Tag archive

বাংলাদেশ

মহান বিজয় দিবস

কখন এবং কীভাবে এলো বিজয় দিবস : বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ একটি দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত এবং দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে এ দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি ও অনুমোদন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।[১]

দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২]

এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। এ ছাড়া জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন।

কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান মাননীয় রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।

হানাদার পাকবাহিনীর আত্মসমপর্ণ : ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানী দখলদার বাহিনী ১৬ ডিসেম্বর যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল। সেদিন ঢাকার কেন্দ্রস্থলে রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের পক্ষে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন জেনারেল জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি। তিনি যৌথবাহিনীর প্রধান জেনারেল জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর উপ-সর্বাধিনায়ক ও ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী উপস্থিত ছিলেন না। আত্মসমর্পণ দলিলের ভাষ্য ছিল নিম্নরূপ :

পূর্ব রণাঙ্গনে ভারতীয় ও বাংলাদেশ বাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ, লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সকল সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে আত্মসমর্পণে সম্মত হলো। পাকিস্তানের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সব আধা-সামরিক ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে এই আত্মসমর্পণ প্রযোজ্য হবে। এই বাহিনীগুলো যে যেখানে আছে, সেখান থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কর্তৃত্বাধীন নিয়মিত সবচেয়ে নিকটস্থ সেনাদের কাছে অস্ত্রসমর্পণ ও আত্মসমর্পণ করবে। [৩]

এই দলিল স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড লেফটেন্যান্ট-জেনারেল অরোরার নির্দেশের অধীন হবে। নির্দেশ না মানলে তা আত্মসমর্পণের শর্তের লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে এবং তার প্রেক্ষিতে যুদ্ধের স্বীকৃত আইন ও রীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আত্মসমর্পণের শর্তাবলীর অর্থ অথবা ব্যাখ্যা নিয়ে কোনো সংশয় দেখা দিলে, লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।

লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণকারী সেনাদের জেনেভা কনভেনশনের বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য মর্যাদা ও সম্মান দেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করছেন এবং আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সামরিক ও আধা-সামরিক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও সুবিধার অঙ্গীকার করছেন। লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার অধীন বাহিনীগুলোর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিক, সংখ্যালঘু জাতিসত্তা ও জন্মসূত্রে পশ্চিম পাকিস্তানি ব্যক্তিদের সুরক্ষাও দেওয়া হবে। কিপ রিডিং…

এক ডিমের মসজিদ



ফয়সল চৌধুরী। লোকমুখে প্রচার পৃথিবীতে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বেঙ্গির মা নামে এক মহিলা। ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়’ প্রবাদ বাক্যটি যেমন সত্য, তেমনি লক্ষ্য যদি থাকে আপনার অটুট একদিন সফলতা আসবেই। কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয় ‘ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তুলে মাহাদেশ সাগর অতল। এই কবিতাটুকু পড়লে মনে হয় কবিগুরুর কোন বাস্তব ঘটনা থেকেই কবিতাটি রচনা করেছিলেন। তেমনি আচার্য্যজনক এক ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এক মহিলা। তাকে সবাই ‘বেঙ্গির মা’ বলে ডাকলেও একটি মহৎ উদ্দ্যোগ নিয়ে এক আন্ডা (ডিম) গড়ে তুলেছেন একটি মসজিদ। এলাকাবাসী নাম দিয়েছেন এক আন্ডা’র মসজিদ। মসজিদটির নাম এখন সবার মুখে। এক আন্ডা থেকে কি ভাবে এক মসজিদ সে কথা শুনলে সবাই অবাক হন। মানুষের অসাধ্য কিছু নেই, মানুষ সাধনা করে আকাশে উড়েছে, পৌঁছেছে চাঁদের দেশে। তেমনি এক বেঙ্গির মা বাংলাদেশে জন্ম দিয়েছে এক ইতিহাস। আর তার রেখে যাওয়া স্মৃতি দেখার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে বেঙ্গির এক আন্ড’র (ডিম) মসজিদ দেখতে।

