Tag archive

লাইফস্টাইল

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন কোনটি?

বুর্জ খলিফা— বর্তমানে পৃথিবীর গগনচুম্বী অট্টালিকা বা উচ্চতম ভবন। ২০১০ সালের যা ৪ জানুয়ারি ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অবস্থিত। দুবাই টাওয়ার নামেও বেশ পরিচিতি এই ভবনটি। নির্মাণকালে এর বহুল প্রচারিত নাম বুর্জ দুবাই থাকলেও উদ্বোধনকালে নাম পরিবর্তন করে বুর্জ খলিফা রাখা হয়।

জরুরি কিছু তথ্য— ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ২০০৪ সালে। যা ২০০৯ সালে গিয়ে শেষ হয় এবং ২০১০ সালে উদ্বোধন হয়। ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি এতটাই উঁচু যে এর নিচতলা থেকে সর্বোচ্চ তলার মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ভবনটিতে এমনও লিফট আছে যার গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ মাইল। মুল ভবনটি ২৭১৭ ফিট উচু। ভুমি থেকে উপরে ১৬০ টি ফ্লোর আছে। নিচে মানে বেইজমেন্ট আছে ১টি। প্রায় ৩০০০ গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা আছে।

নির্মাণ করলো যারা— বুর্জ খলিফার মালিকানা দুবাইয়ের একটি আধা সরকারি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এমিরাত প্রোপার্টিজ। এর স্থপতি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের অড্রিয়ান স্মিথ। এর নকশা প্রণয়নকারী হলো যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্কিডমোর ওয়িংস অ্যান্ড মেরিল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং, বেলজিয়ামের বিইএসআই এক্স গ্রুপ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আর্বটেক। প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ শ্রম ঘণ্টা লেগেছে ভবনটি নির্মাণে। এ প্রকল্পে জড়িত ছিলেন ৩৮০ জন দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ। কিপ রিডিং…

বাংলাদেশের সেরা পাঁচ দর্শনীয় স্থান


রবি ঠাকুরের সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ/জীবনানন্দের রূপসী বাংলা, রুপের যে তার নাইকো শেষ।


শামসুন্নাহার : বাংলা সাহিত্যের সেরা ৩ কবি বঙ্গমাতাকে তাদের চোখ দিয়ে দেখেছেন এবং আমাদের সাহিত্যকে করেছেন মহিমাময়। কেমন দ্বিজেন্দ্রলালের সকল দেশের রাণী, আমাদের এই দেশটা? সেটা ভালো করে বুঝতে হলে চষে বেড়াতে হবে, এই বাংলা মায়ের বুকে। হ্যাঁ, পাঠক, আজ আমরা বাংলাদেশের সেরা পাচটি জায়গার কথা বলব, যেখানে বাঙ্গালী হিসেবে, পরিব্রাজক হিসেবে জীবনে একবার হলেও যাওয়া উচিত। এই সেরা ৫ টি জায়গা হলো- সিলেটের রাতাগুল সোয়াম্প ফরেস্ট, পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি সুন্দরবন, চর কুকরী- মুকরী। তাহলে ঘুরে আসি একবার সপ্নের সেই জায়গাগুলোতে।

এক. রাতাগুল সোয়াম্প ফরেস্ট : এটি জলামগ্ন একটি বন। বর্ষাকালে এই বনে অথৈ জল থাকে চার মাস। তারপর ছোট ছোট খালগুলো হয়ে যায় পায়ে-চলা পথ। আর তখন পানির আশ্রয় হয় বন বিভাগের খোঁড়া বিলগুলোতে। সেখানেই আশ্রয় নেয় জলজ প্রাণীকুল। বুঝতেই পারছেন রাতাগুল ভ্রমণের সবচেয়ে আদর্শ সময় হল বর্ষাকাল। উত্তরে গোয়াইন নদী, দক্ষিণে বিশাল হাওর। মাঝখানে ‘জলার বন’ রাতারগুল। সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে এই জলার বনের অবস্থান। সিলেট নগরী থেকে দেশের একমাত্র এই সোয়াম্প ফরেস্টের দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার।

