিবর্তনও সেই চক্রান্তের অংশ।

ইসরাইল যখন ‘আল কুদস’ দখল করেছে তখন থেকে তাঁরা এর অফিসিয়াল নাম দিয়েছে ‘ইউরসালাইম আল কুদস’। এ শব্দের অর্থও পবিত্র। আল কুদ্স নাম সে সময় বাদ দিলে ইসরাইলের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যেত, এজন্য ধূর্ত ইহুদিরা নিজেদের শব্দের সাথে মূল আরবী শব্দ ‘আল কুদ্স’ও সংযুক্ত রেখেছে।

ইউরসালাইম আসলে কোন ভাষার শব্দ? ইসরাইলের ভাষা যেহেতু হিব্রু তাই অনেকের মতে ইউরসালাইম শব্দটি হিব্রু ভাষার শব্দ। কারো মতে শব্দটি মেসোপটোমিয়া শব্দ ‘ইউরসালাইমা’ থেকে নেয়া হয়েছে। যেখান থেকেই নেয়া হোক ইউরসালাইম শব্দটির অর্থও ইহুদিদের মতে পবিত্র। কিপ রিডিং…

কোন দেশের বিজয় দিবস কবে?


লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা


স্বাধীনতা— পরম আরাধ্য একটি বিষয়। স্বাধীনতা পরম স্বাদ ও উপভোগ্যতা কেবল তারাই অনুভব করতে সক্ষম, এখনও এই পৃথিবতে পরাধীনতার শিকলে যারা আবদ্ধ। প্রত্যেকটি মানুষই চায় স্বাধীনভাবে বাঁচতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্বাধীন এক খন্ড ভূমির আয়োজন করতে। মানুষের এই চাহিদা সহজাত। যৌক্তিক এবং মানবাধিকার। মানুষ তার এই অধিকারকে আদায় করার জন্য বা সুষ্ঠুভাবে ভোগ করার জন্য যুদ্ধ করেছে, লক্ষ লক্ষ এবং কোটি কোটি প্রাণ বিসর্জিত হয়েছে বিজয় নামক অর্জনের উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশরও এর ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর বাংলার মাটিতে অর্জিত হয়েছে বিজয়। এ উপলক্ষে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় বিজয় দিবস। বাংলাদেশের মতো বিশ্বের আরও বিভিন্ন দেশে বিজয় দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশের বিজয়ের এই দিনে চলুন আমরা এক নজরে জেনে নেই কোন দেশে কবে বিজয় দিবস পালিত হয় :— কিপ রিডিং…

এক ডিমের মসজিদ



ফয়সল চৌধুরী। লোকমুখে প্রচার পৃথিবীতে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বেঙ্গির মা নামে এক মহিলা। ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়’ প্রবাদ বাক্যটি যেমন সত্য, তেমনি লক্ষ্য যদি থাকে আপনার অটুট একদিন সফলতা আসবেই। কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয় ‘ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তুলে মাহাদেশ সাগর অতল। এই কবিতাটুকু পড়লে মনে হয় কবিগুরুর কোন বাস্তব ঘটনা থেকেই কবিতাটি রচনা করেছিলেন। তেমনি আচার্য্যজনক এক ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এক মহিলা। তাকে সবাই ‘বেঙ্গির মা’ বলে ডাকলেও একটি মহৎ উদ্দ্যোগ নিয়ে এক আন্ডা (ডিম) গড়ে তুলেছেন একটি মসজিদ। এলাকাবাসী নাম দিয়েছেন এক আন্ডা’র মসজিদ। মসজিদটির নাম এখন সবার মুখে। এক আন্ডা থেকে কি ভাবে এক মসজিদ সে কথা শুনলে সবাই অবাক হন। মানুষের অসাধ্য কিছু নেই, মানুষ সাধনা করে আকাশে উড়েছে, পৌঁছেছে চাঁদের দেশে। তেমনি এক বেঙ্গির মা বাংলাদেশে জন্ম দিয়েছে এক ইতিহাস। আর তার রেখে যাওয়া স্মৃতি দেখার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে বেঙ্গির এক আন্ড’র (ডিম) মসজিদ দেখতে।