জানা যায়, জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের প্রজাতপুর গ্রামের তৎকালীন এক কৃষক সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা ১৯০২ ইং, ১৩০৭ বাংলায় প্রজাতপুর ও লালপুর দুটি গ্রামের মাধ্যবর্তী স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদ নির্মাণের শেষে এলাকাবাসীকে জড়িত করে মসজিদটির নাম করণ করেন ‘এক আন্ডা (ডিম)র মসজিদ’। তখন মসজিদের নামকরণ নিয়ে জনতার মধ্যে প্রশ্ন জাগলে তিনি ঘটনাটি খুলে বলেন। বেঙ্গির মা এলাকাবাসীকে জানান, তিনি একটি মুরগীর ডিম মসজিদের নামে মান্যত করে রাখেন। ঐ ডিমটি থেকে মুরগীর উতলে দিলে তা থেকে একটি বাচ্চার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ঐ বাচ্চাটি বড় হলে তা থেকে আরো ৭টি ডিম হয়। পরবর্তীতে ঐ ৭টি ডিম থেকে ৭টি বাচ্চার জন্ম হয়। এভাবে এক পর্যায়ে মুরগীর খামার গড়ে তুলেন। ঐ খামারের মুরগী বিক্রি করে বেঙ্গির মা টাকা জমাতে থাকেন। তৎকালীন সময়ে তিনি এক লক্ষ টাকা জমা করে মসজিদটি তার স্বামীর মাধ্যমে নির্মাণ করে দেন। বেঙ্গির মা ছিলেন নিঃসন্তান। ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পরে মসজিদটির নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। মসজিদ নির্মাণের শত বছর অতিবাহিত হলেও এখন এ কাহিনী সবার মুখে মুখে। অনেকই মনে করেন একটি আন্ড (ডিম) থেকে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম। তাও আবার একজন মহিলা কর্তৃক মসজিদ নির্মাণ সবাইকে অবাক করেছে। প্রজাতপুর ও লালপুর গ্রামবাসী ২০০৯ সালে মসজিদটির বর্ধিত অংশ সংস্কার করেছেন। কিন্তু বেঙ্গির মার মুল মসজিদটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে। চলতি বছরে মসজিদটি নতুন করে রং করা হয়েছে।

এক আন্ডা (ডিম) এর মসজিদের খতিব মাওলানা আলমাছ উদ্দিন বলেন, আমি মসজিদ নির্মাণে বেঙ্গির মার এক এন্ডার গল্প শুনে অবাক হয়েছি। ইচ্ছা থাকলে মানুষ কিনা করতে পারে। তার ছেলে সন্তান না থাকলেও এই মসজিদটি পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন স্বাক্ষী হয়ে রবে। বেঙ্গির মার প-পৌত্র প্রজাতপুর গ্রামের রাকিল হোসেন বলেন আমার পুর্ব পুরুষ নিঃসন্তান সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। আমি আমার বাবার কাছ থেকে শুনেছি পরিদাদী বেঙ্গির মা একটি আন্ডা থেকেই এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এলাকাবাসী কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করে মসজিদের সুন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য সংস্কার করেছেন। মসজিদের মোতাওল্লী লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হারিছ। কিন্তু তিনি দেশের বাহিরে থাকায় থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। প্রজাতপুর গ্রামের প্রবীণ উলফর উল্লাহ বলেন, আমাদের গ্রামের বেঙ্গির মা এমন একটি কাজ করেছেন, যা সারা জীবনেও ভুলার মত নয়। আমি বেঙ্গির মার কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি একটি ডিম থেকে একটি মুরগীর খামাড় গড়ে তুলেছিলেন। ঐ খামারের একটি টাকাও তার সংসারের কাজে ব্যয় করেন নি। সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন। কিপ রিডিং…

হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যার্তদের বিনামূল্যে নৌকা ও ত্রাণ বিতরণ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বহু মানুষ। সারাদেশ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ সাধ ও সাধ্যের মিলন ঘটিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। শুকনো খাবারসহ নানাবিধ বহু বস্তু প্রদান করা হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ তুলে দিচ্ছেন নগদ অর্থও। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের (এইচআরএফ) উদ্যোগে নেত্রকোনায় সুসং দূর্গাপুরের ভাদুয়া গ্রামের অসহায় শ্রমজীবি পরিবার ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের চিন্তা করে বিনামূল্যে ২৫টি নৌকা ও ২০০ প্যাকেট চাউল, ডাউর, আটা, লবণ ও প্রয়োজনীয় খাদ্র পণ্য বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
বিনামূল্যে নৌকা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান প্রফেসর এমদাদুর হক খান, পরিচালক জনাব মো. মাহবুবুর রহমান। ত্রাণ ও নৌকা বিতরণকালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান প্রফেসর এমদাদুর হক খান বলেন, ‘আমরা শুধু বন্যাকালীন সমস্যার কথা ভাবিনি। বন্যা চলে যাওয়ার পর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষ কী করবে? কীভাবে চলবে তাদের সংসার? এসব কথা ভেবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে ২৫টি নৌকা গরিব-অহসায় মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। বন্যার ক্ষতিকর প্রভার কাটিয়ে ওঠার পর এসব নৌকার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে আশা করা যায়।’ কিপ রিডিং…