তবে রাতারগুলের গাছের মধ্যে করচই বেশি। হিজলে ফল ধরে আছে শয়ে শয়ে। বটও চোখে পড়বে মাঝেমধ্যে, মুর্তা গাছ কম। বড়ই অদ্ভুত এই জলের রাজ্য। কোনো গাছের হাঁটু পর্যন্ত ডুবে আছে পানিতে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলো আবার শরীরের অর্ধেকই ডুবিয়ে আছে জলে। কোথাও চোখে পড়বে মাছ ধরার জাল পেতেছে জেলেরা। বর্ষায় পানি বাড়ায় সাপেরা ঠাঁই নেয় গাছের ওপর। হাওরের স্বচ্ছ পানির নিচে বনগুলো দৃশ্যমান থাকায় বর্ষাকালে অনেক পর্যটকের সমাগম ঘটে এখানে। আবার শীত মৌসুমে ভিন্নরূপ ধারণ করে এ বন। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেগে ওঠে মূর্তা ও জালি বেতের বাগান। সে সৌন্দর্য আবার আবার অন্য রকম!

যেভাবে যাবেন : রাতারগুল যাওয়া যায় বেশ কয়েকটি পথে। তবে যেভাবেই যান, যেতে হবে সিলেট থেকেই। সিলেট-জাফলংয়ের গাড়িতে উঠে নেমে যাবেন সারিঘাট। সেখান থেকে টেম্পোতে করে গোয়াইনঘাট বাজার। বাজারের পাশেই পড়বে নৌঘাট। এখান থেকে রাতারগুল যাওয়া-আসার জন্য নৌকা রিজার্ভ করতে হবে। তবে মনে রাখবেন, এই নৌকায় করে কিন্তু রাতারগুল বনের ভেতরে ঢোকা যাবে না। বনে ঢুকতে হবে ডিঙি নৌকায় চেপে।

কিপ রিডিং…

সুখি জীবনের একটি মাত্র রহস্য!

সুখি থাকতে চাই আমরা সবাই। একটি স্বচ্ছল, সুখি জীবনের প্রত্যাশায় অনেক কিছুই করতে হয় আমাদেরকে। ক্যারিয়ার গড়তে হয়, ব্যাঙ্কে টাকা জমাতে হয় নির্ভরতার বাড়ি-গাড়ি করতে, নিজের সংসার, সন্তান-সন্ততির ব্যাপারে ভাবতে হয়। এতকিছু করার পর আসলে কী সুখ পাওয়া যায়? সুখের জন্য সবচাইতে জরুরী আসলে কোন কাজটি? ইংরেজিতে লেখা মূল আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন এইখানে…

৭৫ বছরেরও বেশী সময় ধরে হার্ভার্ডের গ্র্যান্ট অ্যান্ড গ্লুয়েক স্টাডি মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার তথ্য নিয়ে চলেছে। এর মাঝে দুইটি গ্রুপের তথ্য নেওয়া হয়। একটি হলো ৪৫৬ জন দরিদ্র পুরুষের গ্রুপ, তারা বস্টনে বাস করেন ১৯৩৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত (গ্র্যান্ট স্টাডি)। অন্যটি হলো হার্ভার্ডের ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত সময়ের ২৬৮ জন পুরুষ স্নাতকের গ্রুপ (গ্লুয়েক স্টাডি)।


হার্ভার্ডের স্টাডি অফ অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্টের ডিরেক্টর রবার্ট ওয়ালডিঙ্গারের মতে, সুখি জীবনের জন্য সবকিছুর চাইতে একটি জিনিস বেশী গুরুত্বপূর্ণ। আর তা হলো প্রিয়জনদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।


কিপ রিডিং…

মিনি তাজমহল!