জানা যায়, জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের প্রজাতপুর গ্রামের তৎকালীন এক কৃষক সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা ১৯০২ ইং, ১৩০৭ বাংলায় প্রজাতপুর ও লালপুর দুটি গ্রামের মাধ্যবর্তী স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদ নির্মাণের শেষে এলাকাবাসীকে জড়িত করে মসজিদটির নাম করণ করেন ‘এক আন্ডা (ডিম)র মসজিদ’। তখন মসজিদের নামকরণ নিয়ে জনতার মধ্যে প্রশ্ন জাগলে তিনি ঘটনাটি খুলে বলেন। বেঙ্গির মা এলাকাবাসীকে জানান, তিনি একটি মুরগীর ডিম মসজিদের নামে মান্যত করে রাখেন। ঐ ডিমটি থেকে মুরগীর উতলে দিলে তা থেকে একটি বাচ্চার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ঐ বাচ্চাটি বড় হলে তা থেকে আরো ৭টি ডিম হয়। পরবর্তীতে ঐ ৭টি ডিম থেকে ৭টি বাচ্চার জন্ম হয়। এভাবে এক পর্যায়ে মুরগীর খামার গড়ে তুলেন। ঐ খামারের মুরগী বিক্রি করে বেঙ্গির মা টাকা জমাতে থাকেন। তৎকালীন সময়ে তিনি এক লক্ষ টাকা জমা করে মসজিদটি তার স্বামীর মাধ্যমে নির্মাণ করে দেন। বেঙ্গির মা ছিলেন নিঃসন্তান। ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পরে মসজিদটির নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। মসজিদ নির্মাণের শত বছর অতিবাহিত হলেও এখন এ কাহিনী সবার মুখে মুখে। অনেকই মনে করেন একটি আন্ড (ডিম) থেকে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম। তাও আবার একজন মহিলা কর্তৃক মসজিদ নির্মাণ সবাইকে অবাক করেছে। প্রজাতপুর ও লালপুর গ্রামবাসী ২০০৯ সালে মসজিদটির বর্ধিত অংশ সংস্কার করেছেন। কিন্তু বেঙ্গির মার মুল মসজিদটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে। চলতি বছরে মসজিদটি নতুন করে রং করা হয়েছে।

এক আন্ডা (ডিম) এর মসজিদের খতিব মাওলানা আলমাছ উদ্দিন বলেন, আমি মসজিদ নির্মাণে বেঙ্গির মার এক এন্ডার গল্প শুনে অবাক হয়েছি। ইচ্ছা থাকলে মানুষ কিনা করতে পারে। তার ছেলে সন্তান না থাকলেও এই মসজিদটি পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন স্বাক্ষী হয়ে রবে। বেঙ্গির মার প-পৌত্র প্রজাতপুর গ্রামের রাকিল হোসেন বলেন আমার পুর্ব পুরুষ নিঃসন্তান সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। আমি আমার বাবার কাছ থেকে শুনেছি পরিদাদী বেঙ্গির মা একটি আন্ডা থেকেই এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এলাকাবাসী কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করে মসজিদের সুন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য সংস্কার করেছেন। মসজিদের মোতাওল্লী লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হারিছ। কিন্তু তিনি দেশের বাহিরে থাকায় থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। প্রজাতপুর গ্রামের প্রবীণ উলফর উল্লাহ বলেন, আমাদের গ্রামের বেঙ্গির মা এমন একটি কাজ করেছেন, যা সারা জীবনেও ভুলার মত নয়। আমি বেঙ্গির মার কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি একটি ডিম থেকে একটি মুরগীর খামাড় গড়ে তুলেছিলেন। ঐ খামারের একটি টাকাও তার সংসারের কাজে ব্যয় করেন নি। সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন। কিপ রিডিং…

সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস


ফিচারটি লিখেছেন আমাতুল্লাহ ইউসরা 


শুদ ওজুদাস রহমাতালল্লিল আলামিন/মাসজিদে উ শুদ হামা রোয়ে জমিন— বিখ্যাত ফার্সি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তার রচিত ‘পান্দে নামা’ নামক কবিতার গ্রন্থের একটি কবিতা। সরল বাংলাতে অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর (রাসূল সা.) আগমন কিংবা এই ধরাধামে তাঁর অস্তিত্ব গোটা জগতবাসীর জন্য রহমত স্বরুপ/সারা পৃথিবীটা তাঁর জন্য মসজিদ স্বরুপ। শুধু রাসূলের (সা.) জন্য নয় গোটা উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য এটা একটি বিশেষ নেয়ামত- পৃথিবী নামক ধরাধামের গোটা জমিনটাকে তাদের জন্য জায়নামাজ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জমিনের যে কোনো স্থান বা জায়গা যদি পবিত্র হয় তাহলে নামাজ পড়া এই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য জায়েজ। তরে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, নামাজ আদায়ের পূর্বের গুরুত্বপূর্ণ সাতটি ফরজের অন্যতম একটি হলো নামাজ আদায়ের জন্য জমিন বা নামাজের স্থান পবিত্র হওয়া। সুতরাং জমিনের পবিত্র যে কোনো স্থানে নামাজ আদায় করা সহিহ। কিন্তু যেহেতু হাদিসে রাসূলে (সা.) মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের সাওয়াবের মাঝেও তারতম্যের আলোচনা এসেছে সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের প্রথম ইচ্ছা ও চেষ্ঠা থাকবে মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা।

হুম পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সময়-বাধা এবং কোনো প্রকারের কোনো সমস্যার কারণে যদি মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদয় করার সময় সুযোগ না থাকে বা না হয়ে ওঠে সেক্ষেত্রে ইসলাম ছাড় দিয়েছে, জমিনের যে কোনো পবিত্র স্থানের নামাজ আদায় করা যাবে।

নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কোনো অবস্থাতেই নামাজ ত্যাগ করা যাবে না। মুসলিম মাত্রই এই বিধান জানেন এবং অধিকাংশ বুঝদার মুমিন-মুসলমানরা এই বিধান সময় মতো আদায় বা পালন করার চেষ্ঠা করেন। সময় মতো (প্রত্যেক নামাজের জন্য আলাদাভাবে যে ওয়াক্ত বা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে) নামাজ আদায় করাও ফরজ। বিভিন্ন সমস্যা বা সময়-সুযোগ না থাকার কারণে মুসলিমরা মসজিদে না গিয়ে বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায় করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের এমন নামাজ আদায়ের দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন বিভিন্ন ফটোগ্রাফাররা এবং ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির কল্যাণে তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের বিভিন্ন সময় জমিনের বিভিন্ন স্থানে নামাজ আদায়ের মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন ৩০টি চিত্র বা ছবি নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন- সালাত অ্যাট এভরিহোয়্যার ইন অল কন্ডিশনস।

চিত্র-০১

ক্যাপশন : গাড়ির পাকিংয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন একজন মুসলিম। ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত কিপ রিডিং…

পৃথিবীর অদ্ভুত সব ব্যাংকনোট

উসামা রাফিদ : ব্যাংকনোট, বিল, পেপারবিল বা এক কথায় নোট যা-ই বলা হোক না কেন, জিনিসটা ছাড়া যে আধুনিক সমাজে এক পা-ও নড়া যায় না তা বলাই বাহুল্য। আজ থেকে তেরশ বছর আগে চীনে প্রথম কাগজের নোটের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তারপর মার্কো পোলোর হাত ধরে চীন থেকে প্রথমে ইউরোপ, তারপর গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাংকনোটের এই বিশাল ইতিহাসের ফাঁকফোকরে অদ্ভুত কিছু গল্প লুকিয়ে থাকা বিচিত্র নয়। অদ্ভুত, বিচিত্র, আজগুবি সেই গল্পগুলোই তুলে ধরা হলো আজকের এই লেখায়।