ইসলামী লেখক ফোরামের সভাপতি বাবর, সম্পাদক মুনীর

বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরামের ২০১৭-১৮ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন কবি মুনীরুল ইসলাম।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আমিন ইকবাল এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মুফতি তাসনিম নির্বাচিত হয়েছেন।


বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম ইসলামি ধারার তরুণ লেখকদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম। ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। ইতোমধ্যে লেখকদের উন্নয়নে ফোরাম বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।


কমিটির অন্য দায়িত্বশীলরা হলেন- সহ-সভাপতি রায়হান মুহাম্মদ ইবরাহিম, মাসউদুল কাদির, গাজী মুহাম্মদ সানাউল্লাহ; সহ-সাধারণ সম্পাদক আবদুল মুমিন ও হাসনাইন হাফিজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান খসরু, রোকন রাইয়ান; প্রকাশনা সম্পাদক এমদাদুল হক তাসনিম; তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক নকিব মাহমুদ; সাহিত্য সম্পাদক সায়ীদ উসমান; আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুল গাফফার, আইন ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আনছারী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আবদুল্লাহ মোকাররম, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুক মজুমদার। এছাড়া নির্বাহী কমিটির সদস্য পদগুলো প্রথম বৈঠকে পূরণ করা হবে।

কিপ রিডিং…

যৌথভাবে বাংলাদেশ-ভারতে পিআর সেবা দেবে টাইমস পিআর ও লঞ্চার্জ

বাংলাদেশ এবং ভারত প্রথমবারের মত যৌথভাবে পাবলিক রিলেশন (পিআর) সেবা দেবে বাংলাদেশের টাইমস পিআর এবং ভারতের লঞ্চার্জ। সোমবার কলকাতার হাজরা, মনোহর পুকুর রোডে লঞ্চার্জের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এ সময় বাংলাদেশের হয়ে টাইমস পিআর-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিজানুর রহমান সোহেল এবং ভারতের হয়ে লঞ্চার্জের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রাজিব লোধাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। দুই প্রতিষ্ঠানের চুক্তি সম্পর্কে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়াতে এই পিআর সেবা দেবে লঞ্চার্জ। কিপ রিডিং…

দেশে অানুষ্ঠানিকভাবে ভয়েস মেইল সার্ভিস চালু



বাংলাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ‘ভয়েস মেইল সার্ভিস’ চালু হয়েছে। গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদের মোবাইল ফোনে ভয়েস মেইল পাঠিয়ে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ‘ভয়েস মেইল সার্ভিস’ উদ্ভোধন করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এ সময়ে ভয়েস মেইলে জয় বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভয়েস মেইল সার্ভিস চালু করার জন্য আমার অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা রইল।’  কিপ রিডিং…

সিলেটের গহরপুর জামিয়ার কওমি গ্র্যাজুয়েশন

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের ষষ্ঠ পাগড়ি প্রদান ও কওমি গ্র্যাজুয়েশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। প্রখ্যাত বুজুর্গ আলেম আল্লামা নূর উদ্দিন আহমদ গহরপুরী রহ. প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটির ৬০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে জামিয়ার প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন স্মারক হিসেবে পাগড়ি ও এরাবিয়ান আবা গ্রহণ করবেন। এছাড়া প্রত্যেকের জন্য থাকবে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী। এই প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা এখন দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত আছেন। কওমি গ্র্যাজুয়েশনে দেশের শীর্ষ আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ছাড়াও বিশ্বের কয়েকটি দেশের ইসলামিক স্কলাররা যোগ দেবেন। কিপ রিডিং…

ড. ইউনূসকে স্বর্ণপদক দিয়ে মোদীর সম্মাননা

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ভারতের তিরুপতিতে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ১০৪তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত আরও ৫ জন নোবেল লরিয়েটের সঙ্গে প্রফেসর ইউনূসকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

কিপ রিডিং…

নাসিক মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আইভী

অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী  শপথ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান । আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে শপথ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় একই সময়ে শপথ নিয়েছেন নাসিক নির্বাচনে জয়ী সংরক্ষিত আসনের নয় নারীসহ ৩৬ কাউন্সিলর। এদিকে কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

কিপ রিডিং…

গো টু টপ