প্রেম স্রষ্টার এক অপার-অদ্ভুত সৃষ্টি। কখন তা আসে, কীভাবে কার জীবনে এসে দোলা দিয়ে যায় সেটা বলা যায় না। কেউ হয়তো তাকে পায় খুব গভীর ভাবে, কারো বা আঁচটুকু লেগেই ম্রিয়মাণ হয়ে ফিরে যায়, কে-ই বা রাখে তার খবর? সম্রাট শাহজাহানের প্রেমের ইতিহাসই যে একমাত্র অমর ইতিহাস নয় তা প্রমাণ করে দিলেন ফয়জুল হাসান কাদরি নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার।

স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি রেখেছেন, গড়ে তুলেছেন তার স্বপ্নের তাজমহল। যদিও তা সম্রাট শাহজাহানের তৈরি তাজমহলের মতো রাজকীয় ঢঙ্গে গড়ে উঠেনি, তবুও এই মিনি তাজমহলের প্রতিটি গাঁথুনিতে কিন্তু ভালোবাসার কমতি নেই মোটেও। হ্যাঁ, এলাকাবাসীদের কাছে তা ‘মিনি তাজমহল’ নামেই পরিচিত।

প্রেমের অমর নিদর্শন বলতেই প্রথমেই মনের কোণায় এসে নাড়া দেয় সেই স্মৃতির সৌধ যা প্রায় ৩৫০ বছর আগে সম্রাট শাহজাহান তৈরি করেছিলেন তার প্রিয়তম স্ত্রী বেগম মমতাজের প্রতি ভালোবাসার স্মৃতি রক্ষার্থে। সেই তাজমহল এখন শুধু ভারত বর্ষ নয়, গোটা পৃথিবীর কাছেই অতীব আশ্চর্যের একটি স্থান। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এটিকে।

কিপ রিডিং…

ঘরে ঘরে বোমা আতঙ্ক!


নিম্ন, মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ফ্রিজ, এসি ও গ্যাস সিলিন্ডর ব্যবহার করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ত্রুটিপূর্ণ পণ্য মানেই ঝুঁকিপূর্ণ। কম দামে নিম্নমানের পণ্য কিনে ব্যবহার করায় নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছে।


আলী আজম : ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে নিম্নমানের ফ্রিজ, এসি ও গ্যাস সিলিন্ডার। মানহীন ও নিম্নমানের একেকটি সিলিন্ডার একেকটি বোমায় রূপ নিয়েছে; যা নিমিষেই ধ্বংস করতে পারে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, অফিস-আদালত, যানবাহনসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এসব পণ্য মানুষের জীবনের জন্য আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। এমনসব সিলিন্ডার ব্যবহারে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব নিম্নমানের সিলিন্ডার ছেড়ে মানসম্মত সিলিন্ডার ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা অনেক কমে আসবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিএনজি সিলিন্ডারে প্রতি বর্গইঞ্চিতে ৩২০০ পাউন্ড চাপে গ্যাস ভরা হয়। গ্যাস সিলিন্ডার সঠিক মানের না হলে যে কোনো সময় গাড়ি ভয়াবহ বোমা হয়ে বিস্ফোরণ ঘটার আশঙ্কা থাকে। এদিকে গৃহস্থালি বা দোকানের কাজে ব্যবহূত বেশকিছু এলপিজি সিলিন্ডারও বিস্ফোরণ ঘটছে। নিম্ন ও মানহীন সিলিন্ডার ব্যবহার করায় নিরাপদ রান্নাঘর হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক।

জানা গেছে, রি-টেস্টের মেয়াদোত্তীর্ণ দেড় লাখেরও বেশি গাড়ি বিপজ্জনক সিলিন্ডার নিয়ে রাস্তায় চলছে। নিম্নমানের সিলিন্ডার ও কিটস ব্যবহার এবং পাঁচ বছর পরপর রি-টেস্ট করার নিয়ম না মেনে গাড়িচালকরা জীবন্ত বোমা নিয়ে যানবাহন চালাচ্ছেন। যা চালকসহ গাড়ির যাত্রী ও পথচারীদের জীবনের জন্যও হুমকি। প্রায়ই ঘটছে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। সর্বশেষ শনিবার বিকালে পুরান ঢাকার লালবাগ চৌরাস্তায় মিঠাই নামের একটি বেকারিতে ফ্রিজের কমপ্রেসার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সাতজন দগ্ধসহ নয়জন আহত হন। এর মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিপ রিডিং…