প্রাচীনতম নোট : সপ্তম শতাব্দীতে প্রথম ব্যাংকনোট তৈরি হলেও সাধারণ সমাজে এর প্রচলন শুরু হয় দশম শতাব্দীতে, সং রাজবংশের হাত ধরে। সিচুয়ান সাম্রাজ্যের রাজধানী চেংডুতে ব্যবহার শুরু হয় ‘জিয়াওজি’ নামের এই ব্যাংকনোটের। নিউমিজম্যাটিস্টরা (মুদ্রা বিশেষজ্ঞ) এই নোটকেই প্রথম ব্যাংকনোট হিসেবে ঘোষণা করেন। নকল হবার ভয়ে এই নোটের উপর প্রচুর ছিলছাপ্পড় দেওয়া হত। কিপ রিডিং…

আজারবাইজানের সেরা পাঁচ মসজিদ

ককেশীয় অঞ্চলের দেশ আজারবাইজান। পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার সীমান্ত বরাবর এর অবস্থান। পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, উত্তরে রাশিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া, পশ্চিমে আর্মেনিয়া এবং দক্ষিণে ইরান। উত্তর-পশ্চিমে তুরস্কের সঙ্গেও এর সংক্ষিপ্ত সীমান্ত রয়েছে। আজারবাইজান তেল সম্পদে সমৃদ্ধ।


বিউটিফুল মস্ক ইন দ্য ওয়ার্ল্ড-০৮। আজারবাইজানের সেরা পাঁচ মসজিদ। লিখছেন আবু সাঈদ যোবায়ের


অবকাঠামো এবং সামরিক খাতে উন্নয়ন-সব ক্ষেত্রেই এই তেলের অর্থই ব্যবহার করে দেশটি। তেল সম্পদের কারণেই দেশটি বেশ সমৃদ্ধ এবং এর আঞ্চলিক প্রভাবও বাড়ছে। তবে একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে দুর্নীতি ও দারিদ্র্য, যা দেশটির ক্রমবর্ধমান উন্নয়নকে ব্যাহত করছে।

এ ছাড়া সরকারের দিক থেকে মানবাধিকারকর্মী এবং সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করার একটি চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, যা দেশটির একেবারে প্রারম্ভিক পর্যায়ে থাকা গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত দুই দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আজারবাইজান অন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে। তবে গণমাধ্যমের টুঁটি টিপে ধরার চেষ্টা এই অগ্রগতিকে অনেকাংশেই ম্লান করে দিয়েছে। ‘রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডার’ নামে সাংবাদিকদের সংগঠন আজারবাইজানকে মোট ১৮০টি দেশ নিয়ে তৈরি করা এক সূচকে ১৬২তম স্থানে রেখেছে। কিপ রিডিং…

বাংলার বিখ্যাত পাঁচ কবির বাড়ি-ঘর

বাংলার বিখ্যাত পাঁচ কবির বাড়ি-ঘর নিয়ে ফিচার। ১. মাইকলে মধুসূদন দত্ত (১৮২৪–১৮৭৩) : জন্ম যদি বঙ্গে তব…। ২. জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯–১৯৫৪) : বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি…। ৩. জসীমউদ্‌দীন (১৯০৩–১৯৭৬): তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে…। ৪. সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬–১৯৪৭) : বাংলার মাটি দুর্জয় খাঁটি…। ৫. সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫–২০১৬) : জাগো বাহে কোনঠে সবায়…। কিপ রিডিং…

মা বোমা এবং বাবা বোমা!