পজেটিভ থাকার ৫ উপায়


সহজে মনে রাখার স্বার্থে পজেটিভ থাকার ৫টি উপায়কে আমরা ইংরেজি ভাওয়েলের সিরিয়ালে চর্চা বা ব্যাখ্যা করতে পারি।


মানুষ কতভাবেই না পজেটিভ থাকতে চায়। পজেটিভ বা ইতিবাচক থাকার জন্য মানুষ কত কৌশল আর কত উপায় গ্রহণ করে। আসুন এবার আমরা কাজী এম. আহমেদের মুখ থেকে জেনে নেই পজেটিভ থাকার ৫টি উপায়।


কাজী এম. আহমেদ বলেন, সহজে মনে রাখার স্বার্থে পজেটিভ থাকার ৫টি উপায়কে আমরা ইংরেজি ভাওয়েলের সিরিয়ালে চর্চা বা ব্যাখ্যা করতে পারি। ইংরেজি ভাওয়েলগুলো হলো a, e, i, o, u। কিপ রিডিং…

রাতে চলাচলে ১০ সতর্কতা!

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গভীর রাতে চলাচল করার সময় সবারই আলাদা সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন । নানা ধরনের অপরাধীদের হাত থেকে বাঁচতে নিজেদেরই নিতে হবে বিশেষ সতর্কতা। বিশেষ করে পকেটমার, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি প্রভৃতি  দুষ্কৃতিকারীদের খপ্পর থেকে দূরে থাকতে বিশেষ সতর্কতায় এই দশটি বিষয় রাতে চলাফেরা করার সময় স্মরণ রাখুন ।

১. চলুন আলোর পথে : রাতে চলাচলের সময় চেষ্টা করুন আলোকিত রাস্তা ব্যবহারের। অন্ধকারাচ্ছন্ন রাস্তা থেকে আলোকিত রাস্তা অধিকতর নিরাপদ।

২. স্টেশনে সচেতন : বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাটে গভীর রাতে এসে পৌঁছালে বাসায় ফেরার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকুন। গভীর রাতে ট্যাক্সি, সিএনজি অটোরিক্সার পরিবর্তে বাস অধিকতর নিরাপদ। ফোনে চার্জ ও ব্যালেন্স পর্যাপ্ত রাখুন। তা না হলে গভীর রাতে প্রয়োজনের সময় কারো সাথে যোগাযোগ করতে হলে অসহায় হয়ে পড়বেন। খুব বেশি তাড়া না থাকলে সকাল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন।

৩. অচিন জায়গায় সাবধান : রাতে অচেনা বা অপরিচিত কোন জাগয়া খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্ক থাকুন। স্থানীয় বাসিন্দারা আপনার আচরণে যেন আপনাকে সন্দেহ না করে।

কিপ রিডিং…

মিনি কক্সবাজার!



রাজধানীর কোলাহল ছেড়ে একদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে মৈনট ঘাটকে বেছে নিতে পারেন৷ সেখানে গেলে পদ্মার সৌন্দর্য্য যেমন আপনাকে মোহিত করবে, তেমনি খেতে পাবেন পদ্মার তাজা ইলিশ৷

যেভাবে যেতে হবে

মৈনট ঘাটের অবস্থান ঢাকার দোহার উপজেলায়৷ গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার থেকে সেখানে সরাসরি যাওয়ার বাস সার্ভিস আছে৷ ভাড়া জনপ্রতি ৯০ টাকা৷ সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা৷

‘মিনি কক্সবাজার’

মৈনট ঘাটের আশেপাশে বিশেষ করে পূর্ব দিকে আছে বিশাল চর আর সামনে বিস্তীর্ণ পদ্মা৷ এই ঘাটের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই একে ‘ছোট কক্সবাজার’ বা ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে ডাকতে শুরু করেছে৷



কিপ রিডিং…

গো টু টপ