আবু রায়হান খান : বোমা, শব্দটা শুনলেই কেমন যেন একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। মনে হয় যেন বিকট শব্দে কোনো কিছু বিস্ফোরিত হতে চলেছে। মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে অনেক কিছু। হ্যাঁ, বোমা বস্তুটাই ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি করা এক ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্য, যা কিনা খুব দ্রুত গতিতে অভ্যন্তরীণ পদার্থের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে কম্পন তরঙ্গ তৈরি করার মাধ্যমে খুব সহজেই বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে এবং একই সাথে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও সাধন করতে পারে।

সম্প্রতি (১৩ই এপ্রিল, ২০১৭) পাকিস্তানের সীমান্তঘেঁষা আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের আচিন জেলায় আইএস (ISIS) জঙ্গিদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পার্বত্য অঞ্চলের এক গুহায় ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে এক বোমা নিক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একে এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা সবচেয়ে শক্তিশালী অপারমাণবিক বোমা হিসেবে দাবি করছে তারা। কিপ রিডিং…

দৈনিক ইত্তেফাক : একাল-সেকাল

দৈনিক ইত্তেফাক বাংলাদেশের প্রাচীনতম দৈনিকগুলোর একটি। ১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়; এর আগে এটি ছিল সাপ্তাহিক। এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়ে থাকে। ভাষা : বাংলা। এছাড়া অনলাইন একটি ইংরেজি ভার্সনও রয়েছে।

জন্মলগ্ন থেকে ইত্তেফাক সাধু ভাষা রীতি অনুসরণ করে আসলেও পরবর্তী সময়ে চলতি ভাষা রীতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এ পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তাসমিমা হোসেন। তিনি একাধারে একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে সম্পাদনা করছেন দেশের সবচেয়ে প্রচলিত নারীবিষয়ক পত্রিকা পাক্ষিক ‘অনন্যা’। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রণ করা হয়। পত্রিকাটির দাপ্তরিক ওয়েবসাইট :http://www.ittefaq.com.bd/

দৈনিক ইত্তেফাকের নিয়মিত আয়োজনে আছে- প্রথম পাতা, শেষ পাতা, অন্যান্য খবর, সম্পাদকীয়, দৃষ্টিকোন, চিঠিপত্র, বিশ্ব সংবাদ, রাজধানীর আশেপাশে, অনুশীলন (শিক্ষাবিষয়ক পাতা) খেলার খবর, ইত্তেফাক সাময়িকী (সাহিত্য ও শিল্প-সংস্কৃতি বিষয়ক), কড়চা, প্রজন্ম, আইটি কর্ণার, তথ্যপ্রযুক্তি, শেয়ার বাজার, রাশিফল, তরুণকন্ঠ, অর্থনীতি, এই ঢাকা, বন্দর নগরী, স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মহিলা অঙ্গন, ক্যাম্পাস, কচি-কাঁচার আসর, ধর্মচিন্তা, বিনোদন প্রতিদিন, আনন্দ বিনোদন। কিপ রিডিং…

আর্জেন্টিনার সেরা মসজিদ

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। এর উত্তরে বলিভিয়া ও প্যারাগুয়ে, উত্তর-পূর্বে ব্রাজিল, পূর্বে উরুগুয়ে ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিমে চিলি। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ আর্জেন্টিনার একটি শক্তিশালী, শিক্ষিত কর্মীবাহিনী রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম সমৃদ্ধ অর্থনীতি তাদের। ২০০১ সালে মন্দার কারণে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যায়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সহযোগিতায় সেই মন্দা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হলেও দারিদ্র্য এখনো দেশটির জন্য একটি বড় সমস্যা।


বিউটিফুল মস্ক ইন দ্য ওয়ার্ল্ড-০৭। আর্জেন্টিনার সেরা মসজিদ। লিখেছেন আবু সাঈদ যোবায়ের


কিং ফাহাদ ইসলামিক সেন্টার : এই ইসলামিক সেন্টারটি আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনোস আইরেস এ অবস্থিত। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম ১৯৯৫ সালে এক রাষ্ট্রীয় সফরে সৌদি আরবে যান। তখন এক রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে ৩৪০০ বর্গ মিটার পরিমাণ জমি সৌদি সরকারকে প্রদান করে।পরবর্তীতে সৌদি সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে একটি বৃহৎ আয়তনের মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সালে এই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। প্রখ্যাত সৌদি স্থপতি জুহায়ের ফাওয়াজ এর ডিজাইন করেন। কিপ রিডিং…

গো টু টপ